তনু শ্যামলা গড়নে হালকা পাতলা চেহারা। এখনকার মেয়েদের থেকে একটু আলাদা। সাজসজ্জায় একেবারেই তার আগ্রহ নেই। কারন শ্যামলা মেয়েরা বেশি সাজগোজ করলে ভালো লাগে না। সাজগোজ দুধে আলতা ফরসা ঢংগি মেয়েদের জন্য। ছেলেরা দেখবে আর হাঁ করে তাকিয়ে থাকবে গরীলার মত। আচ্ছা এই বেটাছেলেরা মা থেকে শুরু করে মেয়েদের দেখতে দেখতেই বড় হয় তারপরও মেয়ে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
আজ শুধু আকাশ কাঁদছে- বাতাস মৃদু শীতলতা বয়ছে! একমুঠো কবির স্বাদ যেনো সবুজ সমরায় শোকাহত- আর্তনাদ; তারার পানে খোঁজেও পাব না আর কবির কিছু কবিতার হাসি; মনিল করে রাখল সমস্ত কবিতার আত্মা কবি তুমি কখনো প্রভাতের সূর্য হতে পার! আমি কিছুটা তাপ নিবো- আমার কবিতার কিছুটা সুঘ্রাণ বইবে! কবি! স্মৃতির বাাতায়নগুলো ভীষণ কষ্টদায়ক- অথচ জানা… [বিস্তারিত]
সাত কন্যা সন্তান জন্মের পরে আমার জন্ম। ঠাকুরদাদা নাম রেখেছিলেন জ্যোতির্ময়। ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট, এই শ্লোগান তখন চালু হয়নি। তাছাড়া বংশ রক্ষার্থে হিন্দু সংসারে ছেলে যে কতটা অপরিহার্য তা তৎকালীন সময়ে সবাই বুঝত, জানতো। এখনো যে এই চিন্তাধারার অবসান হয়েছে তা হলফ করে বলা যায় না। বাবা মার অত্যন্ত আদরে বড়… [বিস্তারিত]
আমি ফিরে পেতে চাই হারানো উৎফুল্ল দিন, ফিরে দেখতে চাই চরকা কাটা রঙিন ঘুড়ির উড়ান। আমি আকাশের নীল গায়ে মাখতে চাই, আমি আঁকা বাঁকা মেঠো পথ ধরে বিনুনি দোলাতে চাই। আমি পুকুর জলে আনমনে ডিল ছুঁড়তে চাই, কদম পাড়ার ব্যর্থতায় বারবার বিষন্ন হতে চাই। আমি কুমড়া ফুলের বড়া বানিয়ে বনভোজনে মাততে চাই। আমি খেয়ালি মনের… [বিস্তারিত]
... ... দুই দিন ধরে থানা পুলিশ চলল। অতঃপর অপমৃত্যুর মামলার মধ্য দিয়ে মৌটুসি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল! মাত্র কিছু দিন যাবত দীপশিখা বাইরের খাবার খেতে শুরু করেছিল। কাজের মেয়ে রুপসী মৌটুসিকে সাহায্য করলেও দীপশিখার দেখা শোনা মুলতঃ মৌটুসিই করত। এখন দীপশিখাকে সামলাতে সবার হিমশিম অবস্থা। মা ছেলে ছুটি নিয়ে দীপশিখার দেখা শোনা করছে তাও প্রায়… [বিস্তারিত]
সবাই যখন নৌকায় উঠলো নৌকা কাত হয়ে 'সোনেলার বাবুরা' সব পানিতে পড়ে হাবুডুবু খেতে লাগলো, সাথে সুন্দরবনের টলটলে সুস্বাদু পানি। এবার তৌহিদ ভাইরে বন্যা আপু আর সাবিনা আপু পানি থেকে উঠিয়ে আনলো, আস্তে আস্তে বললো , "বাবু পানি আর খাইবা? কিপটামি ছাড়ো তা না হলে আরো পানি খাওয়ামু।" সবাই ভিজে টিজে একাকার হয়ে পাড়ে উঠলো… [বিস্তারিত]
চাঁদ আছে বলে রাত এতো সুন্দর নদী আছে বলে বেঁচে আছেে সাগর, তুমি ছাড়া জীবনটা শুধু যে আধাঁর শুধু যে আধাঁর। ফাগুনের ছোঁয়া যখন লাগে বনে বনে ফোঁটে ফুল পাখীদের গুঞ্জনে, মুগ্ধ করে মন ভোমরার গানে গানে। মিটি মিটি তারা গুলো নিভে আর জলে হারানো সব সৃতি হৃদয়ে দোলে। বেদনার ব্যথা বুকে নিয়ে ঘুরছে কত… [বিস্তারিত]
পৃথিবীর আর সবাই ঘুমিয়ে গেছে, অতন্দ্রীলা; তুমি জেগে আছো? কুয়াশা-কলমে কবিতা লিখছো? মৃত্যুর মত এই হিমঝুরি হেমন্তের রাতে গজলের ঢেউয়ে ভেসে আসে জীবনের স্বর, আমি তো এমন নই যে বানানের ভুলগুলো শুধু ধরিয়ে দেবো, আলাপের বেসুরো তান টুকু তুমি অন্তরায় এসে শুধরে নিও বরং, যদি পারো.. ঝরাপাতা গুণে গুণে সময় বেশ কেটে যায় আমার মলিন… [বিস্তারিত]
তাঁকেই খুঁজি (মুজিব পর্ব-২৬) - শামীনুল হক হীরা আমি তাঁকেই খুঁজি,আমি তাঁকেই খুঁজি!!!নিজের মূল্যবান জীবনের কথা ভাবারবিন্দু মাত্র সময় যার কাছে ছিলনা,দেশের কাছে দেশের জনগণের কাছেনিজের পরিবারও যার কাছে ছিল তুচ্ছ।আপামর জনতার সাহসই যার কাছে ছিলবলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রেরণা।প্রমানিত অন্নদাশঙ্কর রায়ের সেই অমরসাহসী বাণী-"দিকে দিকে আজ অশ্রম্নুগঙ্গারক্তগঙ্গা বহমান,নাই নাই ভয় হবে হবে জয় জয়মুজিবুর রহমান"। তাঁকেই… [বিস্তারিত]
... ... নিতুকে আমি ছোট বেলা থেকেই চিনতাম। মায়ের এক বান্ধবীর মেয়ে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা হত। তাছাড়া মাঝে মাঝে আন্টির সাথে আমাদের বাসায়ও বেড়াতে আসত। তখন নিতুর প্রতি কোন রকম আকর্ষণ বা অন্য রকম কিছু লাগত না। এরপর আঙ্কেলের ট্রন্সফার হয়ে গেলে নিতুরা চিটাগাং চলে যায়। চিটাগাংই নিতু লেখাপড়া করে। ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর নিতুর… [বিস্তারিত]
বাস ষ্টেসনে এসে অপেক্ষা করাটা ভীষণ বোরিং লাগে। বার বার ঘড়ি দেখা। কতক্ষন পরপর যাত্রী ছাউনীর ওপারে রাস্তায় নজর চলে যায়। এই বুঝি এলো পথের বাঁক ঘেসে চাকার কর্কশ শব্দ আর ভেঁপু বাজিয়ে। ১০ মিনিটের যাত্রাবিরতির ফাঁকে এই ষ্টেসনের জনা বিশেক যাত্রী নিয়ে বাস ছুটবে ঢাকা ছেড়ে দক্ষিনাচঞ্চলের পথে। এবার একাই যাচ্ছি বরিশাল। সঙ্গী সাথীরা… [বিস্তারিত]
কার্তিকের বৃষ্টি জানি না মেঘের কাঁন্না না আনন্দ জল বুঝা বড় দায়- তবুও মেঘেরে বজ্রপাত কিন্তু ভয়ঙ্কর ব্যথার সংশয় নয় তো; কার্তিক তুমি আকাশ কালো বিষাদ সময় দুষ্টমি হয় তো- না; তাহলে এতো কাঁন্না করছো কেনো? কার্তিক গা ঝিমঝিম রোদ মিষ্টি হওয়া! পূজার সাজ যেনো আকাশ ভাঙ্গা নাচ- অথচ প্রসাদ খাওয়ার মিষ্টিমুখ করোনা, তবুও পূজা… [বিস্তারিত]
অন্ধকার বারান্দায় চুপচাপ বসে আছেন রাহেলা বানু। যেন নিজের আবেগকে সামলে নেবার চেষ্টা করছেন। রাতুলের ভবিষৎ চিন্তায় আজ কাল তিনি একটু দিশেহারা বোধ করেন। রাতুল তার একমাত্র সন্তান। স্বামী মারা যাবার পর তিনি একাই রাতুলকে লালন পালন করে বড় করেছেন। বেশ কিছু দিন যাবত রাতুলের বিয়ে নিয়ে মা ছেলের মধ্যে ঝামেলা চলছে। আজ রাহেলা বানু… [বিস্তারিত]
সায়মা রাতুল একে অপরের কাজিন। ছোট বেলা থেকেই ওরা দুজন দুজনকে পছন্দ করতো এবং তা আস্তে আস্তে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যায়। ওদের সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে দু'পক্ষের কেউই তা মেনে নেয় না। তাই বাধ্য হয়েই সবার অমতে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ওরা। তখন থেকে আর কেউ ওদের সাথে সম্পর্ক রাখেনি। রাতুল একটি বেসরকারি কোম্পানীতে জব… [বিস্তারিত]
মিঠু ভাই সহ একই পাড়ায় থাকি আমরা। সে আগে ওয়েল্ডিং এর কাজ করতো, করোনাকালে কাজ নাই তাই রিক্সা চালায়। তার মেয়েটা ক্লাস নাইনে পড়ে আর বড় ছেলে কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক কলেজে। পড়ুয়া বাচ্চারা অনেকের মত অনলাইনে ক্লাস করতে পারছেনা কেন জানেন? কারন তাদের একটা এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নেই। শুরুর দিকে কিছুদিন পাশের বাসার একজনের মোবাইলে ইন্টারনেট… [বিস্তারিত]











