যান্ত্রিক জীবন

ইট পাথর সিমেন্টে ঘেরা শহরে

মানুষগুলি যন্ত্রের মতো করে

অবিরাম ছুটে চলে।

পাশে থাকা

মানুষটার খোঁজ নেওয়ার

সময় নেই তাঁর হাতে,

দূরের স্বজনের

খবর নিবে কিভাবে।

সূর্যোদয় এর সাথে ছুটে চলে

ঘড়ির কাঁটা।

দিন শেষে সন্ধ্যায়

কর্ম ক্লান্ত দেহে বাড়ি ফেরা,

বাসায় প্রিয়জনের মন রক্ষা

সময়ের প্রয়োজনে যায় না রাখা।

মগজে বাসা বাঁধে

আগামীর দাপ্তরিক বার্তা,

আজ কোন কাজ হয়নি

কাল কী করতে হবে

কীভাবে করতে হবে।

হাজারো ভাবনায়

মগজের সাথে মননের

হয়না একসাথে বসা,

সম্পর্কের ভাঁজে থাকা

প্রিয়জন , ব্যস্ততার

আবরণে পড়ে যায় ঢাকা।

ধূসর ধুলায় ধোঁয়াসিত জীবন

দূরত্বের পরে দূরত্বে

কেঁটে যায় সুতোর বাঁধন,

মনের বুননে হয়না

বেণী বাঁধা।

এভাবে একে একে

কেটে যায় বেলা,

সময় হয়না

নিজের খবর নেওয়ার।

মোট পড়েছেনঃ ৮৬৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১২টি মন্তব্য

  1. কি সুন্দর লিখেছেন আপু অল্প কথায়। আগামীর দাপ্তরিক বার্তা আমাদের বর্তমানকে ও কুক্ষিগত করে রাখে এটা কতটা প্রাসঙ্গিক এখনকার সময়ে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
    এই এক লাইনেই মহাকাব্য লুকিয়ে আছে।

  2. সম্পর্কের ভাঁজে থাকা
    প্রিয়য়জন , ব্যাস্ততার
    আবরণে পড়ে যায় ঢাকা।
    চমৎকার এক ভাবনার উপলব্ধিকর প্রকাশ কবি আপু ভাল থাকবেন

  3. ব্যস্ততা, সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে নিরন্তর ছুটে চলা মানুষ গুলো হয়তো গতি পায় কিন্তু হারিয়ে ফেলে নিজের একান্ত অনুভূতি, কখনো বা প্রিয়জন। যখন থেমে যায়, গতিধীর হয় তখন অনেকের পাশে কেউ থাকে না। একদিন চরম ব্যস্ততায়/অবহেলায় যাকে ফেলে এসেছিলো তার কাছে ফেরার উপায়ও বন্ধ হয়ে যায়।

    লেখাটি আরও কিছুবার পড়তে হবে। অনেক জায়গায় টাইপ মিস করেছে।

    অবিরাম ছুটে চলে।
    পশে থাকা
    মানুষটার খোঁজ নেওয়ার..

    দূরে, স্বজন, নিবে, প্রিয়জন, ব্যস্ততা।

মন্তব্য করুন