থোকা থোকা বৃষ্টি ফুটে আছে গাছের ডালে-ডালে, আকাশের ঝুলবারান্দায়! শিরশির বাতাসে প্রথম প্রেমের ছোঁয়ায় কেঁপে ওঠার শিহরণ! গলির মোড়ে ভীড় করা বর্ষনেরা গাইছে রিমঝিম স্নিগ্ধতার তরল সুরে! বসন্তের ফুলেরা নিয়েছে কিশোরী প্রেমিকার সলাজ রঙ্গীন সাজ! বৃষ্টি ও বসন্তের তুমুল প্রেম হোক তবে আজ! [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
সেই কবিতার ভাবার্থ লেখব এখন। যা কেউ বুঝলনা বা বুঝেনি। সারা দিন রাত সব মিলিয়ে তিন দিনের প্রচেষ্টায় এবং প্রচন্ড বেদনার একটি কবিতা প্রসব করলাম। হ্যা দ্যার্থহীন কন্ঠে স্বীকার করেই বলেছি যে যা লিখেছি তার মাঝে কোন ছন্দমিল নেই। অর্থাৎ আমি নিজেই খুঁজে পাই নি। তাই তার নাম দিয়েছি গদ্যকবিতা। আমিতো বলিনি তা পদ্য। জানি… [বিস্তারিত]
কত কষ্ট করে,ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নষ্ট করে একটি লেখা লিখলাম।অতিবাহিত হয়েছে দুই বিনিদ্র রজনী।চোখ কয়েছে কাকের মত।গালে উঠেছে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। লেখা শেষ হলো আজ দুপুরে।এখন পোষ্ট করবো,সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন।ফাকি মাঠে গোল দেয়ার গূপন ইচ্ছে আছে আমার।পোষ্ট দিয়ে ফাটিয়ে দেব,আমার পোষ্টে মন্তব্য দিতে দিতে হাত ব্যাথা হয়ে যাবে সবার। কত শান্তি মনে ...... কিন্তু… [বিস্তারিত]
ঘরের সামনে, বারান্দায়, এখানে সেখানে অনেক মানুষ এসে জড় হয়েছে। সবাই অবাক হয়ে দেখতে লাগল কালাচান কবিরাজের কেরামতি, আর জামিলার অদ্ভুত আচরন। মুহাম্মদ ঘর থেকে একটা পুরানো ঝাটা আনল। কালাচান কবিরাজ ঝাটাটি জামিলার মুখের সামনে ধরে বলল, এই ধর তোর ঝাটা, নিয়ে এখান থেকে তারাতারি কেটে পর। এই মুহুর্তটি ছিল সবার জন্য সবচেয়ে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ।… [বিস্তারিত]
শ্রাবণের রাত বাহিরে ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে ।রাত প্রায় ১.৩০ হঠাত্ নিকোটিনের খুব অভাব পড়ে গেলো কৌশিকের ।নিকোটিনের অভাব পড়লে পাগলের মত হয়ে যায় কৌশিক ।এত রাত তার মধ্যে বাইরে খুব বৃষ্টি কি করবে বুঝে উঠতে পারছিল না ।বারান্দায় গিয়ে দেখা দরকার রহিম চাচার দোকান খোলা কিনা ।এত রাতে দোকান খোলা থাকবে কিনা সংশয়ের মধ্যে পড়ে… [বিস্তারিত]
দলবেঁধে তাড়া করে দেউলিয়া স্মৃতি তিমিরে হারিয়ে যায় বিপন্ন-প্রীতি। হেসে ওঠা গোধূলীর ঝলমলে আভা বিবর্ণ করে দেয় লালসার থাবা । ভালোবাসা আজ যেনো পিশাচের হাসি পূর্ণিমাচাঁদের বুকে ব্যথা রাশিরাশি । মিথ্যার মায়াজাল আল্পনা আঁকে কুহকের চাদর ঐ নীলাকাশ ঢাকে। বিশীর্ণ স্মৃতিগুলো কাঁদে অবিরাম সময়ের কাছে তার নেই কোন দাম। তবুও যে জাগে আশা চাতকের মনে… [বিস্তারিত]
তলানিতে পরে থাকা ক’টি দানার উপহাস- “পৃথিবীর শেষ ক’টি শস্য যেন আজ এই উদরের একমাত্র আশ্রয়” জাগতিক আকর্ষণ ভুলে এখানেই পরে রয়েছে, বাকি সব ভুলে যাক; এই ক’টি দানাতেই ভবিষ্যৎ। এ যেন অনাকাংখিত ভবিষ্যতের রুপরেখা- “যায় যাক জগৎ রসাতলে, এ’উদরের পরে” আঁতিপাতি করে খোঁজে শুরু নিকোটিনের ছাইয়ে, উচ্ছন্নে যায় তো যাক; যদি মেলে ফুসফুসের সুখ।… [বিস্তারিত]
পর্ব৭ক জামিলা হঠাৎ খিল খিল করে হেসে উঠল। কালাচান কবিরাজ গান বন্ধ করল আর বলল, বল কোথা থেকে এসেছিস? জানিলা আরো জোরে হেসে উঠল। কালাচান বলল, বল কোথা থেকে এসেছিস, কেন এসেছিস? জামিলা আবার উচ্চ শব্দে হেসে উঠল। কালাচান কবিরাজ একটা বড় লোহা দিয়ে মাটিতে দাগ কেটে বলল, খুব আনন্দ লাগে তোমার, মানুষকে জ্বালাতে খুব… [বিস্তারিত]
আমার স্বপ্ন দেখা চোখ; দেখবে প্রত্যুষ রক্তজবার রঙিন রক্তে ফাগুনের আগুনে পোড়া ঝলসিত মূর্তির বিদীর্ণ সূর্য যে সূর্যে লেখা আছে ইতিহাস যে সূর্যের আলো বলে যায় আজ মার্চ সে সূর্য; সূর্য নয় আমার ভাইয়ের রক্ত আমার পিতার তৃষিত আর্তনাদ আমার বোনের সিঁথির সিদুর আমার মায়ের বাকহীন কাব্যের মার্চ আমি তো সেই মার্চের কথা বলছি যে… [বিস্তারিত]
পর্ব৬ হঠাৎ একদিন মুহাম্মদ এসে উপস্থিত হল। এসেই দেখল জামিলা অবিস্বাশ্য ভাবে পাগলামি করছে। চেচিয়ে চেচিয়ে খারাপ ভাষায় গালাগালি করছে, অদ্ভুত সুরে গান গাইছে। জামিলার মা বলল, আসতে এত দেরি হল কেন, চিঠিতো দিয়েছি অনেক দিন হল? মুহাম্মদ বলল, চিঠি হাতে এসে পৌছাতে দেরি হয়েছিল। জামিলার মা বলল, এখন কি করবা, বুঝাইয়া দেখ পাগলামী ছাড়ে… [বিস্তারিত]
শীতের দুপুরে ক্লান্ত শীত এসেই চলে যায় বসন্ত নাকি দুলছে উত্তাল হাওয়ায় হাত বাড়িয়ে দেই কই একটুকু ছোঁয়া তো লাগেনা হাতে-চোখে-ঠোঁটে? দ্রিমদ্রিম করে কেঁপে ওঠেনা বুক, ওখানেই তো ভালোবাসার চিহ্নর মতো হৃদয়ের বাস। রাতের গভীরে রাত এসে চলে যায়, তার কাছে নাকি আলোর ব্যস্ততা। ভোরের কাছে তাই এলিয়ে দেইনা, ছুটতে থাকি, শুধুই ছুটে চলা প্রয়োজনে---… [বিস্তারিত]
বড় ছেলেকে মাদ্রাসায় ফোরে আর ছোট ছেলেকে স্কুলে ওয়ানে ভর্তি করে দিল জামিলা। অবশ্য জামিলার ইচ্ছা ছিল বড় ছেলেকে ক্লাস ফাইবে ভর্তি করার, কিন্তু স্যাররা বলেছে তা ঠিক হবেনা। বড় ছেলে সানি যথেষ্ট মেধাবী, ফাইভে ভর্তি করলে সমস্যা হত না। কিন্তু দেখে বয়স অনেক কম বলে মনে হয়। তাই ফাইভে ভর্তি করতে রাজি হলনা শিক্ষকরা।… [বিস্তারিত]
কোনটা ভালো কোনটা মন্দ মনের মাঝে লাগে দ্বন্ধ কাক-ময়ুরে কী ব্যবধান মনে হচ্ছে দুটোই সমান কোনটা চড়ূই কোনটা ঘুঘু ধাঁধাঁ লাগে মনেই শুধু ।। যায়না বোঝা চালাক-বোকা বারেবারে খাচ্ছি ধোকা কোনটা মুখ আর কোনটা মুখোশ আম মনে হয় কাঁঠালের কোষ কোনটা কাঁটা কোনটা গোলাপ কোনটা পিরিচ কোনটা যে কাপ ।। কোনটা গরম কোনটা শীতল কোনটা… [বিস্তারিত]
সূর্য্য বেশ কিছু কাজ হাতে নিয়ে বাসার দিকে যাচ্ছেন একটি রিক্সায় চড়ে হাতে ছিল বোমাবাজদের বিরুদ্ধে পোষ্টার লেখার জন্য কিছু রঙ্গীন কাগজ এবং একটি রাফ লেখার কাগজের পৃষ্ঠা যেখানে অনেকগুলো শ্লোগান লিখা ছিল।মা রোজী ছেলের খাবার নিয়ে বসেছিলেন কখন ছেলে আসবেন।অপেক্ষার প্রহর ক্ষীর্ণ হলেও যেনো শেষ হয় না তেমনি অপেক্ষারত মা খাবার রাখা টেবিলের উপর… [বিস্তারিত]
পর্ব-৪ সন্ধ্যা হয়ে আসছে। পশ্চিম আকাশের সূর্যটা রক্তের মত লাল দেখাচ্ছে। গাছের আড়াল থেকে উকি মারছে সূর্যটা । বাতাশের তালে তালে একবার মুখ দেখাচ্ছে, একবার মুখ গাছের আড়ালে লুকাচ্ছে। জামিলা ছোট বেলায় সূর্যের আলো ছায়া নিয়ে খেলা করত। বিকেল বেলা যখন সূর্যিটা তলিয়ে যাবে, জামিলা উঠোনে এসে সূর্যের হালকা আলোয় দাড়াতো। ফলে অনেক বড় একটি… [বিস্তারিত]




