মূল লেখায় যান

এ সমাজে মুলতঃ ক্ষমতা হীন অর্থ সম্পদ হীন হয়ে জন্মাটাই হয়তো পাপ,যা জয়ের মনের মাঝে এ দেশ এ সমাজ সম্পর্কে তিক্ততাই বলে দেয়।rab পুলিশ স্টেসন থেকে চোখ বেধে কোথায় কি ভাবে নিয়ে গেলেন তা অনুমান করার দুঃসাধ্যও তার ছিলো না।পুলিশী নির্যাতনে তার দেহ অনেকটা অচেতন।বেশ কিছু ক্ষণ পর ধীরে ধীরে চোখ খুললেন জয়,,,,উভুর হয়ে পড়ে… [বিস্তারিত]

অনুবাদ গল্পঃ বিস্ময়কর সাত

অলিভারগল্প, সাহিত্য১৩টি মন্তব্য

ছোট্ট এক গ্রামের ৯ বছর বয়সী এক মেয়ে 'অ্যানা'। গ্রামের এক স্কুল থেকেই সে ৪র্থ শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করেছে। এরপর আরও উন্নত শিক্ষার জন্যে শহুরে ভালো স্কুল গুলির ৫ম শ্রেণীতে ভর্তি হবার আবেদন করল, আর তার ভালো ফলাফল এবং মেধার ভিত্তিতে শহরের এক নামকরা স্কুলে সে ভর্তি হবার সুযোগও পেয়ে গেলো। নতুন স্কুলে… [বিস্তারিত]

জলতরঙ্গ (৩)

ইঞ্জাগল্প১২টি মন্তব্য

আনকেল, আপনি কি বলেন, শ্রমিক সর্দারদের দাবী কতটুকু যুক্তিযুক্ত, আবীর জিজ্ঞেস করলো রফিক শেখকে। আসল কথা হলো, শ্রমিকদের দেখার কেউ নেই বাবা, এই পৃথিবীটা টাকার পাগল আর যারা শ্রম দেয় তারা নিষ্পেষিত। হুম, তাহলে তো সমস্যা। তুমি এসেছো এতে আরো সমস্যা বাড়বে। মানে? এতদিন এদের নতুন ম্যানেজার আসলে সমস্যার সমাধান করবো বলে দমিয়ে রেখেছিলাম, এখন… [বিস্তারিত]

এর মধ্যে শিমুল পলাশ ফুটে গেছে, শীতের শুষ্কতা পেছনে ফেলে কৃষ্ণচূড়া বেশ খানিকটা লালও হয়েছে আরো। সাজিদ বন্যারও দেখা সাক্ষাত হয়েছে বেশ কবার। সম্পর্ক আপনি থেকে তুমিতে চলে এসেছে। বইমেলার সামনের রাস্তার মাঝখানের আইল্যান্ডে বসে দুইজনে আড্ডা দিচ্ছে প্রায় রোজ। - এই তুমি বই পড়োনা কেন? বিরক্ত লাগে। - প্রথমতঃ বই পড়ার মত মেধা আমার… [বিস্তারিত]

জলতরঙ্গ (২)

ইঞ্জাগল্প১৭টি মন্তব্য

রফিক শেখকে বিদায় দিয়ে আবীর নিজ রুমের দিকে পা বাড়ালো, পিছন থেকে হারাধন বললো, স্যার আফনেরে কিছু দিতাইম নি? কি দেবে বলো, আবীর বললো। স্যার, ঘরত কফি আর ছা আছে। হুম, ওকে এক কাপ কফি দাও, বলেই অবীর নিজ রুমে গিয়ে নিজের লাগেজ নিয়ে খুললো, ভাজ করা কাপড় গুলো নিয়ে সামনে রাখা আলমিরাতে রাখা শুরু… [বিস্তারিত]

সাজিদ বই প্রেমিক না । বই মেলায় প্রচন্ড ধূলো আর ধূলো থেকে সাজিদের এলার্জীর সমস্যা হয় জেনেও সাজিদ বই মেলায় এসেছে জাস্ট বন্ধুদের তালে পড়ে । বই পড়ার অভ্যেস না থাকলেও সমসাময়িক পলিটিক্স এবং মুক্তিযুদ্ধের উপর কোন বই পেলে সাজিদ গোগ্রাসে গেলে । বইমেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে বন্ধুদেরকে গিফট করার জন্য কয়েকটা বই কিনতে… [বিস্তারিত]

কাদের ডাক শুনা যায়?

সৈয়দ আলী উল আমিনকবিতা৯টি মন্তব্য

চারি দিকে থৈ থৈ পানি-- লক্ষ লক্ষ আর্তস্বর- ঝরে পড়ছে পতঙ্গের মতো- চলছে জীবন , তাহারা বারবার তাকায় আকাশের পানে ধান ক্ষেতে মাঝী এপার ওপার বৈঠা বায় । তারা ঝরা ফসলের ভাষার সূর, বুকে গেঁথে ফিরে যায় একমুঠো ভাত- শত সহস্র হাত, স্থির চক্ষু-রক্ত ঝরে কাঁকন- কাঁদানো কণ্ঠ,ক্লান্ত বুড়ো- জোয়ান, ঝিমায় শিশু কাঁধে আধার ঘনায়-… [বিস্তারিত]

জলতরঙ্গ

ইঞ্জাগল্প১৯টি মন্তব্য

আবীরের নতুন চাকরি সুত্রে শ্রীমঙ্গলের কাঞ্চন নগর চা বাগানে যাচ্ছে সে, বাবা রহমান সাহেবের অঢেল টাকা, গ্রুপ অফ কোম্পানি থাকলেও আবীর চাই সে নিজে কিছু শিখুক, তাই বাবা আর না করেননি, যদিও মা কান্নাকাটি করেছিলেন কিন্তু আবীর বুঝিয়ে শুনিয়ে চলেছে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে, নিজে বায়োকেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সাথে উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ, চাকরী নিয়েছে চা বাগানের ম্যানেজার হিসাবে,… [বিস্তারিত]

ফেরা

আগুন রঙের শিমুলকবিতা১১টি মন্তব্য

ক্যাম্পফায়ার নিভে এলে - হোসে কুরভোর তরল আগুনের বিষ দ্বিগুণ হয়ে ওঠে অন্ধকারে। ক্ষয়াটে চাদের পানে হাক ছেড়ে বৃদ্ধ নেকড়ে খোড়লে ফিরে চলে। কেউ কেউ ঘুমঘোরে অস্থির এপাশ ওপাশ, নিটোল ঘুম জুড়েও দুঃস্বপ্নের বসবাস। প্রত্যেকের ফেরার জায়গা আছে - আগুন যাচ্ছে ফিরে অন্ধকারে, খোড়লের কাছে বৃদ্ধ নেকড়ে দুঃস্বপ্নের কাছে মায়া প্রত্যেকেরই ফেরার জায়গা আছে ..… [বিস্তারিত]

খৃষ্টপূর্ব ৩২৯৮ সনে আমার বসবাস ছিল তাম্র যুগের ঘাজ্ঞার হারকা নদীর তীরবর্তী এক গ্রামে। বর্ষাকালীন এই নদীটি প্রবাহিত হত দুকূলের ফসলী জমিকে উর্বরতা দিয়ে। পেশায় আমি জেলে হলেও, বর্ষাকালে ফসল ফলাতাম মালিকহীন জমিতে। তখন অবশ্য জমির মালিকানা ধরনের কিছু ছিলনা। যার যতটুকু জমি প্রয়োজন সে তাতে চাষাবাদ করত। বাবা মা মারা যাবার পরে একাই ছিলাম… [বিস্তারিত]

আহবান

শাহীন চৌধুরী ডলিকবিতা৪টি মন্তব্য

ছুঁয়ে থাক অনুরাগের ছোঁয়া মিষ্টি আবেশে, চোখ মেলো সুবোধ বালক ভোর হতেই প্রথম দর্শনে দেখো চাহি তোমার প্রিয়ার মুখচ্ছবি । ভালোবাসায় মাখামাখি এক কাপ ধোঁয়া উঠা কফির পেয়ালা হাতে দাঁড়িয়ে শিয়রে যামিনী যবনিকাপাতে । ঘুম ভাঙা প্রাত্যহিকতা সেরে এসো নাস্তা শেষে চটপট তৈরি হয়ে, চলো যাই দুর্বার অভিসারে কাজে দিই ফাঁকি, ঘরদোরের একঘেয়েমি ঝেড়ে ফেলে… [বিস্তারিত]

বেলাভূমি

ইঞ্জাএকান্ত অনুভূতি, কবিতা৮টি মন্তব্য

সমুদ্রের রূপ চিন্তা করে দেখো সে কতোই না ভালোবাসে বেলাভূমিকে নিরন্তর ছুঁয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টায় থাকে আমি ভাবি এতো কি ভালোবাসা যার শেষ কোথা ভালোবাসা জানানোর নিরন্তর প্রচেষ্টা তেমনি আমি বারেবারে ছুঁইয়ে যেতে চাই তোমায় যেমন সাগর বেলাভূমিকে ছুঁয়ে যায় শুনোনা ওগো, আমি ঐ ছোট ছোট লাল কাঁকড়া হতে চাই ভয় পাওয়ার ছলনায় গুরগুড়িয়ে তোমার… [বিস্তারিত]

মর্জিনা বিবি

আমির ইশতিয়াকগল্প৪টি মন্তব্য

রাত আনুমানিক বারোটা। খালেদার চোখে ঘুম নেই। মনটা ছট ফট করছে। ইচ্ছে হল বাইরে বের হতে। রুম হতে বারান্দায় আসতেই দেখে কাজের মহিলা মর্জিনা বিবি বারান্দায় বসে আছে। তার চোখে পানি। খালেদা মর্জিনা বিবির দিকে এগিয়ে গেল। - আচ্ছা দিদি আপনি এখনও ঘুমান্নি! মর্জিনা বিবি চোখের পানি আঁচল দিয়ে মুছে বললো, ঘুম আইতেছে না তাই… [বিস্তারিত]

সাদা স্বপ্ন

আগুন রঙের শিমুলকবিতা৮টি মন্তব্য

ঈশান থেকে হেটে হেটে - তোমার বারান্দায় মেঘ, অন্ধকার। তোমার ঘুমের পাশে এসে বসে - ইনসমনিয়াক রাত্তিরের হাহাকার। তোমার বারান্দায় দোল খায় আলো, জলটুঙ্গীতে ভাসে ডোবে অস্থির জোনাক - উইন্ডচাইম টুংটাং, টুংটাং বেদনার মতো ভেবে ভেবে, হেটে হেটে তোমার বারান্দায় ; আশা এইবুঝি মেঘ, অন্ধকার, অস্থিরতা কেটে ভোর এলো। [বিস্তারিত]

আততায়ী

তেলাপোকা রোমেনএকান্ত অনুভূতি, গল্প১৫টি মন্তব্য

ভদ্রলোক সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে টিভি দেখছিলেন। মজার প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রাম আমি দেখেছি। এক এক করে সব ম্যাজিশিয়ান দের সিক্রেট ফাঁস করে দেওয়া হয়। একজন তরুণীকে কফিনে ভরে কফিনেই ছোরা চালানো হচ্ছে এফোঁড়ওফোঁড় করে। কিন্তু কফিন খোলার পর দেখা যাচ্ছে তরুণী দিব্যি হাসিমুখে দর্শকের উদ্যেশ্যে হাত নাড়ছে! রহস্য হলঃ কফিনের মধ্যে আরো একটা গোপন কম্পার্টমেন্টে… [বিস্তারিত]