মূল লেখায় যান

গঙ্গা

এজহারুল এইচ শেখকবিতা, সাহিত্য৪টি মন্তব্য

দস্তার থালায় ক্ষুদ - চালের ভাত,লবন আর ডয়রা কলার বীজ ছাড়িয়ে,ভাতের দলা পাকিয়ে হাঁসের মতো গিলে নিচ্ছে, মাঝে মধ্যে গলায় আটকালে জল ছাইছে, গামছা গায়ে যে মেয়েটি এক গাল হাসি নিয়ে বলবে ,এই হেবলা,কেমন খেলি বল?ভালো লাগেনি তাই না?আমারগা বাড়িতে পোলাও হয় না!এই মেয়েটির নাম গঙ্গোত্রী! সবাই ওকে গঙ্গা বলে ডাকি! পোড়া উনুনের কলঙ্ক কালি… [বিস্তারিত]

দাদির নারকেল গাছ

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৩টি মন্তব্য

দাদির নারকেল গাছ@ এজহারুল এইচ শেখ দাদির চারটে নারকেল গাছ ছিল, এই ভিটে বাড়ির চার কোনায়,দাড়িয়ে আকাশের সঙ্গে নীল মেখে,বলল নাকি পেয়ে ছিলো গলায় মালা পরিয়ে... চারটে ছেলে দুটো মেয়ের মা উনি মেয়েরা যখন আসে দুই হাতে নিয়ে আসে দুই ব্যাগ,একটাতে ভর্তি কাহিনি অন্যটাতে গাছের ফল নারকেল কাজু, মায়ের আর লোকজনদের ও খোঁজ রাখে,ভিটে বাড়ি… [বিস্তারিত]

সিগারেট

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৬টি মন্তব্য

ফিল্টারের শ্বেত কোরকে সবে আগুন ধরেছে মধ্যরাতে একাকিত্বে, তারপর দম দিয়ে ছাওয়ালের টান… শ্বাস কামড়ে ধোঁয়া খায় ,আবার টান! লাল টুক টুকে পলাশে আগুন, নিশির কেশতো আর কই না ফাল্গুনী চর্যা!শুধু অপলক… ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় বিষবৃক্ষের ডাল পালা সারা শরীর খুবলে খায়,দুই গাল চোখের জলে সাঁতরায়! বিষম লাগে!প্রথম প্রথম তো, বিষম তো লাগবেই গোল মরিচের! কাশতে… [বিস্তারিত]

শূন্যে অন্তর শূন্য

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৬টি মন্তব্য

বিছানায় একটা নিশ্চল দেহ পড়ে হাত পা সমস্ত অঙ্গ নিথর শুধু নাকের কাছে হাত রাখলে বিষ্ময় সূচক চিহ্ন ইট-দেওয়ালে দাগ কাটে ,পূর্ণছেদ পড়ে না সেটাও বুকের উপর কানে আসে! চোখ খুলতে গেলেও একটা শক্তি লাগে না হয় ব্যথার ভার লাগে সেই টুকুও নেই ,মৃত দেহের সঙ্গে দেহটির পার্থক্য শুধু পালস! দেহের একটা নাম থাকে,সেই নামে… [বিস্তারিত]

হেরিটেজ

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৪টি মন্তব্য

পুরানো একটা বাড়ি গভীর নিস্তব্ধ শুধু কথা বলে কত মানুষের নিঃশ্বাস, ইটগুলোর বুক থেকে রক্তের রঙে গুড়ি গুড়ি দিন রাত ঝরে পড়ে ব্যথার পরে মানবকূল,পক্ষীকূল ঘুমায়… ড্যাম ড্যাম তাকিয়ে থাকে বুকের বধির নোনা লাগা পাঁজর, জেগে থাকে অনন্তের ইতিহাস! দেওয়ালের গা বেয়ে বট,অশ্বথ, আর কিছু শ্যাওলা কমা চিহ্নগুলো রাস্তার ধারে ভাঙা-ময়লা পাত্র হাতে দাঁড়িয়ে থাকে… [বিস্তারিত]

রোদ নেই

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৪টি মন্তব্য

দিন কাটে না!মুখ ফোঁটে না! বিকেলবেলায় পূব আকাশে, কৃষ্নচূড়ার বুকে বুক ফাটে! সাঁঝ বেলাতে হৃদয় তলে ধোঁয়া ওড়ে! নাড়া পোড়ে! তুষ পড়ে!কবিতা পোড়ে! চোখে আমার লবন গলা বৃষ্টি পোড়ে! ধোঁয়া ওড়ে! শশ্মানে ওড়ে! কে পোড়ে? কবির বুক পোড়ে! হাত পোড়ে! চোখ পোড়ে!মুখ পোড়ে! @ বাড়ি, তারিখ-২২/০৩/১৩ সময়-১২ঃ৪১ রাত [বিস্তারিত]

ইউটোপিয়ার জীবাশ্ম

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৪টি মন্তব্য

ঘুম খাম-খেয়ালি বাতাসের জ্বলন্ত তুষ, ভাতের পাতে হাত ক্ষুধার, ঝিমিয়ে থাকে ক্ল্যাস্টিক-বিষাদ, জিহ্বা নালে ভেজে না, পড়ে থাকে উচ্ছিষ্টের স্তুপ, পাকস্থলীতে আসিড বয়ে যায় চিবিয়ে খায় মাংস, নরম দেওয়ালে সীদ কাঁটে পার্থেনিয়াম বিষ! ক্যালোরি খায় সিলিকন-চিনা মাটির বীর্য, শৌর্য বীর ধ্যান মগ্ন ক্ষয় ধরা প্রাচীন বুদ্ধ, ঠোঁট বদ্ধ বাক-শক্তির ছোবল পড়ে চোখের তাঁরায়,পলক স্থির !… [বিস্তারিত]

অভিমান

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৫টি মন্তব্য

নীল আকাশে, ফিনিক্সের রোদ্দুর আজ আর কই? সারা দিন আজ আকাশ মেঘলা... অবেলায় চোখের পাতায় নোনা জল, গাল বেয়ে বৃষ্টি গড়িয়ে ভেজে বুক, ভেজে ফেলে আসা পথ…..... সময় যায় ,পথ চায়, অপেক্ষায় ব্যথার তাপে গলা শুকিয়ে কাঠ ব্যথার যন্ত্রনায় বুক ফাঁটে ... মেঘ কেটে ব্যথায় নীল আকাশ @ বাড়ি, তারিখ-১৬/০৩/১৩ সময়-১১ঃ৫০ রাত [বিস্তারিত]

ক্যাকটাস

এজহারুল এইচ শেখকবিতা, সাহিত্য৬টি মন্তব্য

ক্যাকটাস @ এজহারুল এইচ শেখ কেটেছে আঘাতে, নাকি নীল জখম! কুঁয়োর অন্ধকারে রাত ঝুকে উঁকি মারে, ভার্টুয়াল প্রহেলিকা ফালি ফালি কালি মাখা, চাঁদ গুঁড়ো… কেন সন্ধ্যের সাদা-নীল পাতা এত কেন লাল! উঁকি মারলেই, শোনো হাহাকার বিকার চিৎকার! লাল চোখে, ভোরের ম্লান হাসি অশ্রু মোছে শিশির লোনা জল! দক্ষিণা বাতাসে, ভেজা ঘাঁ-এ ইউরেনিয়াম পড়ে, মেঘ বেয়ে… [বিস্তারিত]

বাসন্তী কাঁদে

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৪টি মন্তব্য

ধু ধু রোদে ফাল্গুনী, আম গাছে উল্কি মারে টিপ টিপ করে ঝরে পড়ে বকুলের গুঁড়ি গুঁড়ি প্লুটোনিয়াম, কোকিলের কালো রিবনের গায়! বুকের পাঁজরে দিন মাস, প্রতীক্ষা ঘুরে পাক খায়! অভুক্ত বুবুক্ষু দেহে কাকের ঠোঁট পড়ে এক বার দুই বার… পথের বাউলের স্বর ছিঁড়ে মজ্জায়! ধ্বনি, প্রতিধ্বনি, চিৎকার, গর্ভ-ভেদী বাসন্তীর ঝঙ্কারে, আকাশের অন্তর্বাস বেয়ে নামে বীর্য… [বিস্তারিত]

*নারী*

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৪টি মন্তব্য

রাতে ডেকে ,ঘুম থেকে তুলে ভাত খাওয়ায়, খাওয়ার সময় পাতে দুই চোখ-আদুরে মন পড়ে থাকে, গ্লাসে জল শেষ হলে কলসির থেকে জল ঢেলে দেয়,পাতে আবার উপোরিও দেয়, ঘুমানোর সময় মশারি না টাঙালে বকা দেয়, মাঝে মাঝে নিজেই আমার বিছানা ঝেড়ে, মশারি বালিশের তলায় যত্ন হাতে গুঁজে ঘুমাতে যায়, জ্বর হলে এখনও আমাকে কোলের কাছে নিয়ে… [বিস্তারিত]

দড়ির ফাঁস

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৩টি মন্তব্য

মা দুপুরের রোদে ফ্যানে তুষ দিয়ে, আদর করে বলে হুড়োস না বিরাগ! হাঁ-ম্বে -ডাক নিয়ে গাভী মায়ের পথ চায় , তুষ -ফ্যান শেষ!কিন্তু… তুই বয়!বিকেলে দেবো লতা আর পাতা, গাভীর সন্ধ্যের আলোয় চোখে জল! জলেরই বা মূল্য কত,.. বিধবা যুবতীর রতি-ক্রিয়ার মতো ওতো না… গাভীর কান্নায় পাপ পড়ে না সাত-পুরুষ জানে, কারন পূর্ব-পুরুষ সত্যাগ্রহী-সবল! বিরাগ… [বিস্তারিত]

বিধর্মী

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৫টি মন্তব্য

বদনার নলে পাইপ লাগিয়ে, অনন্তকাল ধরে মৌলবাদী টানে, এক প্যাক, দুই প্যাক............। মাতালের নেশা সকাল গেলেই শেষ, বদনার নেশায় হেরোইন ধমনীতে বয়ে যায়, রক্তের শিরায় সাপের খোলোস মোচন হয়! সাপের ভয়ে মা মুখে সুপোরি পর্যন্ত ছুঁতে দেয় না, পান তো দূরের কথা..........! মা হেলনায় ঝুলতো আর বলতো.......... মুচি পাড়ার মুচি রাই নাকি মদ খায়,যারা জুতো… [বিস্তারিত]

নোংরা @ এজহারুল এইচ শেখ

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৩টি মন্তব্য

চালের বাতায় গোঁজা চিঠিতে অলক্ষ্যে চোখ পড়ে, ঝাটার সময়ও মা পড়ে না,জানেও না! কাগজের ব্যথা! ঘুনপোকায়, ধুলোয়, মাকড়সার জালে বসে, চিঠিগুলো হয় কালো-ধূসর! অক্ষরগুলো ঝুল -কালিতে ধূসর ও কালো, একে অপরে ঘাড়ে পড়ে,ইতিহাস ধূসর .…! হরপ্পা সভ্যতার তীরে দাঁড়িয়ে, শিরা বেয়ে নামে শুধু কাদা-জল, ধোয়াটে অতীত মিলিয়ে যায় পারায়! জীবাশ্মের হা-পিত্তেস ভক্ষক চুন-সুর্কি, বয়ে বেড়ায়… [বিস্তারিত]

পাপী-বসন্ত

এজহারুল এইচ শেখকবিতা৬টি মন্তব্য

ফাল্গুন মাস নদীর পাড় বেয়ে কৃষ্নচূড়া,প্রেম-পাপ উৎসব! কোকিলের ডাক মেশে হামানদিস্তার শব্দে ফিরে আসে,থেতো কলিজা-শব! কলিজা শুকায় কংসাবতী ধু ধু বালি কাঁকর বুক,নির্জলা- উপবাস! ফরজও না, নফলও না,-স্বেচ্ছায় বনলতার আগাছা দমনের আভাস,সৎ অন্তর্যামী-পরিহাস! শিমূলের ঠোঁট-দেহে নদীর কোনো কালেই দৈহিক থাকে না মোহ,অনন্তহীন ভালোবাসার উচ্ছাস! ভেজাচোখ শুকায় তপ্ত বালি-মরীচিকায়,চিক চিক কান্না না হাসি! স্রোতস্বিনীর বুকে বাঁধ-রুদ্ধ… [বিস্তারিত]