স্বপ্নের সিঁড়িগুলা গিয়েছে ভেঙে, কেউ কি পারবে ফিরে এনে দিতে? সত্য কথা বলার সাহস আছে ঠিকই, মিষ্টিমুখটা আজ হয়েছে তিতে। কান্নার সূরগুলো উড়ে উড়ে বেড়ায়, বুয়েটের ঘাসগুলো পাহারা দেয়। যেই ঘাসে মিছে আছে ওজুর পানি, জায়নামাজে ছিলো যার আজানের ধ্বনি। কুরআনের সূরাহগুলো এখনো যে ঠোঁটে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে এখনো বেজে ওঠে। মায়ে কাঁদে হাউমাউ বাবা [বিস্তারিত আবরার, করে দিস মাফ]
বারবার কান্না করেছি কত-শত কোলটা ভিজেছে কতবার অতশত। আদুরে সোহাগে রেখেছো জঠরে চুমায় চুমায় বলেছো আব্বারে। মাঝরাতে উঠেছি জোরেশোরে কেঁদে হাসিমুখে নিয়েছ তোমার কাঁধে। দুলে দুলে গেয়েছো ঘুমপাড়ানি দুচোখ বুঝলেও ঘুম পারনি। সময়ে সময়ে নিয়েছো খবর আব্বা আমার ঘুমে বিভোর? টেলিভিশন জব্দ রিংটোন বন্ধ আব্বা ঘুমিয়ে খুবই আনন্দ। সংসারের খরচে কিছু বাচিয়ে হাতে দিতে আম্মুকে [বিস্তারিত আব্বা]
খন্ড দ্বিখণ্ডিত স্বপ্নের সিঁড়ি দুমড়ে মুচড়ে স্বাদ আহ্লাদ। মা’গো, শেষমেশ হয়নি কথা বলা মোনাজাতে তুলিনি দু’হাত। প্রাপ্তির অপ্রাপ্তি বঞ্চনার প্রতীক চোখে চোখে কাঁদে হাউমাউ। বাবা! পরিশ্রমের পরিশোধ জোটেনি স্বপ্নের নয়নে বাহারি রঙের ঢেউ। ঝলসে গেলো প্রভাত ফেরী নিভে গেলো হৃদয়ের সাধ। প্রিয় মা! বাপটাকে মাফ করে দিও স্বপ্ন সমীকরণে ব্যর্থ মৃত দেহজাত। ফসকে গেলো [বিস্তারিত আবরার]
মোবাইলটা বেজে উঠলো, স্ক্রিনে ভেসে উঠলো সেই চেনা নাম্বারটা….. আমি কিছুক্ষণ অদ্ভুত হয়ে ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইলাম। অচেনা কোন এক অদৃশ্য স্পর্শ এসে আমাকে নাড়িয়ে দিয়ে গেলো। অনুভূতিগুলো কেমন যেন একটু ওলটপালট হয়ে গেল। বছরখানেক সময় পার হয়ে গেছে। অনেককিছুই ইতিমধ্যেই ভুলতে শুরু করেছি। ভুলতে শুরু করেছি অতীতে ঘটে যাওয়া নানান অঘটন। তবুও কেন [বিস্তারিত ফিরে পাওয়ার গল্প]
তখনকার সময়ে দিনের বেলাও অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। মিথ্যাচারে ভর করে সমাজ সংস্কৃতি পরিচালনা হতো ক্ষমতা পিপাসুদের দখলে। নশ্বর পৃথিবীর বুকে প্রবাহিত হতো অশান্তির প্রবল বর্ষণ। কোথাও ছিলো না শান্তির একমুষ্টি ছায়া। কোথাও পৌছায়নি তখনও সত্য ও সৎ পথে চলার অঙ্গীকার। ক্ষমতাসীনের নির্দয় অত্যাচার আর অবহেলার হাতে পৃষ্ঠ হতো দূর্বল ও গরীবেরা। আলোর সংস্পর্শে আসার তখনও [বিস্তারিত আবির্ভাব]
রোজ রাতে বাঁশি বাজতো। উমা! সেকি সুর। বর্ষায় বানের জলে ভেসে ঘাটে ভিড় জমায়। আমি! বিক্রিত সুরের প্রলোভনে। দেহের বসতভিটায় প্রেম জন্মেছে। পড়ার টেবিলে শুধুশুধু আঁকিবুঁকি। সীমানাহীন কল্পনায় ভেসে মন যখন বিরহে দৌড়ায়, খোঁজখবরে জানি বাঁশির মালিক কে ? আনন্দে আহ্লাদে মেতে উঠি। প্রিয়মুখ দর্শনে দেহের কলকব্জাগুলো শিহরিত হয়। হৃদয় পকেটে অনুভূতির আগুন দাউদাউ করে [বিস্তারিত বাঁশি]
আত্মীয় স্বজন বোবা কান্নার মতো ঠাঁই দাঁড়িয়ে রয়েছে। বৃদ্ধ দাদিমা অঝোরে কেঁদেই চলছে। আর বারবার বলছে – আল্লাহ, তুমি আমাকে আগে নিলা না কেন? তুমি আমাকে আগে নিলা না কেন? ছেলের বউ কেঁদে কেঁদে বেহুশ হয়ে পরে আছে। প্রতিবেশী কয়েকজন মহিলা গিয়ে মাথায় পানি ঢালছে। যখনই একটু জ্ঞান ফিরছে তখনই আবার সেই কান্না। এমন বুকচেরা [বিস্তারিত আহুতি]
বছর খানেক হলো দেখা নেই। কথা নেই, শুনতে পায়না তার সুমধুর কন্ঠ অনেক দিন হলো। বুকের ভেতরটা তখন থেকেই খালিখালি লাগে। প্রদীপ জ্বলা নিভে গেছে চিরতরে। সূর্যমুখী মুখ স্মৃতির পাতায় এসে মাঝেমাঝে এসে হানা দেয়। টানতে থাকে, হাসতে থাকে, একাধারে কথা বলতে থাকে, আরও কতকিছু করতে থাকে। তখন বুকটা এতো সুখের ভিড়ে আরও বেশি করে [বিস্তারিত না ফেরার দিন]
স্বাধীনতা তুমি প্রথম সন্তান ধুসর বর্ণের মায়ের। স্বাধীনতা তুমি প্রথম খরচ বাবার প্রথম আয়ের। স্বাধীনতা তুমি প্রথম প্রহর পুত্রের প্রথম চাহনি। স্বাধীনতা তুমি প্রথম ডাকে কেড়ে নেওয়া আত্মজীবনী। স্বাধীনতা তুমি রাখাল বাঁশি কৃষকের বুক ভরা হাসি। স্বাধীনতা তুমি জেলের নিশি মাঝির রাত জাগা কাশি। স্বাধীনতা তুমি বাউলের গান আঁকাবাকা মেঠোপথ। স্বাধীনতা তুমি জসীমউদ্দীনের নকশীকাঁথার মাঠ। [বিস্তারিত স্বাধীনতা তুমি]
ও নিজেও কবিতা লিখতে শুরু করলো – “ভালোবাসাবাসি” এসো ভালোবাসি দুজনে, স্বপ্নে হাঁটি গগনে। চলো স্বপ্ন বুনি, হাজার হাজার গোলাপ গুনি। এসো গান গাই, দক্ষিণা হাওয়ায় বেড়ায়। চলো হাঁটি প্রেম বাগানে, যেখানে তুমি আমি দু’জনে ” এসো কবিতা লিখি, প্রেমের শত শত কায়দা শিখি। চলো চিরকুট পড়ি, অজানা উদ্দেশ্যে দেয় পাড়ি। এসো ঘর বাঁধি, দুজনে [বিস্তারিত প্রেমে পড়ার সারমর্ম]
বাংলা ভাষা তুমি অক্ষয় কুমার দত্তের ভূগোল। বাংলা ভাষা তুমি ১৮৬০ সালে জন্ম গ্রহণ অক্ষয় কুমার বড়াল। বাংলা ভাষা তুমি নোয়াখালীর অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের কাঠ খড় কেরোসিন । বাংলা ভাষা তুমি অমিয় চক্রবর্তীর পদ্মভূষণ উপাধি, ঘরে ফেরার দিন। বাংলা ভাষা তুমি অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম। বাংলা ভাষা তুমি অতুলপ্রসাদ সেন বাংলা ভাষার কবিতার খাম। [বিস্তারিত আ-মরি বাংলা ভাষা]
দরজা লাগিয়েই বিছানায় গিয়ে শুয়ে পরলাম। আবার ডোরবেলের শব্দ। খুবই বিরক্ত হয়ে দরজা খুলেই বলতে শুরু করলাম, আপনাকেতো বলেছি সাদিয়া নামে কেউ থাকে না। কিরে খোকা? কি হয়েছে তোর? আম্মু তুমি!! কিছু হয়নি আম্মু। পরের দিন। আপনি আবার এসেছেন। বলেছিতো সাদিয়া নামে কেউ থাকে না। আপনি চলে যান। আম্মু এসে পরলে অঘটন ঘটে যাবে। হঠাৎ [বিস্তারিত সমাপ্ত গল্পের অসমাপ্ত পর্ব]