মূল লেখায় যান

বই : জল জোছনা লেখক : হুমায়ূন আহমেদ প্রচ্ছদ : ধ্রুব এষ প্রকাশনা : পার্ল পাবলিকেশন্স মোট পৃষ্ঠা: ৭৮ মূল্য: ১২৫ টাকা পাঠ্য প্রতিক্রিয়া : লেখক সম্পর্কে কিছু না বললেই নয় - " হুমায়ূন আহমেদ"কে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়। তার লিখিত বই এখন আমাদের অবসরে সুন্দর একটা মুহূর্ত উপহার দিয়ে… [বিস্তারিত]

গতরাতে ঝড় হচ্ছে দেখে জানালা খুলে দিয়েছি। বৃষ্টির ঝাপটা আসছে ঘরের ভেতর। তার ওপর লোডশেডিং। চমৎকার আবহাওয়া। ভূতের ছবি দেখার জন্য উপযুক্ত সময়। সমস্যা হল, ল্যাপিতে চার্জ নেই। ছবি দেখা অসম্ভব ব্যাপার। লোডশেডিং মানে ইন্টারনেটও নেই। অথচ আমার বর্তমান চরিত্রের পুরোটাই 'অনলাইন ওয়াচিং।' আমি সেলফোনের দিকে মনোযোগ দিলাম। ওটারও একই অবস্থা। মাত্র ৯ শতাংশ চার্জ… [বিস্তারিত]

শরৎচন্দ্রের বৈঠকি গল্প

নাজমুস সাকিব রহমানবুক রিভিউ৬টি মন্তব্য

যারা অনেক উঁচুমানের গল্পকার, তারা যখন আড্ডায় কোনও গল্প বলেন, সেখানে উপস্থিত সবাই নিমিষেই শ্রোতাতে পরিণত হন। নিজেকে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা সবার থাকে না। পল্লীকবি জসীম উদ্দীন গল্প বলেছেন আর শ্রোতাদের অনেকেই অমনোযোগী, কেউ বা হাসাহাসি করছেন, ভাবা যায়? অবিশ্বাস করার উপায় নেই, কারণ তাঁর লেখা ‘ঠাকুরবাড়ির আঙিনায়’ বইতে এরকম একটি ঘটনার উল্লেখ… [বিস্তারিত]

মাহতাব হোসেনের প্রথম গল্পগ্রন্থের নাম ‘তনিমার সুইসাইড নোট।’ গত বছর প্রকাশিত এই গ্রন্থে যে চৌদ্দটি গল্প আছে, তার এগারোটিই উত্তমপুরুষে লেখা। ‘ফেরা’ ও ‘অনিকেত প্রান্তর’ নামের দুটি গল্প নামপুরুষে হলেও, যেই গল্পটি থেকে গ্রন্থের নাম দেয়া হয়েছে, সে-ই ‘তনিমার সুইসাইড নোট’ গল্পটার বর্ণনাভঙ্গি অন্যরকম। কারণ, লেখক এতে উত্তমপুরুষ থেকে সোজা নামপুরুষে চলে গিয়েছেন। অবশ্য, এটা… [বিস্তারিত]

দ্য এ্যালকেমিস্ট

নাজমুস সাকিব রহমানবুক রিভিউ৭টি মন্তব্য

এক সন্ধ্যাবেলায় খেয়াল করলাম, আড্ডার ভেতর একটি বই ঘুরছে। সাধারণত, একই বই নিয়ে সবার আগ্রহ থাকে না। তাই, প্রথমবারের মত নিয়মভঙ্গ হতে দেখে— আমিও যেনো খানিকটা আগ্রহী হলাম। হাতে নেওয়ার পর বুঝতে পারলাম, আসলে এটি একটি উপন্যাস। দ্য এ্যালকেমিস্ট (O Alquimista). লেখক পাওলো কোয়েলহো। জন্মঃ ২৪ আগস্ট, ১৯৪৭। ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনেইরো'তে। ছেলে অল্পবয়সে… [বিস্তারিত]

বিভূতিবীথিকা

নাজমুস সাকিব রহমানবুক রিভিউ৭টি মন্তব্য

কলেজ জীবন শেষ হয়ে অনেকগুলো বছর কেটে গেছে, অথচ লাইব্রেরীতে যাওয়া হয় নি। অনেকদিন ধরেই চিন্তা করছিলাম লাইব্রেরীতে গিয়ে বই পড়বো। অবশ্য শুধু বই পড়ার জন্য এই যাত্রা নয়; একটি ক্ষুদ্র কারণও আছে। বাসা থেকে বেরোলেই যানবাহনের হর্ন, আর মানুষের চেঁচামেচিতে দু'কান ব্যথা করে। লাইব্রেরীর পরিবেশ শান্ত, কোলাহলমুক্ত; তাই কিছুটা স্বস্তির খোঁজ করা। আজ পড়লাম… [বিস্তারিত]