ধর্ম বর্ণে উর্ধে আমি মানুষ

মানুষ মানুষের জন্য
মানবতা হউক প্রধান ধর্ম
ধর্ম যেখানে প্রতিবন্ধকতা
মানবতা;
সেখানে নির্বিগ্নে চলা।

মরলে দেহ ভষ্ম ছাইঁ হবে
লাশের কী দাম শুয়ালে কবরে
পাপ পূর্ণ্যের বিচার হবে কোন কালে!
দুনিয়ায় বসে,
তুমি আমি বুঝিবো কেমনে ?

দুনিয়ায় থাকতে প্রান
করবে না এতো হিসাব
মানুষ মানুষে করো সন্মান
আজকে মরলে কালকে হবো
তুমি আমি চির প্রস্থান।

যখন দেহ থেকে আত্মার হয় বিদায়
তখন দেহের কী দাম আছে বলো না আমায়!
সাড় কঙ্কালে চিনবে কী কে তুমি?
লিঙ্গের বেদাভেদ;
কোনটা হিন্দু আর কোনটা মুসলমান!

ধর্মের চাল চলন ধর্ম মতে ভিন্নতা
সব মানুষের সৃষ্টিকর্তা কিন্তু এক ও অভিন্নতা
জন্ম নিয়ে পরিচয় মিলল ধর্ম তোমার কোনটা
ভাবো এবার দোষ কী তোমার
স্রষ্টাই যখন মুল ফেক্টটা।

স্বর্গ নরক বলে যদি থাকে কিছু
তা লোকায়িত মানুষের কৃতকর্মে
ভাল কর্মে তুমি দু’জগতে হবে চির অম্লাণ
মন্দে তুমি পড়বে ঘৃণার ডাষ্টবিনে।

ধর্ম আগে না মানুষ আগে
মানুষ বড় না ধর্ম বড়
করিওনা অতো বাড়াবাড়ি
মানুষের জন্যই ধর্মের জন্ম
তাই মানুষের আমি পূঁজারী।

———————————————————————–
ছবি:বড় আপুর ফেবুক ওয়াল থেকে নেয়া।

মোট পড়েছেনঃ ৯০৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৯টি মন্তব্য

  1. ধর্ম সম্যক জ্ঞ্যান আমার নায়
    ধর্মবাদে মানুষ নায় আবার মানুষ বাদে ধর্মের কি সুর!
    ধর্ম কি করেছে বিভেদ! না মানুষ করছে বিভেদ!
    নিজেই জানিনা ধর্মকানুন, নিজেও বুঝিনা মানুষ ধর্ম। মানুষ ধর্ম কছুই নায়।
    ধর্ম থেকেই মানুষ নিতিবাক্য আহরিত, ন্যায় অন্যায়ে বিলায়। সেখানে ধর্মের শাস্তি ধর্ম স্রষ্টা দেবে জানিও কোনক্ষন।
    ধর্ম মানুষের স্রষ্টা একই জানিও।

  2. আমি মানুষ এটাই আমার পরিচয়।
    মানবতা আমার ধর্ম।
    অতএব ধর্মে, বর্ণে, উর্ধে মানুষ।
    .
    ধর্ম শান্তির কথা বলে,শান্তির বার্তা বহন করে।
    .
    যখন দেহ থেকে আত্মার হয় বিদায়
    তখন দেহের কী দাম আছে বলো না আমায়!
    সাড় কঙ্কালে চিনবে কী কে তুমি?
    লিঙ্গের বেদাভেদ;
    কোনটা হিন্দু আর কোনটা মুসলমান!
    এটাই তো মূলকথা। আমরা তো মরি ধর্ম গেলো ধর্ম গেলো বলে। কিন্তু যারযার ধর্ম শান্তির কথা বলে যায়।
    আর এ শান্তিকে আমরা অশান্তি করে তুলি।
    .
    যথার্থ প্রকাশ, দাদা।
    ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে।

  3. ভাইয়া অসাধারণ লেগেছে। ধর্ম মানুষ সৃষ্টি করেনি, সৃষ্টিকর্তা আমাদের পাঠিয়েছেন ধরণীতে । মানুষ সুশৃঙ্খল, সুস্থ, সুন্দর জীবন যাপনের জন্য ধর্মকে তৈরি করেছে। যখন প্রথম মানুষ পৃথিবীতে এসেছিলো তখন কোনো জাত-পাত, ধর্ম, বৈষম্য, ভেদাভেদ ছিলোনা। আর এখন ধর্মের নামে কত শত অরাজকতা সৃষ্টি হচ্ছে।ধর্মকে নিজেদের স্বার্থে একদল ব্যবহার করছে। মানবধর্মই আসল কর্ম, ধর্ম। ভালো থাকুন নিরাপদে থাকুন শুভকামনা অবিরাম

  4. ধর্ম আগে না মানুষ আগে
    মানুষ বড় না ধর্ম বড়
    করিওনা অতো বাড়াবাড়ি
    মানুষের জন্যই ধর্মের জন্ম
    তাই মানুষের আমি পূঁজারী।… সুন্দর বলেছেন ভাইয়া

  5. বাহিরে কেবল সাদা আর কালো। ভিতরে সবারি একি রাঙা।
    ধর্ম শান্তির পথ দেখায়। বিভীষিকার নয়।
    ব্যবসা তো দূরের। মানুষ কেনো যে বোঝে না।
    দারুণ বিশ্লেষণ। শুভ কামনা ভাই

  6. সব ধর্ম তৈরী হয়েছে মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য। হিংস্র, মানবতা হীন ধর্ম মানুষকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়।
    অস্থি-কংকাল দেখে ধর্ম, লিংঙ্গ, অবস্থান কিছুই বোঝা যায় না, তবুও আমরা এসব নিয়েই জীবন পাড় করি।

  7. ধর্ম কি কখনো বিভেদ করিয়াছে ‌। বিভেদ সৃষ্টি করেছে মানুষ। ধর্ম কখনো করেনি মানুষের অপমান অসম্মান।যত হানাহানি, মারামারি, কাটাকাটি মানুষ করিয়াছে ধর্মকে সামনে আনি। শুভকামনা।

    1. বিভেদ সৃষ্টি তখনিই হয় যখন কারন এসে সামনে দাড়ায়।ধর্মের প্রকারভেদে মানুষ অমানুষে রূপ নিয়েছে।যার যার ধর্ম তার তার কাছে বড় এই অহমিকা মানুষকে উম্মাদ করে তুলে অথচ মানুষ ভাবে না অসংখ্য ধর্মের ভীরে সে কেবলি মানুষ।মানুষ হিসাবে মানুষ মানুষের মনে ভাবনা জাগাতে পারলে এ জগৎতের চেয়ে শান্তি প্রিয় জগৎ আর কোন জগৎই হতো না।

      চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  8. সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। যতদিন বাঁচি এই বিশ্বাসকে সাথী করেই এগিয়ে যেতে চাই। লেখার প্রতিটি বাক্য মন ছুঁয়ে গেলো ভাই।

    শুভকামনা রইলো।

মন্তব্য করুন