নিঃসন্দেহে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেইসবুক সবার শীর্ষে তবে কারো দ্বিমত থাকলেও থাকতে পারে । এখন ফেইসবুক দেশ জাতি বিশ্বকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে । আবার এটাও অনস্বীকার্য ফেইসবুকে কিছু অশালীন, কাল্পনিক, ধর্মীয় বা জাতিগত উসকানিমূলক কল্পকাহিনীও মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় । যা মানুষের হিংসা বিআমরা যদি এর ভালো দিকটার দিকে তাকাই তাহলে আমাদের পারস্প্রিক যোগাযোগ, তথ্য আদান প্রদান , শিক্ষামুল্ক , বিনোদনমূলক ,শিল্প সাহিত্য আর সংস্কৃতিকে এক ছাতার নীচে নিয়ে এসেছে ।
বিভিন্ন স্ট্যাটাসের মাধ্যমে পারস্প্রিক মন্তব্য , খোঁচা মারা , টিপ্পনী কাঁটা অনেক কিছুই হচ্ছে । প্রত্যন্ত অঞ্চলের বা শহরের কিছু বিকৃত রুচির মানুষের নিষ্ঠুর আচরণ । দায়িত্ববান লোকের দায়িত্বে অবহেলা । ক্ষমতার অপব্যবহার । মানুষের দুর্ভোগ । মানুষের প্রতি মানুষের অমানবিক আচরণ সহ অনেক কিছুই ফেইসবুকের কল্যাণে মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে । অনেক ক্ষেত্রেই এসব অনাচারের সুরাহা হয়েছে । সুষ্ঠু বিচার হয়েছে ।
ফেইসবুকের মতো ভার্চুয়াল জগতে সবাই যে কোন অন্যায় , অস্বাভাবিক মৃত্যু বা ঘটনার জন্য সোচ্চার হয় । মতামত দেয় । একেবারে একাট্টা হয়ে যায় । জিহাদ , তনু , মিতু হত্যা সহ অনেক অস্বাভাবিক ঘটনায় বলা যায় ভার্চুয়াল বিপ্লব হয়ে গেছে কিন্তু রিয়েল জগতে , মানবিক বা আসল জগতে আমরা ততটা সোচ্চার বা কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারিনি ।
ফেইসবুক এখন মানুষের কাছে নেশা বা মাদকের মতো হয়ে গেছে । মানুষের একটা বিরাট সময় ফেইসবুক নিয়ে যাচ্ছে হয়তবা এ সময়টা প্রার্থনা , দাপ্তরিক বা শ্রমের জন্য , বা লেখা পড়ায় ব্যয় হতো । কিশোর থেকে বুড়ো কেউই যেন এ নেশার বাইরে নয় । আমাদের সন্তানদের বিশেষ স্কুল , কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের প্রায়শ মাথা নিচু করে হাটতে দেখা যায় । মুরুব্বীরা মনে মনে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে আর ভাবে আজকালকার ছেলে মেয়েরা কত ভালো ! মুরুব্বীদের সামনে মাথা নিচু করে হাটে কিন্তু তাঁরা তো স্মার্ট ফোনের স্ক্রিনে চোখ রেখে হাটে বলে মাথা উঁচু করে হাটতে পাভালো মন্দ মিলিয়ে ফেইসবুক আমাদের জীবনের একটা অনুষঙ্গ হয়ে গেছে ।ফেইসবুক ছাড়া যেন আমরা মুহূর্তের জন্য অচল ।
সময়োপযোগী পোস্ট! তো এখন কী বলবো? ফেসবুক জিন্দাবাদ বলবো, না-কি ফেসবুক নিপাত যাক বলবো? তবে হ্যাঁ আমি ফেসবুক নিপাত যাক, এটা বলতে চাই না, দাদা। আমি বলবো, এই আধুনিক যুগে ফেসবুক নির্মাতা মার্ক জাকারবার্গ যেই উদ্দেশ্য নিয়ে ফেসবুক তৈরি করেছে, আমরা যেন সম্মানিত ব্যক্তি মার্ক জাকারবার্গের সেই উদ্দেশ্য সফল করতে পারি এবং সুন্দরভাবে সুন্দর মনে ফেসবুক ব্যবহার করতে পারি।
দাদা আপনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সঠিক কথা বলেছেন —“এই আধুনিক যুগে ফেসবুক নির্মাতা মার্ক জাকারবার্গ যেই উদ্দেশ্য নিয়ে ফেসবুক তৈরি করেছে, আমরা যেন সম্মানিত ব্যক্তি মার্ক জাকারবার্গের সেই উদ্দেশ্য সফল করতে পারি এবং সুন্দরভাবে সুন্দর মনে ফেসবুক ব্যবহার করতে পারি”। আসলে মূল সমস্যাটা সেখানেই। ভালো মহৎ এবং সুন্দর কাজে ফেইসবুক ব্যবহৃত হোক সেটাই প্রত্যাশা। ধন্যবাদ দাদা।
সুন্দর কথাবলেছেন আলম দা অনেক শুভেচ্ছা রইল
ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমরা খারাপটাকেই সহজে গ্রহণ করি । ফেসবুকের ভালো দিক অনেক আছে কিন্তু আমরা সেই জাতি যারা অন্যের সমালোচনা, খারাপ দিকটাই হাইলাইট করি বা খুঁজি। অজস্র বিকৃত রুচির খোঁজ এখানেই পাবেন। অবশ্যই ফেসবুক যোগাযোগ মাধ্যমের শীর্ষে আছে আমরা সেটাকে যাচ্ছেতাই ভাবে উপস্থাপন, ব্যবহার করছি। খুব সুন্দর পোস্ট। অবিরাম শুভ কামনা
একমত দিদি — ফেসবুকের ভালো দিক অনেক আছে কিন্তু আমরা সেই জাতি যারা অন্যের সমালোচনা, খারাপ দিকটাই হাইলাইট করি বা খুঁজি। অজস্র বিকৃত রুচির খোঁজ এখানেই পাবেন। আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
একটা সময়ে ফেবুর টাইমলাইটে কেবল সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার্থে বন্ধুদের নোটিফিকেসন আসতো।তখন বন্ধুত্বে গভীরতা ছিলো।আর এখন ফেবু দুনিয়ার সব কিছুই ঘটে রটে বটে ।।কিছুই বলার নাই শুধু বলবো সাবধানতা অবলম্ভন করা।
সুন্দর লেখা।
আপনার সঙ্গে একমত —“কিছুই বলার নাই শুধু বলবো সাবধানতা অবলম্ভন করা”। আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
ভালো মন্দ দুটোই আছে ফেসবুকে। কে কোনটা গ্রহণ করবে সেটা যারযার মানসিকতার উপর নির্ভরশীল।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক অনন্যসাধারণ ভূমিকা রাখে। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের উচিত এই মাধম্যটিতে নিজেদের সুস্থ সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা।
শুভ কামনা 🌹🌹
আপনার যুক্তিপূর্ণ মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ — সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক অনন্যসাধারণ ভূমিকা রাখে। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের উচিত এই মাধম্যটিতে নিজেদের সুস্থ সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা।
যা ঘটে তার দুই এফেক্ট আছে।
ভালো গ্রহণ করি মন্দত্যাগ করি
আর মন্দ।প্রতিরোত করার জন্য আইনের লোক নাকে তেল দিয়ে ঘুমালে কিছুই করারব বলার নাই চুপ থাকাই ভালো।
“যা ঘটে তার দুই এফেক্ট আছে।
ভালো গ্রহণ করি মন্দত্যাগ করি” — আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
সবারি উচিত ভালোটাকে গ্রহণ করা।
শুভ সকাল।
শুভ কামনা
” সবারি উচিত ভালোটাকে গ্রহণ করা”। হ্যাঁ আপা এটাই হওয়া উচিৎ । ধন্যবাদ।
খারাপ ব্যবহারের জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। তবে উদ্দেশ্য খারাপ নয় তাই আমাদেরও উচিত সঠিকটাই ব্যবহার করা। শুভ কামনা রইলো।
সঠিক বলেছেন — “খারাপ ব্যবহারের জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী”। মতামতের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
সঠিক বলেছেন — “খারাপ ব্যবহারের জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী”। মতামতের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
ছুরি দিয়ে ডাক্তার জীবন বাঁচান, ডাকাত প্রাণ নেয়।
কোথায় কে কী-ভাবে কোথায় চালাবে সেটাই বিচার্য।
ভাইয়া খুব চমৎকার যুক্তি দিয়েছেন। আসলেই — “ছুরি দিয়ে ডাক্তার জীবন বাঁচান, ডাকাত প্রাণ নেয়।
কোথায় কে কী-ভাবে কোথায় চালাবে সেটাই বিচার্য”। ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য। শুভ কামনা রইল।
সবকিছুরই ভালো-মন্দ দুইটা দিক থাকে। ফেসবুক তার ব্যতিক্রম নয়। সময়ের প্রেক্ষাপটে ফেসবুকে অপরিহার্য একটি অংশ। ফেসবুক বাদ দেয়া বা অস্বীকার করা মানে সময়ের একটি অংশকে বাদ রেখে চলা। আমাদেরকে ভালোটা গ্রহণ করতে হবে খারাপ অংশটুকু বাদ দিতে হবে। শুভ কামনা রইলো।
আপা সঠিক বলেছেন — “ফেসবুক বাদ দেয়া বা অস্বীকার করা মানে সময়ের একটি অংশকে বাদ রেখে চলা। আমাদেরকে ভালোটা গ্রহণ করতে হবে খারাপ অংশটুকু বাদ দিতে হবে”। সুস্থ আর ভালো থাকবেন।
ফেসবুক মানে অনেক ভীড়ের মাঝেও আমি একা।।
আজকালকার বাচ্চারা অতিরিক্ত ফোন এডেক্টেড যেমন তেমন আমরা অভিভাকরাও কম না। গল্প আড্ডায় বসলে ফোনটা বার বার হাতে নিবই।
আমি তো কিশোরদের সামনে দিয়ে হাঁটতেও ইদানিং জড়তা অনুভব করি।
ওরা মাথা নীচু করে বুদ হয়ে জটলা পেকে কি যে দেখে!
ঠিক বলেছেন — “ওরা মাথা নীচু করে বুদ হয়ে জটলা পেকে কি যে দেখে” । আমাদের বাসার সামনের গলিতে সারাদিন কিশোর যুবকরা স্মার্ট ফোন নিয়ে পড়ে আছে। মনে হয় তাদের আর কোনো কাজকর্ম নেই। আপা যুক্তিপূর্ণ মতামতের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। শুভ কামনা নিরন্তর।