মরীচিকা

রোমান্টিকতার অলিতে গলিতে পদধূলি তার
দেখা হয় কদাচিৎ, কথা হয়না।
চাহনিতে ভাসা ভাসা বৃষ্টি উপাখ্যান
চাতক পাখির মতন মিছে খেলা করে,
ইচ্ছেরা ঘুর্ণি পাকায় বাম পাজরের ঠিক মধ্যখানে।

যে পথ দেখায়ে চলে দক্ষিনে বাতাস
মরুর বেদুঈন আজ রয়েছে নির্বিকার।
তপ্ত বালিয়াড়িতে আর কতদিন?
এবার যে পালা ঘরে ফেরার।

অলক্ষে আকাশ, মৌমাছিরা যে পথ জানে-
আমিও যে সে পথের পথিক।
মাধবের অদৃশ্য আহবানে,
সত্য হোক কিংবা মিথ্যে।

শুধু জানি আমি আর আমার ইশ্বর
পথের শেষে ভিত্তিহীন যে বাসা আমার;
বেদুঈন মিছেমিছি সে গলিতে করে আসা-যাওয়া,
একবার দু’বার তিনবার, বারবার….।

মোট পড়েছেনঃ ১,৯৪৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৫টি মন্তব্য

  1. আমরা জানি মরীচিকা, তারপরেও তাকে খুঁজে ফিরি বারবার।
    ভালো লিখেছেন ভাই,
    কবিতা কম বুঝি, তাই মন্তব্য কঠিন আমার কাছে।

    শুভ কামনা।

    1. এটা কবিতা? একান্ত অনুভূতি। কবিতা লেখার মত শব্দভাণ্ডার আমার নেই ভাই।

      আর সত্যি বলি- এ ধরনের লেখা যখন আমি লিখি আর এডিট করিনা। বা পড়িওনা। কেন জানেন? নিজেরই মাথা আউলায় যায়।

      ক্যামনে ক্যামনে যে এসব লাইন মাথায় আসে!!

      তবে আপনার মন্তব্যের প্রথম লাইনই উত্তর। কে বললো বোঝেন না?

  2. ইচ্ছেরা ঘুর্ণি পাকায় বাম পাজরের ঠিক মধ্যখানে….

    এই মধ্যখানেতো জীবনের যত রস-কস।কি করে ভাবেন এমন শব্দে বাক্যের সার্থকতা।খুবই ভাল হয়েছে ভাইটির কবিতা।

  3. বেদুইনরা আবার বাড়ি-ঘরের আশেপাশে কবে থেকে ঘুরাঘুরি শুরু করেছে !! এটা শশুরবাড়ির আঙিনা নয়তো? রোম্যান্টিক শব্দটা দেখে ঝাপ দিয়ে পড়েছিলাম কবিতায়, পড়ে দেখি মরুভূমির বেদুঈনের কান্নাকাটি। আহা! এভাবেও কলিযুগে কেউ কাউকে মিস করে, জানতাম না ;

    দেবী নিজ মন্দিরে তাড়াতাড়ি ফিরে আসুক, শুভ কামনা 🌹🌹

    1. উপরে সাবিনা আপুর মন্তব্য দেখলেই বুঝতে পারতেন। তবু জিজ্ঞেস করার জন্য ধন্যবাদ।

      আসলে কবিতার নায়ক বিরহে হয়েছে বেদুঈন। প্রেমিকার খোঁজে মরুভূমি আর তার ভালো লাগছেনা। সে এখন এ গলি সে গলি মিছে যাতায়াত করলেও খুঁজে পায়না তাকে। তাই সে বলেছে তার কষ্ট সে নিজে জানে আর জানে তার ইশ্বর।

      ভালো থাকবেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  4. এমন তোলপাড় করে,
    আমূল তছনছ করে শরীরের সব মধু নিলে তুমি মৌমাছি,
    অবশিষ্ট যেটুকু আছি সেটুক লেহন করে আমাকে নিঃশেষ করো, আমি বাঁচি।

মন্তব্য করুন