মাল্যবরণহীন।

আমি স্বর্গোদ্যানের পারিজাতের সুগন্ধি মাখতে চেয়েছিলাম।
হতে চেয়েছিলাম সে স্বর্গোদ্যানের মালিনী।
তা আর হয়নি।

মাল্যবরণহীন হয়ে ফেরা ছাড়া আমার আর কিছুই হয়নি।
হেমন্তের মাঠ জুড়ে ইরিধানের সুধাময় গন্ধ,যে গন্ধ আমায় উন্মাদ করে তোলে।
সে গন্ধে জমেছে ধুলো।
আর এ ধুলোময় গন্ধ জুড়ে তোমার অবাধ কারফিউ।

প্রতিরূপে তোমাকে যতবার সাজাই তখন নিজেকে হিম শীতল মনে হয়।
নদীকে সাক্ষী রেখে যে রাতে তোমার সিঁথিতে দিয়েছিলাম সিঁদুর তা শুধু রক্তলাল।
সে রাতে সাক্ষী ছিলো হিমাচলের পূর্ণচন্দ্র পূর্ণিমার আলোকিত ষোড়শী।
এতকিছু সাক্ষী থেকে যায় অগোচরে।

ধোঁয়াশায় ঢাকা জীবনের হৃদয় জুড়ে শুধু ক্ষত তা তোমার শুশ্রূষা পাওয়া আশায়।
অভিসারের রাতে যুগল পদ্ম গ্রন্থি বেঁধেছিলো আবির রাঙা রাস উৎসবে।

আমরা সেই রাতে রঙ মাখতে গিয়ে অজানায় হারিয়ে যাই। অনুভবে তোমায় ভালোবাসা ছাড়া আমার আর কিছুই দেয়া হয়নি।

আমি অনন্তকাল অমৃতমন্থনে চরণামৃতের মতো করে সুধা পিব, প্রিয়!
তুমি হৃদয়পললের নরম মৃত্তিকায় ঈশ্বর রূপে আমায় চক্ষুদানে দৃষ্টিভরা মহামায়াময় জগৎ দেখাও।

মোট পড়েছেনঃ ৮৫০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. সেই রাতের রঙ এর স্মৃতি বহন করে
    অনন্তকাল অমৃত মন্থনে চরণামৃত মতো করে সুধা পান অবশ্যই সম্ভব।

    কবিতা অনেক ভালো লেগেছে।
    শুভ কামনা।

  2. ‘হতে ছিলাম ‘ কবিতার দ্বিতীয় লাইনের এটা বুঝিনি। প্রকৃতির সাথে আপনার কাব্যকথন দারুন লাগে। চমৎকার কবিতা। অমৃত সুধা পান করুন , প্রিয় মহামায়াময় জগৎ দেখাক এই শুভ কামনা রইলো। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন

মন্তব্য করুন