কী লিখব? কী লেখা যায়? রাতের বাতাসে কষ্টের কান্না। বাগানের সদ্য ফোটা কলি গুলো পাপড়ি মেলার আগেই ঝরে গেল।
ক্লাস বিরতির ফাঁকে শিক্ষক কমন রুমে বসে কিছু একটা করছিলাম। তখন জানতে পারলাম, উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলের ভয়াবহ দুর্ঘটনার কথা। ফেসবুকের পাতা জুড়ে প্রার্থনা। সবার মধ্যে ভয়, আতংক। আল্লাহ তুমি সবাইকে হেফাজতে রাখ। চোখের পাতা ভারি হয়ে আসলো। কিছুক্ষণ পর অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান ক্লাস ছিল। ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের দেখছিলাম আর ভাবছিলাম। মাইলস্টোন স্কুলের শিশুরা ওদের মতো উচ্ছাসিত ছিল। ছিল বন্ধুদের সাথে খুনসুটি রত। ছুটির পর বাড়ি ফেরার তাড়া। কিংবা বাসায় ফেরার পথে মায়ের কাছে পছন্দের ফ্লেভারের আইসক্রিম খাওয়ার বায়না। কেউবা চটপটি, ফুসকা খেয়ে বাড়ি ফিরতো। এক নিমিষেই ওদের স্বপ্ন ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেল। কাল থেকে ওদের প্রিয় ক্যাম্পাসে , আর ওরা ফিরবে না। ওদের কলকাকলিতে মুখরিত হবে না স্কুল আঙিনা।
অনেক ক্ষণ কাগজ কলম নিয়ে বসে ছিলাম কিছু একটা লিখব বলে। কী সব লিখলাম। এলোমেলো ভাবনা। বুকের ভেতর জমাট বাঁধা চাপা কান্না। বার বার চোখের সামনে ভেসে আসছে কত শিশুর মুখচ্ছবি।
৪টি মন্তব্য
মাছুম হাবিবী
কী লিখবো বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি😭
হালিমা আক্তার
বাকরুদ্ধ হওয়ার মতোই ঘটনা। যদিও দূর্ঘটনায় কারো কিছু করার থাকে না। ধন্যবাদ ও শুভকামনা।
মনির হোসেন মমি
দূর্ঘগটাটি অস্বাভাবিক নয় স্বাভাবিক।তবে ছোট ছোট বাচাচাগুলোর জন্য কান্না আসে।আমাদের পাপের মাসুল ওরা দিলো।
হালিমা আক্তার
দূর্ঘটনা ঘটতেই পারে। শিশু বাচ্চা গুলোর জন্য কষ্ট হচ্ছিল। আল্লাহ সবাইকে হেফাজতে রাখুন। ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো।