বাতাসের জন্য এলিজি

বাতাসের জন্য এলিজি শিরোনামটি অনেক আগের একখানা কাব্যগ্রন্থের। যার পঙক্তিমালা এখনও যৌক্তিক, সমসাময়িক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে যথেষ্ট মেলে বলেই আজ এখানে শেয়ার করার জন্য মনস্থ করলাম। উতসর্গ পঙক্তি- আজকাল কুয়াশার চোরাগন্ধে ঘুম আসেনা অলিন্দেরও! তবু কিন্তু স্বপ্নপোড়া ছায়ারা প্রস্তুতি নিচ্ছে নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করেও! দমবদ্ধ জগতগুহায় ঝাঁপ দিয়ে শুনে নিতে চায় অমল ধুমতানানা! আহ ফুসফুসে এক চিলতে [বিস্তারিত বাতাসের জন্য এলিজি]

মেঘবালিকা

ভাল লাগার সেই রঙিন অভ্যেস এখনো ভুলতে পারিনি, অবলীলায় তাই আজ বিকেলের মেঘটাকে ভাল লেগে গেল। রিক্সার হুড ফেলে উচ্ছন্ন বৈরাগী বাতাসে চুল এলিয়ে যে মেঘ উড়ে গেছে আজ দিনের প্রৌড় সময়ে, চেয়ে চেয়ে দেখেছি, মানুষের অতিশয় ভীড় ঠেলে, নগর নির্জনতায় দাঁড়িয়ে নিজস্ব মৌনতায়- কিশোরী মেঘ উড়ে গেছে কী ভিষন লাজহীন অনুভঙ্গিমায়।

তবুও বেচে থাকুক মানবতা…….. (কবিতা)

তবুও বেচে থাকুক মানবতা রক্তের টান কি কখনো ভোলা যায়? আর স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি- দৃশ্যপট খুব সহজে পাল্টে গেলেও এখনও বেচে আছে হায়েনারা। রুদ্ধশ্বাসে পার হয়ে আসা সাড়ে বিয়াল্লিশ বছর ধরে- খুজে ফিরি রক্তমাখা শাট খুজে ফিরি জয় বাংলা স্লোগান খুজে ফিরি জাতির বিবেক। খুজে ফিরি স্বাধীনতা।

ধিক্কার তোদের, অভিশাপ তোদের

ধিক্কার তোদের অভিশাপ তোদের কুলাঙ্গারের দল- এই বাংলার জল হাওয়ার সাথে কিসের এত ছল? বোনের সম্ভ্রম,ভাইয়ের রক্ত মায়ের চোখের জল- শকুনীর চোখে দেখিস তোরা কোনসে সুখে বল? বাহান্নতে রক্ত দিলাম মাতৃভাষার তরে, একাত্তুরে বেঈমান তুই মারলি ভাইকে ধরে? ভেবে দেখেছিস তুই নরকীট- যুগ যুগান্ততরের ঝুট? নইলে কি আর বোনের সম্ভ্রম, মায়ের ইজ্জত করতি কিরে লুট? [বিস্তারিত ধিক্কার তোদের, অভিশাপ তোদের]

বলে দে –ভালোবাসি

  “ভালোবাসি “ – বলা সহজ বলে দিলাম, অন্ধ হই বলিনি আসুন, হাত ধরে হেঁটে যাই চৌরাস্তার মোড়ে , খুঁজে নিন আপন রাস্তা বলা হয়নি – বুক পেতে দে নিজেকে জল করে মিশিয়ে দেই নিমিষে তোর বুকে ভালবাসতে হয় নাকি বুঝে সুঝে ভাবনারা ক্লান্ত ভীষণ তাই বলে ভুলিনি জীবনের জটিলতা যাপিত জীবনের অপচয় … বাস্তবতা [বিস্তারিত বলে দে –ভালোবাসি]

ভালোবাসি তাই, ভালোবেসে যাই

আমি স্বপ্ন দেখি না আর, অনিদ্রিত রজনী করি যাপন। অলীক নেশায় মাতিনা আর, ঘটাইনা সুখের ব্যাপন। আমি আকাশ দেখি না আর, জোছনা মাখি না গায়। বেলাভূমির তীরে বেড়াই না আর, গোধূলী মাখি না পায়। আমি গান গাই না আর, বেসুরো গলার কন্ঠস্বর। আনন্দ বিলাই না আর, দুঃখ করে ভর। আমি আড্ডা দেই না আর, চায়ের [বিস্তারিত ভালোবাসি তাই, ভালোবেসে যাই]

একালের খনার বচন – ১

*** একালের খনার বচণঃ শোনরে বাপু শিল্পপতির বেটা মার্কেটের মধ্যে নতুন যেটা তাতে যদি করিস ইনভেস্টমেন্ট লাভ পাবি হান্ড্রেড পারসেন্ট। খনা বলে শুনে যাও ব্যাংক থেকে ঋণ  নাও মুনাফা পাবে তাড়াতাড়ি চড়বে সুখে পাজেরো গাড়ি। *** আদি খনার বচণঃ শো্নরে বাপু চাষার বেটা মাটির মধ্যে বেলে যেটা তাতে যদি বুনিস পটল হবে তো্র আশা সফল [বিস্তারিত একালের খনার বচন – ১]

ঘোর কলিকালের গল্পঃ২(মজা না পেলে মেগাবাইট ফেরত)

ঘটনাঃ৪: রাজনৈতিক প্যাচ চায়ের দোকানে বসে কতশত রাজনৈতিক আলাপ শুনি। একটু আগে এই রকম একটা আলাপ শুনে খুব মজা পেলাম। (বুঝলে আপনিও মজা পাবেন, না বুঝলে চুপচাপ চা খান)। – এইটা কোন কথা হইল? সিপিবির মুজাহিদুল ইসলাম বলেন আওয়ামীলীগ দূর্নীতিগ্রস্থ। – তা বাবা বলেছে ভালো কথা; রাগের কি হইলো? দূর্ণীতি করলে বলবে না? – বিম্পির [বিস্তারিত ঘোর কলিকালের গল্পঃ২(মজা না পেলে মেগাবাইট ফেরত)]

সন্দেহ

  ০১. জলিল ভাইয়ের ল্যাপটপটা যেদিন চুরি হল, জলিল ভাইয়ের সমস্ত সন্দেহ গিয়ে পড়লো সাবলেট মশিউর ভাইয়ের উপর। কিন্তু এমনি এমনি তো কেউকে দোষী বলা যায় না, প্রমান চাই। তাই পুলিশের কাছেও জলিল ভাই কথাটা পাড়লেন না। ভাবলেন আগে প্রমান পাই তারপর দেখে নেব ব্যাটাকে। এমনিতেও ল্যাপ্পিটা কেনার পর থেকেই মশিউর ব্যাটা বড় আগ্রহ দেখাচ্ছে। [বিস্তারিত সন্দেহ]

ঘোর কলিকালের গল্প-১ (মজা না পেলে মেগাবাইট ফেরত)

ঘটনাঃ১:ঘোর কলিকাল বলেই কথা.………….. বিকালে রিক্সা পাওয়া খুব কষ্ট। অফিস টাইম শেষে,ক্লাশ শেষে,কোচিং শেষে,কর্ম শেষ করে সবাই বাসায় ফেরে। আমিও ফিরছিলাম। অনেকক্ষণ ধরে রিক্সার জন্য ছুটাছুটি করছি। – ভাই যাবেন? …মামা যাবেন?………ওই যাবি? …… আংকেল যাবেন?……ইত্যাদি। অনেক কষ্টে একজনকে পেলাম। – কই যাবেন মামা? – মাদ্রাসা। – না যামু না। আপা কই যাবেন? (পাশে এক [বিস্তারিত ঘোর কলিকালের গল্প-১ (মজা না পেলে মেগাবাইট ফেরত)]

নাজিফাহ সুপ্রভাত !

নাজিফাহ তোমাকে বলিনি মাটিতে মিশে যাওয়ার পরে আমরা দুজনে কেউ কাউকে চিনবো না ? কেউ জানবেনা তুমি চৈত্র মাসের কাটফাটা হাহাকার ? তুমি প্রসাধনী কোম্পানির চাপা চিৎকার ? ব্রিটিশ টোব্যাকো কোম্পানির দীর্ঘশ্বাস কতো রয়ে গেছে তোমার উপর , তুমি জানোনা , কতো আমার মতো ছিঁচকে প্রেমিক তোমার ঠোঁটের ভেতর পৃথিবী খুজতে চেয়েছে তামাকের গন্ধ ভুলে [বিস্তারিত নাজিফাহ সুপ্রভাত !]

চিঠি পর্ব— ১

ছেঁড়া ডাইরির পাতা হতে …………………2 চিঠি পর্ব— ১ প্রিয় সোহেল, আমার ভালবাসা নিও। তুমি চলে যাওয়ার পর হতেই আমার মনটা বড় খারাপ হয়ে গেছে। আমি বলে বুঝাতে পারবনা কি প্রকার কষ্ট হচ্ছে। আমি এখন রাত ১১.২৫ মিনিটে চিঠি লিখছি। এত দেরিতে লিখার কারণ দোকানের ভাইয়া , ফুপু, দাদী, ও মৌসুমি আমার পালিয়ে যাওয়ার গল্প শুনছিল। [বিস্তারিত চিঠি পর্ব— ১]

প্রতীক্ষা

অনেকটা পথ এভাবে হেঁটেছি। ব্যর্থতা,অতঃপর একদল হতাশা, কখনও বা নিস্তব্ধ নীরবতা, শুন্যতা এবং কিছু গম্ভীর রসিকতা। হাস্যকর আঁধারের মাঝে- অপ্রীতিকর ক্রন্দন ধ্বনি। অথবা, অপ্রীতিকর বাস্তবতায়- অসাধারণ মুখাভিনয়। মধ্যপথে একজন প্রীতিলতা, একঝাক আনন্দ-মাখা স্বপ্নের দল, হয়তো ক্ষণিক বাদেই মূর্খতার- বিশাল ভাণ্ডার থেকে মুক্ত, একদল শুকনের নির্মমতা। ছিঁড়ে খাবার আগ্রাসন নিয়ে, মৌন সূর্যের আলোতে, ক্ষুধার্ত দৃষ্টি নিয়ে- [বিস্তারিত প্রতীক্ষা]

নীলিমা

নীলিমা, তোমায় আর লিখব না, এ চিঠিই যেন শেষ চিঠি হয়। এ চিঠি ভাসিয়ে দিব জলে; শুন্যে অথবা দুরন্ত খোলা হাওয়ায়। নীলিমা, তোমায় আর ডাকবনা, এ ডাক যদি নাইবা শুনতে চাও। আমার কথাকলি ধ্বনিত হবে- তোমার কানে কানে, যে দিগন্তেই হারাও। নীলিমা, তোমায় আর ভাবব না, এ ভাবনায় দুঃখ পেতে হয়। আমার ভাবনা মুছে ফেলব- [বিস্তারিত নীলিমা]