ঢাকা টু কুড়িগ্রাম আন্তনগর ট্রেন তখনও চালু হয়নি। এর আগে ঢাকা রংপুর থেকে যাওয়া যেত। তবে কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকা যাওয়ার সর্ট- কাট উপায় ছিল। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ একটা বগি লেংটি সাপের মতো হেলে-দুলে এসে লোকজন ভরিয়ে নিয়ে পার্বতীপূর যেত। সেখানে অজগর সাইজের ট্রেনের সাথে এক হয়ে তারপর ঢাকা গমন। কোন কোন সময় পার্বতীপূর না… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
ছোট্ট মোদের রাজকন্যা বয়স যখন, নয় বেশি তার অতো, বুড়ির মতোই বলতো কথা ভর দিনমান, গল্পে অবিরত। স্পর্শতে তার ঝরতো মায়া সবুজ গাছের, স্নিগ্ধ ছায়ার তুল, শান্ত সুর আর সরল আভায় মুখ ছিল তার, সদ্য ফোটা গুল। গুন গুনিয়ে গাইতো সে গান আঁকতো বসে, মনের সুখে ছবি, উঠতো নিতি খুব সকালে পূব আকাশে, মেলতে না… [বিস্তারিত]
এশার আযানে আমার উঠানে নেমে আসে এক ঝাঁক শূন্যতা। কেউ কোথাও নেই। আকাশে চাঁদ নেই, ঢেকে আছে ঘন কুয়াশা। আমি জানালার পাশে এসে দাঁড়াই। দূরে দেখা যায় একটা বাতির টিমটিমে আলো। দোল খায় - হয়তো কোন জেলে পল্লীর নৌকায়। বাড়িতে বধূ উঠানে চড়িয়েছে রান্না, বধূর চোখে ও কি মাঝে মাঝে ভেসে আসে! দূর দেশ থেকে… [বিস্তারিত]
এক একটি ধূম্রকুন্ডলীর বাঁকে বাঁকে হতাশার কালিমা; চারপাশটা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তার বলয়ে। এখানে সবাই নিষিদ্ধ শুধু ফেলে আসা তত্ত্ব সাম্যবাদ চোখ রাঙিয়ে যায়। বেহুলা আজো লক্ষিন্দরের প্রত্যাশায় ঢেঁকুর তোলে, চন্ডীদাস ও ছিপ ফেলে অপেক্ষায় রজকিনীর; অবহেলার শহরে নিত্য বেজে ওঠে ডামাডোলের আত্মচিৎকার। পরিযায়ী পাখি হয়ে উড়ে যায় মৌসুমী প্রেমিক, শূণ্যতায় বাস করে লাল-নীল-বেগুনী মেঘের দল;… [বিস্তারিত]
কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? জানো কি পৌঁছতে সেথা কতো পথ বাঁকি? সুরুজ যে পাটে যেতে হয়নি অরাজি? কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? কেন হে ধরতে চাও ঘোরে তবু বাজী? কভু কি পারবে দিতে লহরীরে ফাঁকি? কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? জানো কি পৌঁছতে সেথা কতো পথ বাঁকি? ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]
সত্যই রাতের গায়ে এক ভয়! নরম বিছানায় ঘুমাতে হয়; বিস্মৃতি স্মৃতিচারণ চাঁদের সাথে কথা কয়! দীর্ঘশ্বাসে একটা আতঙ্ক; সব ভাবনাকে অম্লান করে যায়, অথচ রাতকে উপভোগ করি অনেক কিছু লাল পানি- উষ্ণ শীতল বুক- তবুও ভয়ে জাগ্রত হয় না আপন সত্তা; কেনো করবে চোখে যে রঙিন নেশা উম্মাদ পাগল নয় বরং আঁধারের কাছে বিলিন হওয়া… [বিস্তারিত]
ভূতোর বাড়ি রোজ রাতে কেউ দৌড়ে বেড়ায় ঘুরে, ভয়ে সবাই জাগ্রত রয় যায় বলে ঘুম উড়ে। সন্ধ্যা হলেই জানলা যা দোর বন্ধ করে তারা, দেয় না ভুলেও ভোর না হলে কারোর ডাকে সাড়া। দিন গত হয় দিনের শেষে পায় না তবু গতি, কষ্টে ভূতোর লাজ হেরে যায় খিটমিটে হয় মতি। ভাবে মোরা রাজ চিরকাল ঘোর… [বিস্তারিত]
পূব আকাশে উঠে যখন রাঙা রবি খুব সকালে হিম কুহেলীর বক্ষ চিরে, আমি খুঁজি সিক্ত ঘাসে তোমার ছবি পূব আকাশে উঠে যখন রাঙা রবি। যে পথ দিয়ে তুমি গেছো হে মোর কবি আজও এ মন চায় সে’দিকে ফিরে ফিরে, পূব আকাশে উঠে যখন রাঙা রবি খুব সকালে হিম কুহেলীর বক্ষ চিরে। ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]
তোমার অপেক্ষায় বৃদ্ধ হয় সময়ের তিথি; তোমার অপেক্ষায় দেবতার ফুল সমাহিত হয় ডায়েরীর কফিনে। তোমার জন্য বঙ্কিম-সমরেশ-শীর্ষেন্দু-শরত বাবু পরে রয় এলোমেলো সন্ধ্যায়; তবুও তুমি আসো না বর্ষার কদম হয়ে, বিলের শাপলা-শালুকে নৈস্বর্গিক পসরা হয়ে। আসো নাকো শরতের শিউলি তলায় বাসন্তী সাজে, বকুলের সোনা বাঁধানো সিক্ত-কঙ্কন বিছানো ছায়াতলে। তুমি থাকো স্বীয় স্বার্থে আপনারে নিয়ে; সুখ-বিলাস মন্থনে… [বিস্তারিত]
ভাবনার বেড়া জালে ঠোঁট হাসে সত্যের! অথচ বুকে হাত- ভয়ে কাপে দুনিয়া; হুমকি ধুমকি দৃশ্যপট তবু ঠোঁট বেঁকে যায় সত্য বলার কষ্টে- বাকরুদ্ধ বোবা হয়ে যাই; সময়ের ওলিতে গণিতে সত্যের ভেজাল পাই! আর কতদিন এভাবে থাকবে দেহের বৃন্দবনে ভেজাল। ০৮ পৌষ ১৪২৮, ২৩ ডিসেম্বর ২১ [বিস্তারিত]
প্রজাপতির ডানায় স্বপ্ন তুলে দেয়া ডাগর ভোর। এমন ডাগর ভোরে আমি রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়ে, বরফ পানিতে ডুবিয়ে কষ্ট দমনের চেষ্টা করছি। অথচ এমন ডাগর শীত শীত ভোরে ঘুম ভেঙ্গে গেলেও বিছানা ছাড়তে মন চায় না। আর যুগল হলে তো কোন কথাই নেই! তারা ভোরবেলায় নতুন করে প্রেমময় খুনসুটিতে মেতে ওঠে। প্রথম প্রথম আমরাও… [বিস্তারিত]
*অতল ক্ষম* মৃত্যুর কথা ভাবলে বিধি বক্ষে নামে ব্যথার ঢল, নিদ কেঁদে হয় পরবাসী আহার খুঁজে পা যুগল। রোজ তবু হই আশার সাথী দেখেও অকূল দরিয়া, হয় বলে মন উজ্জীবিত ভেবে তোমার ক্ষম অতল। *রাগের শেষে* ঘোরে মশক করলে পোঁ পোঁ না ভেবে ’মোর মন্দ ভাল’, পারলে শুধু হাত পা গা নয় করো তোমার সব… [বিস্তারিত]
মানুষের প্রতি, এত বিতৃষ্ণা কেন তার? অভিধান খুঁজে পায়না বলে, নাকি তারা মূলত নিজের নয়? অনেক দিন পর দেখা হলে সিনা মিলিয়ে ও কেন বুকের আগল খুলতে পারেনা সে? কেন স্পর্শগুলো বড় অসহ্য আর ভারি লাগে? কেউ তার নয় সে-ও কারো নয়, এভাবেই তো বেশ চলে যাচ্ছে.... কী দরকার ভালোবাসা বাসির? নিজের অতলান্তে এত রহস্যের… [বিস্তারিত]
এমন আহত দু’চোখ দেখতো অচেতন হয়ে যেতো এই জীবন সংসার এমন রক্তক্ষরণ যদি বুঝতো বালুচরে কান ফাটা স্রোতের শব্দ বয়ে যেতো অথচ ভাবি না দূরের মাটির ঘাস ফুল শুধু মনে বিদ্বেষ রোজ প্রকাশ করি কোন কবিতার ভাষায় কিংবা রাগান্বিত শিমুল পলাশের রক্ত ঝরা ভাষায় কেমন করে দেখো বন জঙ্গল প্রণয় দেখো কই! অন্ত গভীরে নীল… [বিস্তারিত]
সবুজ মাঠে ঢেউ খেলে বাও দোলে ধানের শীষ, পত্র নাচে ঠিক নীচে তার রব করে ফিস ফিস! দোয়েল বাজায় শিস! উজান গাঙে পাল উড়ে গায় ভাটিয়ালি গান, বাউল বুঝে একতারা তার বক্ষে রেখে প্রাণ! মুয়াজ্জীন আজান! হরেক সাজে ছয় ঋতু গা’র পাল্টে বলে চাম, কৃষক শ্রমিক রোজ হেসে তার কর্মে সপে ঘাম! বাপ-দাদার সুনাম! বেলা… [বিস্তারিত]






















