হিমুর হাতে হলুদ খাম

হিমুর ফোন বাজছে। দু-তিনবার বেজে উঠলো। আবার বাজতে শুরু করেছে। বাথরুমের কাছে গিয়ে বললাম হিমু, তোর ফোন বাজছে। হিমু প্রতিত্তোরে বললো – রিসিভ করে কথা বল। ফোন রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে সুশ্রী কন্ঠের আওয়াজ ভেসে আসলো। এতো সুন্দর নরম কন্ঠস্বরের নিরুত্তাপ আহবানে কিছুটা সময় স্তব্ধ বনে বন্য প্রাণীর ছবি হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। কি বলবো বুঝে [বিস্তারিত হিমুর হাতে হলুদ খাম]

হিমুর হাতে একজোড়া নুপুর

  ক্লাস চলছিলো। উত্তম স্যারের ক্লাস। স্যার মানুষ হিসেবেও যেমন উত্তম শিক্ষক হিসেবেও ঠিকই তেমন। সত্যি ওনার মতো যান্ত্রিক মানুষ আমি আর দেখিনি। তিনি যেমন গল্প করতে পটু তেমনি আবার জোকস বলে বলে হাসাতেও পটু। অতশত গুণ থাকা সত্বেও তিনি কিন্তু তার পেশার একটুকুও অবমূল্যায়ন করে না।  ফোন বেজে উঠলো। একসাথে ভাইব্রেশন আর রিংটোন। উপস্থিত [বিস্তারিত হিমুর হাতে একজোড়া নুপুর]

হিমুর হাতে কদম্বফুল

ঘুম থেকে তখনো উঠিনি। কিন্তু হঠাৎ আচমকা ডাকে ঘুম ভেঙে যায়। দুচোখ মিলে ধরতেই দেখি হিমু হলুদ পাঞ্জাবি পরে দাঁড়িয়ে আছে। বুকটা ধরফর করে উঠলো। অবশ্য হিমু বুঝতে পেরে কাছে এসে গায়ে হাত বুলিয়ে বললো – আমি হিমু। বোতলের পানি চোখেমুখে ছিটিয়ে দিলো। কিছুটা সময় পর স্বাভাবিক হয়েছিলাম। হিমু বললো – ১০০ টাকা হবে? আমি [বিস্তারিত হিমুর হাতে কদম্বফুল]

হিমুর হাতে হলুদ ফুল

পুরো রুমে আতরের আত্মারা কেবলই ভেসে ভেসে খেলা করছে। নিশ্বাসে বুকের ভেতরের নাড়িভুড়ির গন্ধগুলোও নিমেষেই নিঃশেষ হয়ে গেছে। পেট ফুলে ফেঁপে কথার তালে তালে শ্বাসপ্রশ্বাস সংগ্রহশালার যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তাতেও সুগন্ধি আতরের সুগন্ধ বিদ্যমান। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে গুনগুনিয়ে গান গেয়ে গেয়ে মাথায় চিরুনি করছে। আর আড়ালে আবডালে নিজের চোখে চোখ রেখে মুচকি হাসি হাসছে। আর [বিস্তারিত হিমুর হাতে হলুদ ফুল]

হিমুর হাতে রংপেন্সিল

  উমা! গাল দুটো সদ্য তেলে ভাজা লুচির মতো ফুলে ফেঁপে উঠেছে। বাম গালে মিষ্টি হাসির টোল পরেছে। সেকি মিষ্টি মিষ্টি হাসি। যেন সুঁইয়ের ছোঁয়া পেলেই রসের ঠসঠস শব্দে বালতি ভরে যাবে। হিমুকে আগে কখনো এতো খুশি হতে দেখিনি। এই প্রথম সে মেয়েলি ব্রতগুলির সব-কটি খাঁটি করে শুধু মুচকি মুচকি হাসছে। হলুদ পাঞ্জাবি চুনট-করা ধুতির [বিস্তারিত হিমুর হাতে রংপেন্সিল]

হিমুর প্রিয়াত্মা

সত্যি! সে কাঁদছিল। চোখের কোণে বেয়ে বেয়ে অশ্রুসিক্তগুলো এতো আবেগে টলমল করছিলো যে কখনো বারান্দার টিনের চালেও বৃষ্টি ফোঁটার এমন বর্ষণ দেখিনি। ঢোক গিলে গিলে উদাস উদাস চেয়ে চেয়ে প্রেমের গন্ধ এতো মাখামাখি করে ছড়াচ্ছিলো যে প্রেমে না পড়েও উপায় নেই। আর অবচেতনে ওড়নায় এতো গিটঠু দিচ্ছিল যে আজীবন এভাবেই ঠোঁটের ডগায়, নিশ্বাসের স্রোতে, চোখের [বিস্তারিত হিমুর প্রিয়াত্মা]

চিহ্ন

বাঁশি বাজছে। হেমন্তের গাঙচিলে ভর করে নিরালায়। শকুন পক্ষীরাজ মাঝরাত অবধি তখনো ডাকে। হুঁশ বেহুঁশ তালবাহানাগুলো রঙিন কাগজ ছাউনির দোকানগুলোয় ঘুরে ঘুরে বন্দী হয় আমার জানালার করিডরে। আর আমি! চাঁদটাকে প্রদীপ ভেবে ভাসতে থাকি চাঁদ, তারা আর আকাশের ক্যানভাসে। যেন আমরা এক কাপড়ে, এক ছাউনির ছায়াতলে নির্বাচিত রাত্রিযাপন করছি। মন ঠাঁইঠাঁই রোগের রোগী। চিকিৎসক বাঁশিওয়ালা [বিস্তারিত চিহ্ন]

প্রতিমুখ

আহারে!বিমুগ্ধ গন্ধ মেখে দাঁড়িয়ে থাকা,নদীর স্রোতের ঠোঁটে।যে স্রোতে প্রেমের রক্ত ভেসে ভেসে ঢেউ খেলে। নিষ্পলক চোখে চোখ, চোখাচোখি,আঁকিবুঁকি আঙুলে আঙুলের ছোবল।দিশেহারা ছন্নছাড়া দেহপিঞ্জরহৃৎপিণ্ড হাউমাউ কাঁদে বেলা অবেলায়। ছবিঃ সংগৃহীত    

প্রতিদ্বন্দ্বী

  বিয়ের পর এই প্রথম অতলদা ভাবিকে নিয়ে বাড়িতে এসেছে। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। সেইরকম বৃষ্টি। টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ খুবই ভালো লাগছিলো। এমন সময়ে ভাবিকে ইনিয়েবিনিয়ে খুব কষ্টে রাজি করালাম। ততক্ষণে রান্নাঘর থেকে খিচুড়ি আর মাংসের ঘ্রাণ এসে জিভটা নড়বড়ে করে দিয়েছে। কিন্তু বারবার শত চেষ্টা করেও কোন লাভ হলোনা। কেন জানি আজ ক্ষুধাও মন্দা। [বিস্তারিত প্রতিদ্বন্দ্বী]

রূপবতী

বড় ভাই গোপনে বিয়ে করার কয়েকদিন পরে গ্রাম থেকে ছোট ভাই শহরে ঘুরতে এসেছে। আর বড় ভাইয়ের কাছে শুধু আবদার করছে এখানে যাবো সেখানে যাবো। আরও কতো কি! ঠিক আছে। তোর যেখানে ইচ্ছে যাস। তবে তোকে শুধু ছোট্ট একটা কাজ করে দিতে হবে। অতনুঃ শোন, আমি এখানে ঘুরতে এসেছি। তোর গোলামি করতে না। অতলঃ আরে! [বিস্তারিত রূপবতী]

প্রিয় প্রিয়তমেষু প্রিয়তমার নাম

জরজর করে কাঁদতে লাগলো হিমু। কান্নার শব্দে রান্নাঘর থেকে বুয়া বেরিয়ে এসে বললো – মামা, কাঁদছেন কেন? কি হয়েছে? কিন্তু কিছুতেই হিমুর কান্না থামছে না। আবার কোন কথাও বলছে না। শুধু খাবারের দিকে একনাগাড়ে তাকিয়ে রয়েছে। বুয়া গিয়ে অতনুকে ব্যাপারটা খুলে বললো। অতনু সাথে সাথে রুম থেকে বেরিয়ে এসে বললো – কাঁদছিস কেন? কি হয়েছে? [বিস্তারিত প্রিয় প্রিয়তমেষু প্রিয়তমার নাম]

প্রশান্তির খোঁজে

চায়ের টোংঘরে বসে আড্ডা দিচ্ছিলো শ্যামল আর সুকান্ত। ইতিমধ্যে সৃজিত এসে বলে উঠলো – থো তোদের প্যাঁচাল। তোদের প্যাঁচাল শুনতে আর ভালো লাগে না। জীবনটা হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো হয়ে গেলো। জিভে দিলেই নিমেষেই ফুরিয়ে যায়। শ্যামল বললো – তোর আবার কি হলো? সাধু হয়ে গেলি কবে? সৃজিত বললো – সাধু হওয়ার কি কোনকিছু বাকি আছে? [বিস্তারিত প্রশান্তির খোঁজে]

বইখাতা

কলম দিয়ে একেঁছি কত এটা ওটা সেটা। রাবার দিয়ে মুছেছি কত কাগজ বই খাতা। কত কলম নষ্ট করেছি কত খাতার পাতা। অ আ ক খ’র বই ছিঁড়েছি ছড়ার বই যাতা। মায়ের বকুনি শুনেছি কত শুনেছি ভাইয়ের জারি। তবুও কি শেষ হয়েছে আমার যত বাহাদুরি। বইখাতা আর কলমের সাথে প্রতিদিন হয় দেখা। ছড়া পড়ি গল্প পড়ি [বিস্তারিত বইখাতা]

দুষ্টুমি – বন্ধুত্বের রংতামাশা

  দুই বন্ধু রুমে বসে মোবাইল টেপাটেপি করছে। ইতিমধ্যে এক বন্ধ অন্য বন্ধুকে বলছে – তুই কি রামের প্রেমিকাকে দেখেছিস? অতনুঃ না তো। বদমাশ অনেকদিন দেখাবে দেখাবে করে আর দেখাচ্ছে না। অতুলঃ তাহলে তুই প্রতিদিন বিকেল ৪ টা থেকে ৫ঃ৩০ পর্যন্ত যেভাবে পারিস রামকে ব্যস্ত রাখ। মেসে ডেকে জমিয়ে আড্ডা দে। অতনুঃ কেন? আমার দরকার [বিস্তারিত দুষ্টুমি – বন্ধুত্বের রংতামাশা]

পাশাপাশি

  হ্যালো, তুমি কোথায়? আমিতো চাকরির পরীক্ষা দিতে এসেছি। তোমার পরীক্ষা শেষ হবে কখন? এইতো ১১ঃ৩০। তাহলে তুমি পরীক্ষা দিয়েই আমার সাথে দেখা করবা। কেন? কি হয়েছে? জরুরি কিছু। হুমম, খুব জরুরি। না মানে! আমারতো একটা টিউশনি ছিলো। তুমিতো জানো সবকিছু। তাইনা? আজকে যেতে হবে না। তোমাকে দেখা করতে বলেছি দেখা করবা। আচ্ছা। ঠিক আছে। [বিস্তারিত পাশাপাশি]