নূরজাহান বেগম, বাবার আদরের মেয়ে নূরজাহান।আদর করে বাবা যাকে নূরী বলে ডাকতেন।একাত্তরে নূরীর বয়স ছিল মাত্র পনেরো।কিন্তু মেয়ের বয়স যতোই কম বুকের ভেতরের আগুন ততোই বেশি।সেই আগুন ছিল পাকিদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেশ থেকে বিদায় করার আগুন, সেই আগুন ছিল লাল সবুজ পতাকার মাঝখানের হলুদ মানচিত্রের আগুন।চারিদিকে বাঙালিদের ওপর অসহনীয় অত্যাচার চালাচ্ছে পাকিরা।অত্যাচারের মাত্রা যতোই বাড়ে [বিস্তারিত মুক্তির নারীঃ নূরজাহান…]
ক্যাটাগরি মুক্তিযুদ্ধ
কক্সবাজারে আসার পরের দিনই চোখে পড়ল মহিলাকে।দেখলেই বোঝাই যায় বয়সটা পন্চাশের ঘর পেরিয়েছে অনেক আগেই, তবু এখনও খুবই সুন্দরী । বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে হাজারো নজর কারা সু্ন্দরীদের ভিড়ে পন্চাশর্ধো একজন মহিলা আমার কাছে যদিও আলাদা কোন অর্থবহন করে না । আমার বয়স মাত্র পচিশ বছর। তাই এই বয়সে এত বয়স্ক মহিলার প্রতি আমার [বিস্তারিত রক্ত]
“নির্যাতিত হবার পর সমাজ ও দেশ অনেকক্ষেত্রে এইসব নারীদের পরিত্যাগ করেছিল। যখন তাঁদের জন্য প্রয়োজন ছিল শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা,সহযোগিতা,সহমর্মিতা ও স্নেহ ভালোবাসাপূর্ণ আশ্বাস তখন কেউ তাঁদের পাশে এসে দাঁড়ায় নি। ফলে ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদার সংকটে পিষ্ট এসব ধর্ষিত নারীরা নিজেদেরকে যৌন শৃঙ্খলে আবদ্ধ এক ঘৃণিত বিচ্ছিন্ন জীব হিসেবে আবিষ্কার করেন।” …….দেশ স্বাধীন হবার পরে [বিস্তারিত বই পর্যালোচনাঃ যুদ্ধ ও নারী]
“বিহারীরা আমার বোন আমেনাকে ড্রামের পেছন থেকে বের করে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।আমার বোন চিৎকার করে বাঁধা দেবার চেষ্টা করে,পরে তাঁর দেহটি হঠাৎ নিথর হয়ে যায়। সেই নিথর দেহের উপর পালাক্রমে চলে ধর্ষণ। ধর্ষণ শেষ হলে নিথর দেহটিতে তিনটি গুলি করে” … বর্ণনা দিতে গিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যান মোমেনা বেগম। প্রায় ২ ঘন্টা পর স্বাভাবিক হলে [বিস্তারিত বই পর্যালোচনাঃমিরপুরের ১০টি বধ্যভূমি]
“মামা আমায় কিছু অস্ত্র যোগাড় করে দিতে পারো? আমি পাকিস্তানি হায়েনাদের দেখিয়ে দিতে চাই সারাদেশের মতো ঢাকা শহরেও মুক্তিযুদ্ধ চলছে। আমি আমার বন্ধুদের নিয়ে ঢাকা শহরে অপারেশন চালাবো। এদেশকে আমরা সত্যি সত্যিই একদিন স্বাধীন করে ছাড়বো। নতুন আলোতে উদ্ভাসিত হবো আমরা…” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল বদির। কিন্তু এরই মধ্যে [বিস্তারিত বই পর্যালোচনাঃ ক্র্যাক প্লাটুনের বদি]
-ফোনটা আমি কোথায় পেয়েছি আর আপনার মা কোথায় আছেন তা জানতে পারবেন না কখনোই,তবে আপনার মা এ দেশের মাটিতেই সহি সালামতেই আছেন। -প্লিজ!প্লিজ আমার মাকে ছেড়ে দিন, -ছেড়ে তো দিবোই, তবে আপনার যুদ্ধপরাধীর বিরুদ্ধে কর্ম কান্ডগুলোকে বন্ধ করতে হবে।বাস্ এই পর্যন্তই…মোবাইলটি বন্ধ করে দিলেন।সূর্য্য হেলো হেলো বলেও আর কোন কথা জিজ্ঞাসাই করতে পারলেন না। সূর্য্যের [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণ শোধ ২৬তমপর্ব]
(সোনেলায় আসা হয় না বহুদিন। আসবো , লিখবো, লিখবো করেও হয়ে উঠে নি। হয়ে উঠে না অনেকসময় অনেক কিছু। যাহোক, নিজের কথা অন্য একদিন বলবো। আজকে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে সামান্য একটা লেখা দিচ্ছি। হতেপারে লেখাটিতে অনেক তথ্যের কমতি কিংবা ভুল। সেক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা তো আমি চাইতেই পারি… 🙂 ! ) পৃথিবীতে বিভিন্ন [বিস্তারিত দালাল আইনের ইতিবৃত্ত ও বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রেক্ষাপট]
চার দিকে একের পর এক গুলি ব্রাস ফায়ারের শব্দ শিশু রাসেলের মনে নানান ভয়ংকর বিভীষিকার দৃশ্য,সম্মুখে়,,,,চোখের সামনেই ঝাকড়া ব্রাস ফায়রে বাবার বুকটা ক্ষত বিক্ষতে নিথর দেহ বাঙ্গালী জতির পিতাকে ডিঙ্গিয়ে নর পিচাসদের রক্ত চোষার মত্যে অন্যদেরকেও নিষ্ঠুর ভাবে গুলি করে। এতোগুলো প্রানে স্বাধীন দেশে রক্তের নদীর বিস্তৃত হলো পরাধীনতায় দেশ চলছিল কোন উটের পিঠে স্বাধীনতা [বিস্তারিত স্বপ্নবাজ শিশু রাসেল]
……স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বপ্রথম স্বপ্নদৃষ্টা মাওলানা ভাসানী……………. মাওলানা ভাসানী দেশের মেহনতি মানুষের মুক্তির দিশারী। নির্যাতিত-নিপীড়িত শোষন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সর্ব প্রথম ধ্বনি তুলেন মাওলানা ভাসানী। স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বপ্রথম স্বপ্নদৃষ্টা। বাংলাদেশী জাতিসত্ত্বা বিকাশের অগ্রদুত এবং এদেশের সর্বশ্রেষ্ট দেশপ্রেমিক, জাতির বিবেক মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ [বিস্তারিত স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বপ্রথম স্বপ্নদৃষ্টা মাওলানা ভাসানী]
সুধীবৃন্ধ, আজ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করতেছে। এই ক্রান্তিকালকে অতিক্রম করার জন্য, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে, দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখতে, দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসনের ধারা অব্যাহত রাখতে, দেশকে রাজাকার ও চাটুকার মুক্ত রাখতে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করে সোনার বাংলা গড়তে দেশে একটা শক্তিশালী বিরোধী দল সময়ের দাবী বলেই আমি মনে করি। তাই [বিস্তারিত “নতুন একটা রাজনৈতিক দল দেশ, জাতি ও সময়ের দাবী”]
একাত্তরের কুখ্যাত রাজাকার নুলা মুসা সম্পর্কে জনকণ্ঠ প্রকাশিত ‘সেই রাজাকার’ বইয়ের লেখাটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল। এই লেখাটি দৈনিক জনকণ্ঠের প্রথম পাতায় প্রকাশ পেয়েছিল ‘সেই রাজাকার’ কলামে ২০০১ সালের ২৪ মার্চ। ফরিদপুরের ‘নুলা মুসাই’ এখন ঢাকার রহস্যে ঘেরা ধনাঢ্য ব্যবসায়ী প্রিন্স মুসা-বিন-শমসের প্রবীর সিকদার, ফরিদপুর থেকে।। ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার মদনগোপাল আঙ্গিনার মেয়ে কমলা [বিস্তারিত কে এই ‘প্রিন্স ড. মুসা বিন শমসের’!!!!! with a pdf book]
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে যে বিদেশি নাগরিকদের ভূমিকা বাংলাদেশের জনগণ কখনও ভুলবে না, তাঁদের মাঝে অ্যালেন গিন্সবার্গ একজন। মার্কিন কবি ও গীতিকার অ্যালেন গিন্সবার্গের জন্ম ১৯২৬ সালের ৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের বেথ ইসবায়েল হাসপাতালে এক রাশিয়ান ইহুদি পরিবারে। জন্মের পর দাদার বাবার নামে তাঁর নাম রাখা হয় আভরুম গিন্সবার্গ। পরে এই নাম বদলে [বিস্তারিত মুক্তিযুদ্ধ, ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ ও একজন অ্যালেন গিন্সবার্গ]
সময়ের স্রোতে ছুটে চলা তরী যুদ্ধের নিশাণা লাগিয়ে গায় ভয় কি বন্ধু মরন যদি হয় স্বদেশকে ভালবেশে। সমরের পাশে এখন সবাই আছে।যাকে কখনো ভাবেননি আসবেন সেই স্বর্নার রাগভারী পিতা সেও হাসপাতালে তার পাশে শিয়রে সিটে বসা।চোখ মেলে সমর অবাক হন,তার সন্মানার্থে শুয়া থেকে কিছুটা উঠবার চেষ্টায় তাতে স্বর্নার পিতা স্নেভাজন সূরে তাকে বিশ্রাম নিতে বলেন। [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণ শোধ ২৫তম]
আকাশে প্রচুর মেঘ উটকো বাতাসে মেঘেরা কখনো ডানে কখনো বা বায়ে প্রবাহিত হচ্ছে, সুযোগ পেলেই হঠাৎ মেঘেরা বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে কর্ম চঞ্চল মানুষগুলোকে এলো মেলো দিয়ে আবারও মেঘেরা খেলা করে এলো মেলো ভাবে খোলা বাতাসে।মেঘদের মতো সূর্য্যদের মনেও বাসা বাধে এক অজানা আতংক।চৌয়াল্লিশটি বছরের মনে লালিত কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণে হতাশা।মা জাহানারা ইমাম যা শুরু [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণ শোধ ২৪তম পর্ব]
একাত্তরে রাজধানীর ফকিরাপুলের গরম পানির গলিতে ফিরোজ মেম্বারের বাড়িতে রাজাকার ক্যাম্প ছিল। এপ্রিলে শান্তি কমিটি গঠনের পর সেখানে কার্যালয় বসানো ও রাজাকারদের নিয়োগ দেওয়া হয়। মুজাহিদ নিয়মিত সেখানে যাতায়াত করতো এবং সেখান থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা সংঘটন করা হতো।মুজাহিদ ওই রাজাকার ক্যাম্পে গিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা সংঘটনের নির্দেশ দিতেন এবং সে অনুসারে সারা [বিস্তারিত আলবদর মুজাহিদের অপরাধনামা]