অহর্ণিশ

নরম আঁধারের সুতোয় দহন বুনেছে প্রহর সুনসান শব্দহীনতা জমিয়ে বসেছে রাত্রির পাতার ওপর ! জলছত্র খুলেছে আকাশ মনোরম রমণী নদীর ঢল বুঝি – আড়াল খুঁজে কি গাছের ছায়ারা সব কেমন সর্পিল বিষাদ মেখে গা ঘেঁষাঘেঁষি নিশিযাপন ! কোমল কলরব অহর্ণিশ বোধের বোবাটে বারান্দায় বাঁধাগ্রস্ত হাওয়ার থালায় লম্বাটে বধির বিভ্রাট বিচলিত চাঁদ হারানো খেয়ার অদৃশ্য মাধুরী [বিস্তারিত অহর্ণিশ]

রূপকথা

রূপকথা জেনেছো কি তুমি অন্ধকারের আর্তির ভিতর প্রহরের রঙ বদলায় উনুনের আলোর ওপারের ছায়াটুকু হতে পারে কীর্তিনাশা ধ্রূপদী নদী ! একটু আঁধার তোমাকে দ্যাখে ও পথে নেমে আসে শিশিরের ঘ্রাণ কল্পতরুর বেনামী বাতাস হয়তো পুড়িয়ে দেয় কিছুটা হলেও নুন মাখা জল ! জোনাকীরা জানে জীবনের কতো রঙ বিভাহীন কানামাছি খেলে উনুনের আলোয় কতোটুকু তাপ জানোনা [বিস্তারিত রূপকথা]

হয়তো

এক বাটি রোদে স্নান সেরে উঠলো পাখিটা! ছোট্ট আদুরে শ্যামল পাতার ছায়ায় দাঁড়ালো। আলতো হাওয়ায় প্রশাখা দোলানো পত্র-পল্লবের ফাঁক গলে দূরের কুণ্ডলি পাকানো সফেদ মেঘে ওর দৃষ্টি! তারপর দোলালো সোনালী ঝালর মাখানো ল্যাজ। হালকা ঝাপটালো বর্ণালী ডানার রোদ্দুর ধোয়া পালক। গোলাপী ক্যানভাসে ধূসর সুতোয় বোনা সরু গলা উঁচিয়ে একরাশ মধুর মধুরতা মিশিয়ে গাইলো কু-উ-উ-উ-। মনের [বিস্তারিত হয়তো]