ক্যাটাগরি খ্যাতনামা ব্যক্তি

আমরা দুইজন একদিন সময় ঠিক করে তাঁর সাথে দেখা করতে যাই এবং বুঝিয়ে বলি বেশি টাকা লাগবে না, কারণ সাপ্তাহিক কাগজ। আমাদের মধ্যে ভাল ভাল লেখার হাত আছে, যারা সামান্য হাত খরচ পেলেই কাজ করবে। অনেককে কিছু না দিলেও চলবে। আরও দু'একবার দেখা করার পরে শহীদ সাহেব রাজী হলেন। মুসলিম লীগ অফিসের নিচের তলায় অনেক [ বিস্তারিত ]
যে জেলার তাঁর জীবন বাঁচিয়েছিলেন, সেই জেলারকে বঙ্গবন্ধু কখনো ভোলেননি। ১৯৭৪ সালের জুন মাসে ভূট্টো সাহেব যখন ঢাকায় আসেন, বঙ্গবন্ধু ঐ জেলারকে তাঁর ব্যক্তিগত অতিথি হিসেবে দাওয়াত করেছিলেন। দেশের জনগনকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ও সেনা ছাউনির তলে বসে ক্ষমতা দখলের কুচিন্তায় বঙ্গবন্ধুর নামে তারা কুৎসা রটাতে শুরু করে এই বলে যে, বঙ্গবন্ধু দেশকে দেশকে ভারতের [ বিস্তারিত ]
"মুজিব শব্দটি একটি যাদু" "মুজিব একটি আলৌকিক নাম" পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর দলের নেতা ও জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনের নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তার প্রদেশের বৃহত্তর স্বায়ত্বশাসনের যে ন্যায্য দাবী জানিয়েছিল তা ঐ পাকিস্তানি শাষক গোষ্ঠি না মেনে বঙ্গবন্ধুকে জেলে দেয়। তখনকার বঙ্গবন্ধুর সেই দাবিই বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বাস্তব রুপলাভ করে। কারামুক্তির পর বঙ্গবন্ধু [ বিস্তারিত ]
"দেশের জন্য আমি যা করছি, ও করতে চাচ্ছি, তা কেউ অনুধাবন করল না " --- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করার যে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল, সেই নরখাদক, কলঙ্কময় নামটি হচ্ছে, মেজর ফারুক। মেজর ফারুক তার এই নারকীয় চিন্তাটি প্রথমে তার বৌ এর বড় বোন জোবায়দার স্বামী মেজর খন্দকার আব্দুর রশিদকে জানিয়েছিল। ফারুকের বিবাহ [ বিস্তারিত ]
এই সময় আমি বাধ্য হয়ে কিছুদিনের জন্য ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হই। অনেক চেষ্টা করেও দুই গ্রুপের মধ্যে আপোষ করতে পারলাম না। দুই গ্রুপই অনুরোধ করল, আমাকে সাধারণ সম্পাদক হতে, নতুবা তাদের ইলেকশন করতে দেওয়া হোক। পূর্বের দুই বৎসর নির্বাচন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করেছি। ইলেকশন আবার শুরু হলে আর বন্ধ [ বিস্তারিত ]
এদিকে মুসলিম লীগ অফিসে ও শহীদ সাহেবের কানে পৌঁছে গিয়েছে আমরা শেরে বাংলার বাড়িতে যাওয়া-আসা করি। তাঁর দলে চলে যেতে পারি। কয়েকদিন পরে যখন আমি শহীদ সাহেবের সঙ্গে দেখা করতে যাই তিনি হাসতে হাসতে বললেন, " কি হে, আজকাল খুব হক সাহেবের বাড়িতে যাও, খানাপিনা কর?" বললাম, "একবার গিয়েছি জীবনে।" তাঁকে সমস্ত ঘটনা বললাম। তিনি [ বিস্তারিত ]
শহীদ সাহেব মন্ত্রীত্ব চলে যাওয়ার পরে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠানের দিকে মন দিলেন। যুদ্ধের প্রথম ধাক্কা সামলিয়ে ইংরেজ যুদ্ধের গতি পরিবর্তন করে ফেলল। এই সময় কংগ্রেস 'ভারত ত্যাগ কর আন্দোলন' ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল। পাকিস্তান আন্দোলনকেও শহীদ সাহেব এবং হাশিম সাহেব জনগণের আন্দোলনে পরিণত করতে পেরেছিলেন। ইংরেজের সাথেও আমাদের লড়তে হবে, এই শিক্ষাও হাশিম সাহেব আমাদের [ বিস্তারিত ]
এই সময় ফজলুর রহমান সাহেব আমাকে ডাকলেন, তিনি চিফ হুইপ ছিলেন। আমাকে বললেন, "আপনাকে এই বারটার সময় আসাম-বেঙ্গল ট্রেনে রংপুর যেতে হবে। মুসলিম লীগের একজন এমএলএ যিনি 'খান বাহাদুর'ও ছিলেন তাঁকে নিয়ে আসতে হবে। টেলিগ্রাম করেছি, লোকও পাঠিয়েছি, তবুও আসছেন না, আপনি না গেলে অন্য কেউই আনতে পারবে না। শহীদ সাহেব আপনাকে যেতে বলেছেন। আপনার [ বিস্তারিত ]
আমি কিছু সংখ্যক ছাত্র নিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলাম। খবর যখন রটে গেল লীগ মন্ত্রীত্ব নাই, তখন দেখি টুপি ও পাগড়ি পরা মাড়োয়ারিরা বাজি পোড়াতে শুরু করেছে এবং হৈচৈ করতে আরম্ভ করেছে। সহ্য করতে না পেরে, আরও অনেক কর্মী ছিল, মাড়োয়ারিদের খুব মারপিট করলাম, ওরা ভাগতে শুরু করল। জনাব মোহাম্মদ আলী বাইরে এসে আমাকে ধরে ফেললেন [ বিস্তারিত ]
কলকাতার আহমেদ আলী পার্কে মুসলিম লীগ কাউন্সিল সভা হবে, তখন দুই পক্ষের মোকাবেলা হবে। আমরা হাশিম সাহেবকে জেনারেল সেক্রেটারি করব এবং ম্যানিফেস্টো পাস করাব। অন্য দল হাশিম সাহেবকে সেক্রেটারি হতে দেবে না। নেতাদের মধ্যে অনেকেই শহীদ সাহেবের সমর্থক ছিলেন। তারা শহীদ সাহেবকে সমর্থন করতেন কিন্তু হাশিম সাহেবকে দেখতে পারতেন না। শেষ পর্যন্ত মওলানা আকরাম খাঁ [ বিস্তারিত ]
১৯৪৭ সাল পর্যন্ত আর কোন ইলেকশন এরা করে নাই। মুসলিম লীগ দুই দলে ভাগ হয়ে গেল, একদল পরিচিত হত শহীদ সাহেব ও হাশিম সাহেবের দল বলে, আরেক দল পরিচিত হত খাজা নাজিমুদ্দীন সাহেব ও মওলানা আকরম খাঁ সাহেবের দল বলে। আমরা মওলানা আকরম খাঁ সাহেবকে সকলেই শ্রদ্ধা ও ভক্তি করতাম। তাঁর বিরুদ্ধে আমাদের কিছুই বলার [ বিস্তারিত ]
চট্টগ্রামে টেলিগ্রাম করলাম কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগের প্রতিনিধি পাঠাতে। লোক পাঠালাম সমস্ত জেলায়। নূরুদ্দিন, একরাম, শরফুদ্দিন, খন্দকার নূরুল আলম, আমি ও আমার সহকর্মীরা রাতদিন কাজ করতে আরম্ভ করলাম। আমাদের অর্থের খুব অভাব, কারণ হাশিম সাহেবের টাকাপয়সা ছিল না। শহীদ সাহেব আমাদের সামান্য সাহায্য করেছিলেন। আমরা নিজেরা চাঁদা তুললাম এবং দলবল নিয়ে কুষ্টিয়া পৌঁছালাম। কিউ. যে. আজমিরী ও [ বিস্তারিত ]
আনোয়ার সাহেবের দল হাশিম সাহেবকে দেখতে পারতেন না। কিন্তু শহীদ সাহেবের ভক্ত। ছিলেন। শহীদ সাহেব অবস্থা বুঝে আমাদের দুই দলের নেত্রিব্রিন্দকে ডাকলেন একটা মিটমাট করাবার জন্য। শেষ পর্যন্ত মিটমাট হয় নাই। এই সময় শহীদ সাহেবের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। তিনি আনোয়ার সাহেবকে একটা পদ দিতে বলেন, আমি বললাম কখনোই হতে পারে না। সে প্রতিষ্ঠানের [ বিস্তারিত ]
কোনোমতে হাওড়া পৌঁছালাম, এখন উপায় কি? পরামর্শ করে ঠিক হল, মাখন টিকিট নিয়ে সকলের মালপত্র নিয়ে বের হয়ে যাবে। মালপত্র কোথাও রেখে তিনখানা প্লাটফর্ম টিকিট নিয়ে আবারও ঢুকবে। আমরা একসাথে বের হয়ে যাব। গাড়ি থামার সাথেসাথে মাখন নেমে গেল, আমরা দুইজন ময়লা জামাকাপড় পরে আছি। দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না যে আমরা দিল্লি থেকে আসতে [ বিস্তারিত ]
শরীর আমার খারাপ হয়ে পড়ে। দিনেরবেলায় ভীষণ গরম, রাতে ঠাণ্ডা। সকালে আর বিছানা থেকে উঠতে পারি নাই। বুকে, পেটে আর সমস্ত শরীরে বেদনা। দুই তিন দিন পায়খানা হয় নাই। অসহ্য যন্ত্রণা আমার শরীরে। দুপুর পর্যন্ত না খেয়ে শুয়েই রইলাম। মাখন আমার কাছেই বসে আছে। ডাক্তার ডাকতে হবে, কাউকেই চিনি জানি না। একজন সেচ্ছাসেবককে বলা হল, [ বিস্তারিত ]

মাসের সেরা ব্লগার

আর্কাইভ