নস্টালজিয়া

দৃশ্য থেকে দৃশ্যান্তরে যাতায়াত শুধু
সময় মিশে যায় মহাকাল স্রোতে
এভাবেই বদলে যায় দৃশ্যপট
রূপান্তরের পালে দোলা দিয়ে যায়
কিছু স্মৃতিভারাতুর দীর্ঘশ্বাস।
কেউ জানেনা কোথায় পথের শেষ………

মনে পড়ে
লেবু-গন্ধী উদাস-অলস দুপুরগুলো
সৌরভে বিভোর রমণীয় প্রজাপতি মেলা
লাল ফড়িংয়েরা বাতাসের গায়ে ডানা মেলে দিলে
হাওয়ায়
হাওয়ায়
কেমন মদালসা সুরের কাঁপন বেজে যেতো

থোকা থোকা রুধির-পুষ্পিত কৃষ্ণচূড়াটি
ঝিরি ঝিরি পাতায় আর রক্ত-রাঙা ফুলে ঢেউ তুলে
মধুৎসবের বারতা দিয়ে যেতো,’ফাগুন এসেছে’;
লাল পাপড়ির কার্পেটে পা ডোবানো বিকেলগুলো নেই।
এখানে পাথুরে অহংকারের এক বিলাসী ভবন আছে
বারান্দায় বাহারি বেতের চেয়ার
বৈকালিক চায়ের আড্ডা
ল’ভলিউমে রবীন্দ্র-বাণী,
“এ পথে আমি-যে গেছি বার বার,ভুলিনি তো এক দিনও।”

মোট পড়েছেনঃ ১,০৮১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৯টি মন্তব্য

  1. লাল পাপড়ির
    কার্পেটে পা ডোবানো বিকেলগুলোকে মিস করি আপু।
    চমতকার লিখেছেন । রুধির শব্দটি এই প্রথম শুনলাম। অর্থ বুঝিনি ।

  2. আপনি কেমন করে জানি ছুয়ে-যাওয়া লেখা লিখে ফেলেন সহজাত অনুভবের জায়গা থেকে ,
    তা অনেক বার পড়েও পড়া না হওয়ার দন্যতায় পেয়ে বসে।
    নস্টালজিক হওয়ার মতই হয়েই পড়লাম ।

    অগুনিত শ্রদ্ধা জানাচ্ছি আপনাকে ।

  3. মধুৎসবের বারতা দিয়ে যেতো,’ফাগুন এসেছে’;
    লাল পাপড়ির কার্পেটে পা ডোবানো বিকেলগুলো নেই।
    এখানে পাথুরে অহংকারের এক বিলাসী ভবন আছে——
    —সুন্দর এই কথাগুলো যেন আমার হৃদয়ে রিলিক তুলেছে বেদনাময় ঝড়ের।।

  4. চমৎকার।

    কবিতা পড়তে পড়তে কেন যেন মনে পড়ে গেল

    কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও
    তারি রথ নিত্ত উধাও,
    জাগিছে অন্তরিক্ষে হৃদয় স্পন্দন মম

  5. রুদ্ধতায় রোধীবে সাধ্য এমন কার
    সোনেলা যাত্রায় এমন সাথীকে ,
    ছায়াতলে যে ক্ষণে ক্ষণে সারাক্ষণ ।

    আপনার লেখার অপেক্ষায় থাকি ।

মন্তব্য করুন