দেশে ধর্ষনের মহা উৎসব লেগেছে। শিশু, কিশোরী, বয়োবৃদ্ধা কেউ রেহাই পাচ্ছেনা ধর্ষকের হাত থেকে। এ যেন অন্ধকার আর এক আইয়্যামে জাহেলিয়াত যুগ দেখছি। আমি বাকরুদ্ধ স্তব্ধ হয়ে পড়েছি। রাগে, ক্রোধে নিজের মমত্ববোধের নিজেই গলা টিপে ধরেছি। আর কোন ছাড় নয়, ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চাই। আর তাই এই লেখায় মানবতা, মানবিকতা, সহমর্মিতা এসব শব্দের ব্যবহার করে [বিস্তারিত ধর্ষনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান চাই]
জীবনের বাঁকে বাঁকে স্নেহ-প্রেম স্মৃতিতে ব্যাকুল সজল চোখে বিপর্যস্ত কেশ-বাস, সাহারার মতো রসকষহীন যেন দৈত্যের মায়াপুরীর মতো বিভীষিকাময়। বটের ছায়ায় মর্মরধ্বনি মুকুলিত বকুলকুঞ্জে বিরহী কোকিলের কুহুতান; বসে আছি স্বপ্নের আবেশে ক্লান্তমনের আবিষ্টতায়, চিরকল্লোলময়ী তিস্তার তীরে বসে দেখি বালকবালিকার গোল্লাছুট খেলা। সত্য অসত্যের বেড়াজালে আবদ্ধ আমি আলোকবর্তিকার খোঁজে ভাসমান ভেলা। একবিন্দু শিশিরে মেটেনি যে তৃষ্ণা; একাকী [বিস্তারিত এলোমেলো ভাবনার নদী -১]
সামাজিক অবক্ষয় কথাটি এখন বহুল আলোচিত একটি বাক্য। সোস্যাল মিডিয়া, অনলাইন ও প্রিন্ট সংবাদ মাধ্যম, টিভিতে নিত্যদিন খুন, ধর্ষন, রাহাজানি, শ্লীলতাহানি প্রভৃতি খবরে একদিকে সমাজের নারীরা যেমন শংকিত তেমনি সামাজিক দায়বদ্ধ ব্যক্তিবর্গরাও সামাজিক অবক্ষয়ের এমন খবরে নিঃসন্দেহে ভীত ও দিশেহারাবোধ করছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। আমরা লজ্জিত হচ্ছি, অপরাধী আইনের আওতায় আসছে, সাজা হচ্ছে [বিস্তারিত সামাজিক অবক্ষয়রোধের এখনই সময়]
গতকাল বিকেল থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টিপাত হচ্ছিলো রংপুরে। ঘুণাক্ষরেও যদি জানতাম গভীর রাতে এক কোমর পানিতে তলিয়ে যাবো তাহলে ঘুমানোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করে ঘুমাতাম। কিন্তু হায়! বিপদ কি আর বলে কয়ে আসে! গতকাল অনুধাবন করেছি সমুদ্রতীরবর্তী স্থানের মানুষ প্রবল ঘুর্ণিঝড় বৃষ্টিতে কি নিদারুণ দুর্ভোগে রাত অতিক্রান্ত করে। রাত ন’টার দিকে প্রচন্ড মেঘের গর্জনে বিদ্যুৎচমকের সাথে [বিস্তারিত ১’শ বছরের রেকর্ড ভাঙা বৃষ্টি দেখলো রংপুরবাসী]
পৃথিবীর বিরান কোণে নির্বাক নিশ্চুপ শেষ নমষ্কারে নতজানু হয়েছিলাম আদিকালের অন্তিম পর্বের শুরুতে। দিনরাত্রির হিসেব ভুলে গিয়ে বহমান নদীর স্রোতের মত জপেছি প্রেমময় শাব্দিক কাব্যকথা। কালের গহ্বরে পাথুরে গুহার শক্তপোক্ত দেয়ালে অমোচনীয় ছবি এঁকেছি যুগলমিলনের। যার সবই এখন স্মৃতি! রঙধনুর সাতটি রঙকে চিনেছি প্রেমিকার মুখাবয়বে লাজলজ্জার প্রস্ফুটিত আবর্তে। আমি দেখেছি নিশুতি শ্যামার রুদ্র আস্ফালন। সকাল-সন্ধ্যা [বিস্তারিত ভালোবাসি মেঘ]
বাংলা ব্লগিং জগতে জ্বলজ্বলে একটি নক্ষত্রের নাম সোনেলা। সোনালী রোদের আলোয় উদ্ভাসিত হোক সকলের জীবন- এই বিশ্বাস থেকেই কোনো এক শুভক্ষণে যাত্রা শুরু হয়েছিল সোনেলার যা অদ্যাবধি চলছে আপন মহিমায়। তীব্র রোদ, ঝড়-বৃষ্টি কোন কিছুই সামান্যতম থামাতে পারেনি সোনেলাকে। “আজ সোনেলার জন্মদিন” সোনেলার জন্মদিনে আনন্দে বিহ্বল হয়ে সোনেলার মাঠে নিজের রুমাল বিছিয়ে দিয়েছি। আমার সাথে [বিস্তারিত আজ সোনেলার জন্মদিন]
১. জলাঞ্জলি- চলো কাশবনে যাবো। যেই ভাবা সেই কাজ, চলো চলো এক্ষুনি! কোন পাঞ্জাবি, কোন শাড়ি-চুড়ি এসব বাচবিচার করতেই দিনের অর্ধেক বেলা শেষ। এইবার ভ্রমণ পালা। রিকশায় বসে মনটা খারাপ হয়ে গেলো। রিকশাচালকের জরাজীর্ণ লুঙ্গি আর গেঞ্জি দেখে কাশের সৌন্দর্য অবলোকন প্রাপ্তির আনন্দকে নিমিষেই জলাঞ্জলি দিলাম আমি। ২. ছবি- কাশবনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছি। ক্লিক! [বিস্তারিত কাশফুল কথন]
“পৃথিবী বিয়োগে আগ পর্যন্তও আমি বলব আমি কেবলি ‘মানুষ’। জীবন বাজি রেখে ভালবাসতে জানি ‘মা মাটি মানুষ’কে।” উপরের কথাগুলো যার প্রোফাইলে ঝকঝক করছে তিনি হচ্ছেন সোনেলার অন্যতম জনপ্রিয় ব্লগার মনির হোসেন মমি ভাই। যিনি নিজের লেখায় শব্দের ঝংকারে সোনেলাকে পাঠকসমৃদ্ধ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। নিজের সমসাময়িক বিষয়ের লেখাগুলিতে তিনি দেশের কথা, মাটির কথা এবং নিত্যনৈমিত্তিক যাপিত [বিস্তারিত সোনেলায় নিজের সাত বছর পূর্তিতে প্রিয় ব্লগারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।]
লেখালিখি করা আমার শখ। আমার কাছে মনের ক্ষুধা মেটানোর অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে লেখার মাধ্যমে পাঠকদের সাথে আনন্দ-বেদনাগুলি ভাগাভাগি করা। কিন্তু হুটহাটতো আর যেখানেসেখানে লেখা যায় না। লেখার পরিবেশ, পাঠক সংখ্যা, নিজের আত্মসম্মান এসবই যেখানে রক্ষা পাবে সেখানেই একজন লেখক বিচরণ করবে এটাই স্বাভাবিক। এ কথা অনস্বীকার্য, লেখার জন্য উপযুক্ত প্লাটফরমটি সোনেলাই আমাকে দিয়েছে। সেই কৃতজ্ঞতাবোধ [বিস্তারিত সোনেলার জন্মোৎসব ২০২০ (আমার অনুভূতি – শেষ পর্ব)]
লেখালিখি করা আমার শখ। আমার কাছে মনের ক্ষুধা মেটানোর অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে লেখার মাধ্যমে পাঠকদের সাথে আনন্দ-বেদনাগুলি ভাগাভাগি করা। কিন্তু হুটহাটতো আর যেখানেসেখানে লেখা যায় না। লেখার পরিবেশ, পাঠক সংখ্যা, নিজের আত্মসম্মান এসবই যেখানে রক্ষা পাবে সেখানেই একজন লেখক বিচরণ করবে এটাই স্বাভাবিক। এ কথা অনস্বীকার্য, লেখার জন্য উপযুক্ত প্লাটফরমটি সোনেলাই আমাকে দিয়েছে। সেই কৃতজ্ঞতাবোধ [বিস্তারিত সোনেলার জন্মোৎসব ২০২০ (আমার অনুভূতি – ৩য় পর্ব)]
এদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। তাদের আশ্রয় দেয়া থেকে শুরু করে খাবারদাবার, নিরাপত্তা, চিকিৎসায় কাজ করে যাচ্ছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে নোয়াখালীর ভাষানচরে নির্মিত অত্যাধুনিক আশ্রয়ণ প্রকল্পে তাদের স্থানান্তরিত করার প্রয়াস ব্যর্থ হতে চলেছে! এর কারণ হচ্ছে, চল্লিশজন রোহিঙ্গা প্রতিনিধি ভাষানচর পরিদর্শন শেষে তারা বলেছেন এখানে নাকি রোহিঙ্গা বসবাসের অনুপযোগী! [বিস্তারিত মানবতা!]
লেখালিখি করা আমার শখ। আমার কাছে মনের ক্ষুধা মেটানোর অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে লেখার মাধ্যমে পাঠকদের সাথে আনন্দ-বেদনাগুলি ভাগাভাগি করা। কিন্তু হুটহাটতো আর যেখানেসেখানে লেখা যায় না। লেখার পরিবেশ, পাঠক সংখ্যা, নিজের আত্মসম্মান এসবই যেখানে রক্ষা পাবে সেখানেই একজন লেখক বিচরণ করবে এটাই স্বাভাবিক। এ কথা অনস্বীকার্য, লেখার জন্য উপযুক্ত প্লাটফরমটি সোনেলাই আমাকে দিয়েছে। সেই কৃতজ্ঞতাবোধ [বিস্তারিত সোনেলার জন্মোৎসব ২০২০ (আমার অনুভূতি – ২য় পর্ব)]
আমি ভালো নেই! বিজন মরুভূমির রুক্ষতার কাঁটাতারে রক্তাতিসার মনের গহীনে উদ্বেলিত চিন্তারা আষ্টেপৃষ্ঠে গ্রহণ করেছে বন্দিত্বের স্বাদ। কানে বাজে শুষ্ক কন্ঠে নন্দিনীর প্রেমাসক্ত বন্দনা। আমি ভালো নেই! অস্পৃশ্য বন্দনায় নিশুতি রাতের আঁধারে কানেআসা অমোঘ সত্যের হাতছানিতে বুক কেঁপে ওঠে আজ। সময় কি তবে ঘনিয়ে এলো! অগ্নিদাহ কায়া যে বড্ড লোভাতুর। আমি ভালো নেই! পারাপারের রঙিন [বিস্তারিত আমি ভালো নেই!]
লেখালিখি করা আমার শখ। আমার কাছে মনের ক্ষুধা মেটানোর অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে লেখার মাধ্যমে পাঠকদের সাথে আনন্দ-বেদনাগুলি ভাগাভাগি করা। কিন্তু হুটহাটতো আর যেখানেসেখানে লেখা যায় না। লেখার পরিবেশ, পাঠক সংখ্যা, নিজের আত্মসম্মান এসবই যেখানে রক্ষা পাবে সেখানেই একজন লেখক বিচরণ করবে এটাই স্বাভাবিক। এ কথা অনস্বীকার্য, লেখার জন্য উপযুক্ত প্লাটফরমটি সোনেলাই আমাকে দিয়েছে। সেই কৃতজ্ঞতাবোধ [বিস্তারিত সোনেলার জন্মোৎসব ২০২০ (আমার অনুভূতি – ১ম পর্ব)]
প্রণব মুখার্জি একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ছিলেন। শিক্ষকতা এবং সাংবাদিক হিসেবে নিজের কর্মজীবন শুরু করলেও প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক জীবনে নানান উত্থান-পতনের মধ্যেও ভারতের রাজনীতিতে প্রণব মুখার্জি সব সময় ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রণব মুখার্জি ১৯৩৫ সালের ১১ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে [বিস্তারিত প্রণব মুখার্জি বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু]