আমার গাঁয়ে

আমার গাঁয়ের মেঠো পথ আজও
ডাকে দিয়ে হাতছানি,
যেথা আছে মিশে সবুজের ক্রোড়ে
মায়ের বদনখানি।

ঝোপ ঝাড়ে হাসে কলমী ধুতুরা
পাখালিরা গায় গান,
পত্র দুলায়ে বায়ু করে সদা
খুশিতে পাকুড় দান।

বরষায় ফুটে শাপলা শালুক
ভরে যায় মাছে বিল,
বতরে বতরে জেগে থাকে মাঠে
ফসলের সারে দিল।

গোধুলী বেলায় ক্যাচ ক্যাচি সুরে
গরু মহিষের গাড়ি,
ব্যাকুলে সাজায় ধুলে দিয়ে মেঘ
অস্তাচলের বাড়ি।

ভাবী ননদিনী গাগরীতে সেচে
গড়ে সবজির ক্ষেত,
সাঁঝের পিদিম জোনাকিরা জ্বালে
তাড়াতে চুন্নী প্রেত।

উৎসর্গঃ প্রয়াত ব্লগার ‘আরজু মুক্তা’ র প্রতি।

ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৮৬৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৯টি মন্তব্য

  1. গাঁয়ের শৈশবের স্মৃতির অপূর্ব প্রকাশ — ভাবী ননদিনী গাগরীতে সেচে
    গড়ে সবজির ক্ষেত,
    সাঁঝের পিদিম জোনাকিরা জ্বালে
    তাড়াতে চুন্নী প্রেত।

    1. মন্তব্যে ভীষণ অনুপ্রাণিত হলাম।
      আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন সতত।
      সুস্থ থাকুন খুব ভালো থাকুন নিরাপদে থাকুন।

  2. প্রকৃতিকে একদম ঢেলে সাজিয়েছেন। মা শা আল্লাহ।
    গাঁয়ের মেঠোপথে হাঁটতে ভালই লাগে।কিন্তু আমার সুযোগ খুব ই কম। চমৎকার উপস্থাপন করেছেন।
    আন্তরিক ধন্যবাদ। ভালো সুস্থ থাকুন শুভ কামনা সব সময়।

  3. প্রকৃতির সৌন্দর্য দারুন ভাবে তুলে ধরলেন। আরজু আপুকে উৎসর্গ করে কবিতার ভালোলাগা আরো বহুগুনে বাড়িয়ে দিলেন। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন

মন্তব্য করুন