আমি যদি একটা আকাশ চাই, নিজস্ব আকাশ, যে আকাশে ইচ্ছে ফড়িং তা ধিন ধিন পাখনা মেলে একাট্টা হবে আর আমি হবো ভাবনাবাউল তাহলে সেই প্লাটর্ফমটুকুর জন্য সোনেলা নির্দ্বিধায় হতে পারে যে কারো আকাঙ্ক্ষিত । হাঁটি হাঁটি পা পা থেকে শুরু করে ক্রমশই শক্ত ভিতে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে সোনেলা, পক্ষান্তরে অত্যন্ত আন্তরিক মডারেশন প্যানেল এবং বেশ কিছু… [বিস্তারিত]
মর্তুজা হাসান সৈকত
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১৩ বছর ৪ মাস ৭ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৩২টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৩৭৮টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ২৮৭টি
সাহিত্যে মতপার্থক্য থাকবেই, এটাই স্বাভাবিক কিন্তু তাঁর প্রকাশটাওতো হওয়া চাই মার্জিত ভাষায় । নাকি নগ্ন আক্রমনে এভাবে লিখাও শোভনীয় ‘মুর্তজা আপনি শব্দ তৈরি করতে পারেন না । কবিতা লেখার জন্য আপনি শব্দ তৈরি করবেন আর আমরা তা গ্রহন করবো এটা ভাবা ঠিক না ।‘ ? ভালো, খুবই ভালো কথা। আমি এমন কেউ হয়ে যাইনি শব্দ… [বিস্তারিত]
অর্ষা-, রুপোলী নারীশ্বরী আমার টেনে নিলে আমায়- তাঁর মধুময় চাকের কাছে গোলাপি অধরের সতৃষ্ণ তৃষ্ণায়, কেঁপে ওঠে স্নিগ্ধ মনভুমি । উষ্ণ স্তনযুগলে কিঞ্চিৎ- ভালোবাসা আঁকার সুতীব্র বাসনায় হৃদ স্পন্দন এতটাই বেড়ে যায় যেন চিরকালীন অস্তসূর্যে সমস্ত পৃথিবী তখন নিথর হলেও বিবসনা সৌন্দর্যের বৈভবে বোধহয় পাবোনা কিছুই টের ! লিপস্টিক রাঙ্গানো ওষ্ঠাধরে ওষ্ঠাধর রেখে লালসার ক্রুর… [বিস্তারিত]
এ জন্মটা তোমাকেই উৎসর্গ করেছি, করেছি জন্মাধিক সত্যি প্রিয় ভালোলাগা ভালোবাসায় । হৃদয়ের কাছে শাদা নীলমনি ফুল, অনুভবে ফুটেছো তুমি সমস্ত আবেগ মিশিয়ে । আগামী কোনো জন্মে মনুষ্যজন্ম পেলে তোমার অভাবিত সুন্দরকে প্রদক্ষিন করার বরই চেয়ে নেবো আমি ; মঞ্জুরিত বসন্তদিন বরাদ্দ নাও হয় যদি । কী চাইবে তুমি ? মৃণালের শীর্ষে পদ্ম নাকি শতবর্ষী… [বিস্তারিত]
যাচ্ছি যাব বলতে বলতে যেদিন সত্যি সত্যিই চলে গেলে আমাকে ছেড়ে, ছাড়িয়ে নিলে শেষ দাবিটুকুও সম্পর্কের সেদিন আমি বুঝিনি, বুঝিনি ভুলেও, কসম ধমনীতে ততদিনে প্রেমের নিবিড় প্রবাহ কতটা বইয়ে গেছে ! কিংবা আমার কতটা জুড়ে বইয়ে দিয়েছো প্রবাহ তোমার বিস্তৃত শেকড় কতটুকু ভেতরে আমার বুঝতে পারিনি সেদিন এক রত্তিও ! তাই তুমি যখন চলে যেতে… [বিস্তারিত]
এরা বেঁচে থাকুক, থাকুক বহাল তবিয়তে, থাকুক এরাই বেঁচে হে মহান রাব্বুল আলামীন তারচে আমাদের তুলে নাও, তুলে নাও অদৃশ্য হাতে তোমার ! কেনো না কসাই কাদের কিংবা সাঈদীর বিচার চেয়ে ভুল করেছি আমরা ভুল করেছি রক্তে লেখা ইতিহাসের পাতা খুলে বড়ো ভুল করেছি প্রজন্মের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ! কেনো না বোঝা উচিত ছিলো আমাদের ভুল… [বিস্তারিত]
মধ্য আগস্টের সেই কালো রাতে অকৃতজ্ঞ মীর জাফরের দল যখন বিশ্বাস ঘাতকতার ধারালো অস্ত্রে বিদীর্ণ করলো তোমার পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইল ব্যাপ্ত বুক, অতঃপর বত্রিশ নম্বর থেকে নেমে আসা অমল রক্তের স্রোত সিক্ত করলে বাংলার দূর্বা মাটি জল, ততোক্ষণে স্বপ্নের স্বদেশে সেঁটে গেছে তোমার অমোচনীয় কলংক তিলক, সর্বনাশের আর কিইবা বাদ আছে তখন ! তোমার লাশ… [বিস্তারিত]
নীলপদ্ম এবং নষ্টামির গল্প সেদিনের সে ঘটনাগুলোর কোনো এক্সকিউজ জানি হবেনা, হবেনা কখনোই ! কেনো না ক্লেদজ ফুলে উড়তে উড়তে নিজেই যে নষ্টামির পরাগ মাখে সে কী করে বোঝে অশ্রুর পেরেক বুকে কতটা রক্তক্ষরণ ঝরাতে পারে ! অথচ তোমার গোপন সৌন্দর্য চোখের কোনে বয়ে আনে যখন অসহ্য অসুখ বয়ে আনে বড় অবেলায় আজ, তাঁতে খুব… [বিস্তারিত]
নাম দিয়েছি ভালোবাসা যে সম্পর্কের তা যে আমাকেও অতটা কাঁদাবে ভুলেও তা ভাবিনি আমি, কসম ! ছিলোনা কিংবা আসেনি তা দূরতম ভাবনাতেও কখনো ! যে আমাকে হারানো তুমি অসম্ভব ভেবেছো সে আমাকে ফেলেই তুমি চলে যাবে কিংবা যেতে পারো দূর-বহুদূর তাতো ভাবিনি আমি কোনো দুঃস্বপ্নেও । তাই তুমি চলে গেলে আমাকে ছেড়ে হৃদয়ের দাহে জ্বলে… [বিস্তারিত]
দণ্ডপ্রাপ্ত সুখগুলো অবিরত গেছে, যাচ্ছে, যায় মুছে অশ্রুধারা শোকাচ্ছন্ন শরীর কাঠামোয় বাংলার, যায় মুছে গোপনে গোপনে, যায় মুছে এই নিদ্রিত শহরে, যায় প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও ! অবিরত যায়, যাচ্ছে বৈধব্যের ক্রুশবিদ্ধ ফাটলে মুছে, আর নিদারুন অসহায় চেয়ে চেয়ে কেবলই দ্যাখে, সেঁটে আছে আর দাঁড়িয়ে গেছে এখানে সেখানে, জারজ সত্যে প্রনয়ন করা রাষ্ট্রনীতির অবৈধ স্তম্ভ একেক !… [বিস্তারিত]
কলেজ থেকে দূরে, খানিকটাই দূরে পরিত্যাক্ত প্রাচীন বাড়ি এক, শতবর্ষ পুরনো বাড়ি। এক বুনো অশ্বত্থ ফুটে আছে পাশেই তার, যেন মস্ত এক পাহারাদার সে। নিশ্চল পাহারাদার! অপরাজিতা নামের মেয়েটি বাড়ি ফেরার পথে অশ্বত্থের সে আন্দোলনরত শাখার নিচে দাঁড়িয়েছিলো সেদিন, দাঁড়িয়েছিলো সেই নিরিবিলি বৈশাখে আর ভিজে জুবুথুবু হচ্ছিলো, হচ্ছিলো হঠাৎ বৃষ্টির সাথে উত্তাল হাওয়ার সন্ধ্যায়। ভেজা… [বিস্তারিত]
প্রিয়তা, অবশেষে লিখছি তোমায়, অবশেষে, কেননা না লিখার ইচ্ছেটাও কম ছিলোনা একেবারে ! লিখছি তবুও, ইন্টার ভার্সিটির স্বপ্নরঙিন জীবন পেরিয়ে এলে, আসা অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ব্যাধিটার পর ! এ সময়টার ভেতরে কত জীবন ঝরে গেলো জীবনের এই নন্দন কানন থেকে কিংবা কত জীবনের আবির্ভাব ঘটলো তোমার আমার চারপাশে তাঁর কোনো হিসেবই নেই আমার কাছে ! হিসেব… [বিস্তারিত]
দরোজা খুলে দাঁড়াতেই চমকে গেলো আবির । চমকালো খুব করে । রুমগুলো সাজানো, গোছানো, ছিমছাম তখন ! ঠিক যেন পরিপাটি একদম । তাকাতেই সে দেখলো ডাইনিং টেবিলটায় দুটো মোমবাতি জ্বলছে । জ্বলছে আসন্ন উৎসবের অভিপ্রায়ে, একটা ছোট্ট কেক তাঁর সামনেই ! ব্যাপারটা বুঝেই দুষ্টুমি খেলে যায় তাঁকে । আহা, আজ যে বিয়ে বার্ষিকী তাঁদের ।… [বিস্তারিত]
মাস্কটের সিক্সথ ফ্লোরের নোকিয়া কেয়ারে ওকে পেয়ে আমিতো অবাক ! কখনো দেখা হতে পারে আমাদের, কিংবা হবে কখনো, এ ছিলো কল্পনার অতীত । ভেবেছিলাম এড়িয়ে যাবে । যায়নি, অবাক করে এগিয়ে এসে বললো, আরে, তুমি যে এখানে ! কেমন আছো ? কোথায় আছো ? প্রশ্ন অনেকগুলো ! আট বছর পাঁচ মাস পর পুনর্বার আমাদের দেখা-হাঁটা,… [বিস্তারিত]
এত বিভীষিকা, রক্তমাখা এত জামা কিংবা দীপ্তিহীন এত কান্না কোথায় রাখি কোথায় রাখি আমি ও আমরা হৃদয়হীন ধর্মীয় আচার ? কোথায় রাখি নৈরাজ্য প্রতারণা নির্মমতাকে এত কোন কাঁধেইবা বয়ে যাই রক্তমাখা এত লাশ ? জ্বলজ্বলে চোখের যে ছেলেটি পড়াশুনা করতো শহরে কিংবা অসহায় মায়ের শেষ আশ্রয় মেয়েটি যে কাজ নিয়েছিলো গার্মেন্টসে লাশ হয়ে ফিরেছে সেও… [বিস্তারিত]
