নীলাভ আলোর ঝলকানিতে গোধূলি রঙিন- আমার বিমুক্ত বুকের জমিনে স্যাঁৎস্যাতে শৈবালের চাষ পাথুরে দেয়ালে বাজে ঠক-ঠক এই অবেলায় অস্তমিত সূর্য্যের ঈষৎ আলোয় - উড়ে যায় বুনো বালিহাঁস । নীলাকাশ সমুদ্রের ছাউনী হয়ে নেমে গেছে দূরের দিগন্তে উত্তাল ঢেউয়ের খেলায় মেতেছে যে বুক, পানকৌড়ির ডানায় ভর করে স্বপ্ন উড়ে যায়- ডুবে যায়; ক্ষণে ক্ষণে, আবছায়া আলোয়… [বিস্তারিত]

অনন্য অর্ণব
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ৮ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৬২টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ১২০০টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৭০২টি
প্রিয় পোস্টঃ ২৩টি
- অলিখিত অক্সফোর্ড (Dedicated to Sonelablog)
- বিষের দায়
- আমৃত্যু অপেক্ষা
- মহারাজের সান্নিধ্যে একদিন
- পৌষ সংক্রান্তি লেখা উৎসব প্রতিযোগিতার ফলাফল
- সোনেলা ব্লগ পৌষ সংক্রান্তি উৎসব ২০২০
- ভালোবাসার জন্যই ভালোবাসাকে ছেড়ে দিলাম
- হেমন্ত বন্দনা উৎসব প্রতিযোগীতার ফলাফল-
- তোমাকে ভালোবাসি
- রাত-বেদুইনের নিঃশব্দ-নিস্তব্ধ-ভালোবাসা
- পৌষ সংক্রান্তি উৎসব (রসালো পিঠেপুলির আবেশে মিষ্টি প্রেমের মাদকতায় যাবো ভেসে)
- চোর
- প্রতিশ্রুতি_১
- পাঁচশ টাকায় এক কাপ চা (শেষ বিকেলের প্রণয়_খণ্ডাংশ)
- মাণ সংখ্যা
- ঘোলাটে অস্তিত্ব
- কথা বলা কোলবালিশ (শেষ বিকেলের প্রণয়-খণ্ডাংশ)
- শেষ বিকেলের রোদ্দুর_৫
- শেষ বিকেলের রোদ্দুর_৪
- শেষ বিকেলের রোদ্দুর_৩
- শেষ বিকেলের রোদ্দুর_১
- তুমি এখনো রয়েছে ততোটাই প্রেমিক
- হেমন্ত বন্দনা – খুঁজি তারে হৈমন্তী রূপে।
গল্পের দ্বিতীয় অধ্যায় পুনরুত্থিত হোক - তোমার অলিখিত অঙ্গীকারের ভগ্নাংশে ভর করে পৃথিবীর প্রতি পরতে লিখে যাবো নীল চিরকুটে আহত হৃদয়ের প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস- নীল পান্ডুলিপি ।। একদিন গাঙচিলের ডানায় ভর করে উড়িয়েছিলাম প্রজাপতি রঙের স্বপ্নগুলো, তোমার আমার আমাদের, অনাগত দিন অদেখা ভবিষ্যৎ একসাথে দেবো পাড়ি - তুমি খেই হারালে- নিছক কিছু অলীক কল্পনায় ।। এখনো… [বিস্তারিত]
এক টুকরো সুখের দামে এক পৃথিবীর আশা এক নিমিষেই ছাড়লে তারেই বলি ভালোবাসা তবুও তার পিছুটানে ঘরে ফেরার দায় পুরুষ আমি বল্গাহরিণ হওয়ায় উপায় নাই ।। হাজার প্রহর পথের ধারে নূঁড়ির স্বরূপ বেশ - অবহেলায় অনন্ত যার পান্থ নিরুদ্দেশ সবহারাদের ভয় কি বলো দস্যু হানার হাকে রিক্ত বেদন বাজবে কি আর সিক্ত সিন্ধু বাঁকে ।।… [বিস্তারিত]
শঠতার জঠরে যেই তিক্ত লোনা জল, বাহিরে তার সুদৃশ্য নহর, আকুল তৃষিত চষ্ণু হাপিত্যেশে মরে; তবু - বোঝেনা সে স্বাস্থ্য হানিকর ।। সময়ে তোমারে ফেলে অতল সমুদ্র জলে- পাল তুলে যেই স্বার্থাণ্বেষী করলো পলায়ন, আশু-সুসময়ে তারে তব চিত্তে ধরিবারে - সর্ব-শক্তি সঞ্চয়ে হায় করো আয়োজন ।। কামনা কাম্য না বলি প্রাণের মায়া সাঙ্গ করি আত্মা… [বিস্তারিত]
বুকের বামপাশটায় দুমড়ে মুচড়ে খেলা করে এক রত্তি সোনালি স্বপন আশ্বিনের মাঝামাঝি মাঝরাত্তিরে অতন্দ্র নয়নে - বাতায়নে বসে একা ভাবি কেন এতো উদাসীন ছন্নছাড়া বাউন্ডুলে স্বল্পদৈর্ঘ্যের এ জীবন ।। কোন অযুহাত কোন অভিযোগের অখণ্ড তৎপরতায় বিচ্ছিন্ন প্রোফাগান্ডা আড়ালে করেই যে নিজস্ব বলয় প্রাচীর তুলেছি গড়ে; আমার চতুর্দিকে আজ তার সবটুকুই বিলুপ্তির পথে- শুভ হোক তোমাদের… [বিস্তারিত]
তোমার অনেক দেনার মাঝে আমার একটুখানি ঋণ আমার দুই ফোঁটা জল অশ্রু কেবল- অলক্ষ্যে বিলীন। আষাঢ় শ্রাবণ খোঁজে না মন - বাউন্ডুলে মোর তান তোমার সুরেলা গান মাতাল ভুবন - মুগ্ধ লাখো প্রাণ।। উষ্ণ তোমার আঁচল তলায় তিলেক নাই যে ঠাঁই আমার বরফ শীতল অসার দেহে- এতটুকু তাপ চাই, যদি সুযোগ জোটে উষ্ণ ঠোঁটে করো… [বিস্তারিত]
মাঝে মাঝে নিরবতা ও কথা বলে হাসে-কাঁদে, শোনে শোনায়- শুধু সে অস্ফুট চঞ্চল শব্দমালা বুঝবার মতো একটা সুরুচির মনন পেলে- আমি চিরকাল নিরবই থেকে যেতাম ।। তোমার যে হাত আজ আমার শরীর ছুঁয়ে গেছে- ও হাতের স্পর্শে জাগা শিহরণটাই তুমি দেখেছ অথচ এক মহাকাশ অব্যাক্ত প্রেমের নিরব মহাকাব্য তোমার অগোচরেই থেকে গেলো ।। আমি কোমল… [বিস্তারিত]
তুমি অপেক্ষার ডালা সাজিয়ে রেখো বাসন্তী ফুলের পসরায়, চৈত্রের খরতপ্ত বিকেল গড়িয়ে- আমি আসবো বৈশাখের প্রথম বৃষ্টির ফোঁটা হয়ে তোমার তৃষিত নয়নে, অধরে শিরা উপশিরায়। বিরহী জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তুমি লিখে রেখো- মহাকালের বর্ণীল ডায়েরীতে, আমি মহাশূণ্যের দ্বিতীয় অধ্যায় পেরিয়ে এসে পড়ে নেবো সেই তৃষাতুর নিঃসঙ্গ প্রেমোপাখ্যান। প্রজাপতির ডানায় চিঠি লিখে পাঠিয়ে ছিলাম- তোমার শহরে,… [বিস্তারিত]
জীবনের অন্ধকার সময়টা যখন পেরিয়ে যায় - তখন অন্ধকারে হারিয়ে যায় কিছু চেনা মুখ, চেনা সময়- অচেনা কটমটে লাল নীল আলোর ঝলকানিতে কিছু প্রাণান্ত প্রাণ ভেসে যায় অবলীলায় ।। বিদগ্ধ শহরের গেরুয়া তামাটে কার্ণিশে আজো লেপ্টে আছে - বিচূর্ণ স্বপ্নের ছায়াকৃতি, দেয়ালে দেয়ালে তার - নির্লজ্জ উলঙ্গ পোস্টার, এ যেন কোন ক্ষুব্ধ স্বপ্নাবতার, কুমারি ষোড়শীর… [বিস্তারিত]
আপনি কি মহাকাব্য পড়েছেন কখনও যদি না পড়েন তবে আমি বলবো- আপনি বত্রিশ নাম্বারে যান, অগণিত মহাকাব্যের সমারোহ নিয়ে চিরজাগ্রত সেথা- বঙ্গবন্ধুর দুটি বিনিদ্র আঁখি। সাবধান ! ভুলেও সে কবিতা কপি করার- দুর্ভেদ্য দুঃসাহস করবেন না, সহস্র মহাসাগর শুকিয়ে যাবে অবলীলায় - তবু সন্তানের প্রতি পিতার অগাধ প্রেমের অশেষ কাব্যের যবনিকা টানা যাবে না ।… [বিস্তারিত]
এই নির্ঘুম রাত আমার আদিগন্ত সজ্জিত ব্যথার অলঙ্কার, যখন পূঞ্জীভূত গুঞ্জরণে জীবনে বিষাদ ছুঁয়ে যায় আমি দেখি নির্মিলিত জোসনা, ডাহুকের গান নিভু নিভু জোনাকির মতো - আমি বয়ে বেড়াই মহাকালের পথে এক মৃতপ্রায় প্রাণ। যখন রাত্রি নিঝুম, সহস্র যন্ত্রনার আর্তচিৎকারে বিদীর্ণ হৃদয় খানি বুকের পাঁজর ভেদ করে বেরিয়ে আসে- অমাবস্যার অন্ধকার নিয়ে আমার পৃথিবী জুড়ে… [বিস্তারিত]
নিদারুণ অপেক্ষার প্রহর গুণে গুণে বালিকা অমরাবতী যখন পরিপূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়, কালের সমীপে তার কিছু দাবি নিতান্ত যৌক্তিক সে কোমল পত্র পল্লবে ভরা যৌবনখানি। উত্তরী হিমেল হাওয়ায় দোল খেয়ে খেয়ে বালিকা অপেক্ষা করে কখন আসবে বসন্ত প্রহর দখিনের মাতাল হাওয়ার ঘূর্ণিতে খুলে নেবে সর্বাঙ্গে জড়িয়ে থাকা পাপড়ির আঁচল। অবশেষে সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসে সেই… [বিস্তারিত]
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, আগে থেকেই বলা হয়েছিলো দুপুর একটা নাগাদ পুরানা পল্টনের হোটেল মেট্রোপলিটন এর দ্বিতীয় তলায় একটা রেস্টুরেন্টে সোনেলা ব্লগ পরিবারের বাৎসরিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হবে। গত পৌষ মাসে সোনেলা পরিবার পৌষ সংক্রান্তি উৎসব নামে ব্লগারদের নিয়ে একটি সাহিত্য বিষয়ক কম্পিটিশন আয়োজন করে। সেখানে আমার একটা কবিতা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে যার জন্য ব্লগ কতৃপক্ষ… [বিস্তারিত]
ভাগ্য আমার আমি নিজে লিখে নিইনি'তো অজানা সে কোন এক চুক্তি- তবু বারেবারে কেন ভাগ্যের তলানিতে জমা পড়ে থাকে প্রভু ভক্তি ।। মাথা নোয়াবার শত অলিখিত দায় নিয়ে খুঁজে ফিরি ভাগ্যের দিশা রোজ রোজ মারো তবু একবারে কেন বলো- যাচ্ছে না কেটে তব নেশা ।। প্রভাতে প্রথম বাণী তীরোবেগে বিঁধে ছিলো হৃদয়ের দ্বার মম ঘেঁষে… [বিস্তারিত]
শেষবার তোকে কবে দেখেছিলাম ঠিক মনে নেই, তবে তোর শেষ কথাটা আজও আমার খুব কানে বাজে, ঠিক যেভাবে মন্দিরের সবকটি ঘন্টা একসাথে বেজে ওঠে আর চারদেয়ালে প্রতিধ্বনিত হয় দীর্ঘ সময়। আজকাল তুই আমার স্বপ্নেও আসিস। দিবাস্বপ্ন থেকে নিশীতে ট্রান্সফার। ভালোই হলো, এখন আর আমি কখনোই একা নই, অষ্ট প্রহরের ষড়ভাগ আমার পার্থিব আর দ্বিভাগ তোর… [বিস্তারিত]




