ছন্দ, মাত্রা, তাল-লয়,উপমা-উৎপ্রেক্ষা ইত্যাদি না থাকলে কিসের কবিতা? মুক্তছন্দের নামে অন্ত্যমিলবর্জিত কবিতাও যে ছন্দহীন কবিতা নয়–তা-ও বোঝেনা আজকালকার অনেক তথাকথিত গদ্যকবি। আসলেই আবৃত্তির অযোগ্য কবিতা কখনোই ভালোকবিতা হতে পারেনা। আবার ভালোকবি মানেই ভালো গীতিকার- এটাও সত্য। এখানে আরেকটি কথা বলে রাখি, যারা যতোবেশি ছন্দে পণ্ডিত, তারা ততোবেশি ভালো ছড়াকার। আর পারদর্শী ছড়াকাররাই মূলতঃ মানোত্তীর্ণ ছড়া-কবিতা ও [বিস্তারিত কবিতা-অকবিতাঃ ছন্দহীন পদ্য-কবিতা-ছড়া ও গান!]
দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্ক তৃতীয় পর্ব বাংলা/বাঙলা নাকি বাঙালা? এ শব্দগুলোর কোনটা যে, সঠিক এবং কোনটা ব্যবহার করা উচিৎ তা নিয়েও আমরা কিন্তু বিভ্রান্ত। বাংগালী, বাঙ্গালী, বাঙালি, বাঙালী এসবই আমরা ব্যবহার করে থাকি, যা পৃথিবীতে নজিরবিহীন বৈকি। বাংলাএকাডেমীরও এক্ষেত্রে কোনো নিয়ন্ত্রণ বা কার্যকর ভূমিকাই নেই। বরং তাদের ”সংক্ষিপ্ত বাংলাঅভিধানে” লেখা আছে শুধু ”বাঙ্গালী ও বাঙালি”। আমি [বিস্তারিত বাংলাবানান ও শব্দগঠনঃ ভুল শুধু ভুল-৩]
প্রথম পর্বের লিঙ্ক দ্বিতীয় পর্ব অনেকেই লেখেন- (সাধুভাষার ”লিখেন” নয়) ”সাহিত্য চর্চা” (হবে সাহিত্যচর্চা) ধীরেধীরে ডিজিটালাইজড হয়ে যাচ্ছে। এ সুযোগে ভাষার ব্যকরণ বিদ্যার (হবে ”ব্যাকরণবিদ্যার”) প্রতি বেখবর অনেক মানুষ নিজের অনুভূতি প্রকাশ (হবে অনভূতিপ্রকাশ) করতে পারছে সহজেই। সামাজিক যোগাযোগের তথ্য প্রযুক্তিয়ানের (হবে তথ্যপ্রযুক্তিয়ানের) ফলে আজ অনেক অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন মানুষও তাদের ভাব বিনিময় (হবে ভাববিনিময়) করছেন সহজেই। [বিস্তারিত বাংলাবানান ও শব্দগঠনঃ ভুল শুধু ভুল-২]
ভিক্ষা শব্দের আভিধানিক অর্থ-যাচিত বস্তু, প্রার্থনা, সাহায্য চাওয়া। ভিক্ষাবৃত্তি মানে ভিক্ষার মাধ্যমে জীবনধারণ। আর যারা নিজের অক্ষমতা ও অসামর্থ্যের কথা অন্যের কাছে অকপটে ব্যক্ত করার মাধ্যমে সাহায্য নিয়ে জীবিকানির্বাহ করে-তারাই ভিক্ষুক। ঠিক কবে থেকে ভিক্ষাবৃত্তির প্রচলন হয়েছে, তা বলা সম্ভব না হলেও একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, এ এক প্রাচীন পেশা। পৃথিবীর সবদেশেই ভিক্ষুক আছে [বিস্তারিত বাংলাদেশে ভিক্ষাবৃত্তিঃ কারণ ও প্রতিকার]
পূর্বপ্রকাশিতের পর সেদিন জ্বরের দরুণ কলেজে যায়নি কোরিয়া। পরীক্ষার বাকিমাত্র পনের দিন। কিছু জরুরি নোটের প্রয়োজনে কলেজে খুঁজে না পেয়ে কোরিয়ার বাড়িতে যাবার সিদ্ধান্ত নেয় কাকলী। এর আগেও দুয়েকবার ওদের বাড়িতে এসেছিল সে। কলেজছুটির পরই রওনা দেয় কাকলী। ওর বাসা কলেজের কাছাকাছি হলেও কোরিয়ার বাড়ি থেকে আধামাইল দূরে। বিকেলের পথ-ঘাট ফাঁকা-ফাঁকা, ছোট্ট শহরের রাস্তায় তেমন [বিস্তারিত নবজাতক ও চিরকুমারকাহিনী]
তথ্য অধিকার আইন জারী হয় বা কার্যকর করা হয় ২০০৯ সালের পয়লা জুলাই। এমনকি একই দিনে গঠন করা হয় তিনসদস্যবিশিষ্ট তথ্য কমিশন। একজন প্রধান তথ্য কমিশনার এবং সচিব মর্যাদার দু’জন তথ্য কমিশনার এর মধ্যে একজন নারী কমিশনার নিয়ে মূলতঃ তথ্য কমিশন। এই আইনে বলা আছে, প্রতি স্বতন্ত্র অফিস এই আইন জারীর ৬০ দিনের মধ্যেই তাদের অফিসের [বিস্তারিত তথ্য অধিকারবিষয়ক আমার অভিনীত প্রথম নাটিকা ”তথ্য পেলেন কাশেম চাচা”]
পূর্বপ্রকাশিতের পর ওর বড়িতেও দ্রুত ভিড় জমে যায়। সকাল আটটা বাজে প্রায়। সূর্যের তেজবাড়ার পাশাপাশি কর্মজীবী মানুষও ছড়িয়ে পড়ে চৌদিকে। কিন্তু আজ ওর কাজে যাওয়া হয়না। নবজাতককে নিয়ে গ্রামের উৎসুক মেয়েদের মধ্যেও কাড়াকাড়ি পড়ে যায় যেন। ময়নাতো রীতিমত ছেলের মা-ই বনে যায়! কোরিয়ার হাত থেকে বাচ্চাকে একপ্রকার ছোঁমেরে নিয়েই বাড়ির দিকে দে‘ ছুট। যেতে যেতে [বিস্তারিত নবজাতক ও চিরকুমারকাহিনী]
ন’টার গাড়ি ক’টায় ছাড়ে দেখতে যদি চাও ইস্টিশনে যাওনা ছুটে— জলদি করে যাও। টিকেট কেটে ঝিমাও বসে দশটা হলেই পার ন’টার গাড়ি ছাড়বে তবে চিন্তা কেনো আর? নয়টা এবং দশটা থেকে দু’টাও যদি বাজে— পৌঁছে তুমি যাবে ঠিকই বিকেল কিবা সাঝে!!
ছেলেটি পথের ধারে অঝোরে কাঁদছে। পাশকেটে সবাই চলে যাচ্ছে যে যার কাজে। কেউকেউ নতুন জামা-কাপড় পরে আনন্দে হইচই করছে। অনেকে ঈদের মাঠে যাবার জন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছে। কিন্তু ওর দিকে কারও নজর নেই। হঠাৎ নজর আটকে গেল একজনের। তিনি থমকে দাঁড়ালেন। মমতামাখানো কন্ঠে জিজ্ঞেস করলেনঃ কাঁদছো কেন, বাবা? -আমার মা-বাবা নেই। আমার ঈদের জামা-কাপড় নেই, তাই- [বিস্তারিত রমজান মাস এবং ঈদুল ফিতরঃ মানবতাবোধের এক মহান শিক্ষা]
শেষ পর্ব নুরুল হুদার কথামতো কায়েস এখন আর প্রেমসঞ্জাত প্রাপ্তিযোগে আপত্তি না করে বিনা বাক্যব্যয়ে সবকিছু খেয়ে নেয়! কিন্তু মানুষতো ফেরেস্তা নয় যে, প্রচন্ড গতিশীল হৃদয়কেও সহজে লাগাম পরিয়ে দেবে ? ফলে মনের অজান্তে তারও দুর্বলতা তৈরী হয়ে যায়। রহস্যময়ী মেয়েটাকে দেখারও সাধ জাগে মনে। বিশেষ করে শিউলীর চাচাসম্পর্কের একজন মুরুব্বী যেদিন সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন, [বিস্তারিত কমন স্যার এবং আহত বেদনা]
পূর্বপ্রকাশের পর পরদিন সকালে ইস্কুলে বেরোবার পূর্বক্ষণে খাতাটা নিয়ে যায় সুমি। ফলে শিউলীর ব্যাপারটা ফের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। মনে পড়ে, জুয়েল একসন্ধ্যায় পড়তে পড়তে হঠাৎ বলে বসে–স্যার, শিউলী’পা না বলে, তোর স্যার দেখতে কেমনরে? : আর তুমি কী বললে–কৌতুহলী প্রশ্ন কায়েসেরও। : বলেছি, খুউব সুন্দর—বলামাত্রই একটা লাজুক হাসি ছড়িয়ে দেয় জুয়েল। কায়েস নিজেও লজ্জা পায় কিন্তু সামলে নিয়ে হেসে ফেলে। আরেকদিন [বিস্তারিত কমন স্যার এবং আহত বেদনা]
রোজকার মতোই সদ্যজাত শিশুর ন্যায় মিষ্টিরঙ ছড়িয়ে অন্ধকার মাতৃজঠর ফুঁড়ে ধীরেধীরে উঠতে থাকে সূর্য। চারদিকের সবুজ গাছ-গাছালি, বাড়িঘর আর চলমান মানুষগুলোর মুখমন্ডলে ছড়িয়ে যায় তার মোহময় লালিমা! মানুষের শরীরে পতিত সেই গাঢ় আভা সৃষ্টি করে এক অনিন্দ্য-অনির্বচনীয় আবহ। এখন অগ্রহায়ণমাস হলেও রাত আর ভোরের দিকে কিছুটা শীতশীত লাগে। এবার হয়তো তাড়াতাড়িই নামবে শীত? ঠান্ডা আমেজে [বিস্তারিত নবজাতক ও চিরকুমারকাহিনী]
স্যার, শিউলী’পা দিলো—একদৌঁড়ে এসে ফুলস্কেপ সাইজের একটা সাদাখাতা বেডের ওপর ছুঁড়ে দিয়েই ছুটে যাচ্ছিল মেয়েটা। ব্যাপার কিছু বুঝতে না পেরে চটজলদি ডাক দেয় কায়েস, এ-ই সুমি শোন—। ততক্ষণে সে রুমের বাইরে চলে গেছে। ডাকশুনে ফিরে আসে এবং রুমে ঢুকেই ফিক করে হেসে দেয়। এটাই ওর স্বভাব, কারো মুখোমুখি হলে হাসা চাই-ই? বয়স বেশী নয়, দ্বিতীয় [বিস্তারিত কমন স্যার এবং আহত বেদনা]
মানবতার বাগানে শ্বেত-ভালুুকের দাপাদাপি আর শ্বেত-সন্ত্রাস চলবে কতকাল— দেখবো কত আর হৃদয়ের রক্তক্ষরণ কিংবা আহত পায়রার ব্যর্থ উড়াল আর কতদিন প্রভূ আর কতকাল? কাগুঁজে বাঘের মতো লক্ষ বিবেক কতকাল বলো থাকবে বিবেকহীন এত রক্তের আঁখরেও দেখবোনা কি অনাগত অনাবিল সেই সুখের চিন্। আর কতকাল প্রভূ আর কতদিন।। প্রেমের বন্ধন ছিঁড়ে হলো চূরমার চৌদিকে নাচে নিঃলাজ [বিস্তারিত শ্বেত-ভালুুকের দাপাদাপি]
(ইন্টারনেটের বদৌলতে কী না হতে পারে? মেয়েটিও পড়েছে অসম প্রেমে আমার বউ-বাচ্চা আছে জেনেও; কিন্তু আমার সাড়া নেই। রশিয়ার ইউক্রেন থেকে এ মেয়ে আমাকে নিবেদিত চিঠিসহ কবিতা পাঠিয়েছে। এর আগেও চিঠি দিয়েছিলো অনেকবার কিন্তু জবাব দেইনি বলে সে অভিমান করে একটার পর একটা কবিতা পাঠাচ্ছে। নিচে চতুর্থ কবিতাটি অনুবাদসহ তুলে দিলাম, কেমন লাগলো জানাবেন–) My Love [বিস্তারিত ইউক্রেন থেক জুলিয়ার চিঠিঃ আমার প্রেম]