ছাঁচ না মানুষ

 

তোমাকে ছুঁয়ে দিতে নিশ্বাসে পাড়ি দেই শত ক্রোশ!
কথা দিচ্ছি আসবো,
যদি খুলতে পারি শেকলের আগল,
প্রোথিত বিশ্বাস।
এনোনা; অপেক্ষায় ক্লান্তি,
শুধু চোখে নয় একাত্মতায় ও হয় শুভদৃষ্টি!
সিগনেচারে বিকোতে পারিনি হীরক শরীর!
আমার কাছে জাত হারামি কিংবা ধূর্ত শেয়াল মনে হয় ওদের।
যাদের হাতগুলো ঈগলের নখ আর হায়েনার মতো চোখ।
দ্বিখণ্ডিত স্বত্বা চূর্ণ হয় বারবার!
কোথায় সমর্পিত হবে দলাপাকানো দুঃখগুলো আমি হবো নির্ভার?
ধমনীগুলো ছিঁড়ে খায়,
ভালোলাগা বাজু বন্ধি হতে না পারার রিনরিনে যন্ত্রণা!
হোঁচট খেয়ে জেনেছি,
পাথরের সাথে মানুষের সন্ধি হয়না।
সর্বত্র দেখি বিপরীতমুখী পাথর, তোমাতে দেখেছি মন, সেই থেকে চোখদুটো বিভোর!
আমি আসবো ভাঙা শার্সিটার ফাঁক গলে বৃষ্টির ছাঁট হয়ে,
মাছরাঙা ঠোঁটে পুরে নিতে তোমাকে!
কিন্তু একটা প্রশ্নের উত্তর যদি মিলে যায়,
কাকে খোঁজ তুমি? আমার মধ্যে আমিকে নাকি আমার ছাঁচে পর্তুলিকাকে?
নাকি অরণ্যে হারানো রাজকন্যাকে?

মোট পড়েছেনঃ ৮১১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৭টি মন্তব্য

  1. যদি সে আমার হয়। আমার আমিকে ই খুঁজে সে। মনের আলিঙ্গন পেতে ফেলে যেতে পারি হীরক পাথর। অসাধারণ উপমায় সজ্জিত কাব্য।

  2. অরণ্যের রাজকন্যা বানানোর জন্য দায়ী তো সেই ই। তাহলে তাকে খুঁজে লাভ কি? দু:খ সমর্পিত করে নির্ভার হবার মতো মানুষ আজকাল কম। শুধুই যেহেতু নখরযুক্ত হায়েনার আনাগোনা তাহলে রিনরিনে যন্ত্রণারা থাকুক নিজের হয়ে।।
    অসাধারন কবিতার অযোগ্য মন্তব্যে আমারও যন্ত্রনারা বড্ড রিনরিনে ব্যথা দেয় কবি!!!!!শুভ কামনা অশেষ!!!

  3. এ যেন নিশ্চুপ আত্মকথন…..
    থাকুকু আমৃত্যু কিছু দহন।
    আমার জোড়া চোখ ঝরাক যত আগুনের ফুলকি!
    নিভৃত পল্লীতে বেঁচে থাকুক আমার/আমাদের বেঁচে থাকার আহুতি……

  4. পাথরের সাথে মানুষের সন্ধি হয়না
    থাকে দেশী-বিদেশী দুষ্টেরা,
    আগুন ধরা রঙ্গিন বেলুন জ্বলতে থাকে;
    তারপর ও
    পৃথিবীর শেষ সায়াহ্নের শোরগোলে
    চেঁচিয়ে উঠবো নির্ঝরের চন্দ্রোদয় দেখে,
    হুররা বলে।

মন্তব্য করুন