অপেক্ষার শেষ প্রহর

 

কেউ বলেছিল আসবে;
বলেছিল জান অপেক্ষা করো,
দেখো তোমার অপেক্ষার শেষ প্রহর-
শেষ হবার আগেই ফিরে আসবো তোমার কাছে।
সেই থেকে শুরু হলো আমার অপেক্ষার পালা,
সেই থেকে আমি এখনো অপেক্ষারত,
অপেক্ষা করতে করতে এখন আমি ক্লান্ত শ্রান্ত অবসন্ন!

কেউ বলেছিল ফোন করবে;
সময় বেঁধে দিয়েছিল,
বলেছিল ঠিক ঐ সময়ই ফোন করবো
ফোনের কাছেই থেকো কিন্তু…
সেই থেকে একটা ফোন কলের অপেক্ষায়-
অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে শত সহস্র সেকেন্ড মিনিট ঘন্টা
উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল আগ্ৰহ নিয়ে বসে আছি ফোনের সামনে!
সেই থেকে স্থির তাকিয়ে আছি ফোনের স্ক্রিনে,
একটা মুহূর্তের জন্যও চোখ সরাইনি,
একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে থাকতে এখন আমি অন্ধ!

মোট পড়েছেনঃ ১৭৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৩টি মন্তব্য

  1. কবিতাটি কি ছবিতে যে আপনি ওখানে দাড়িয়ে দাড়িয়েই লিখলেন।আপনার প্রতিটি লেখাই মনে হয় অবস্থানরত ভিন্ন ভিন্ন স্থানের।চমৎকার লিখেছেন।অপেক্ষা কেটে আসুক ভোরের আলো।

    1. হ্যাঁ ভাইয়া
      আমি যেখানে যাই সেখানেই কিছু না কিছু লেখার চেষ্টা করি। কখনো দু চার লাইন কখনো বা পুরো লেখাটায় লিখে ফেলি।

      আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ভাইয়া
      ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সবসময়

  2. লেখা মনে হয় ওখানেই লিখেছিল মমি ভাইয়া। অপেক্ষার প্রহর শেষ হোক, শুভ দিন আসুক মিলনে। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন শুভ কামনা রইলো অহর্নিশি

  3. আপু আমার লিখতে থাকে
    নদীর ধারে চৌকির পাশে
    শুধু দাঁড়িয়ে।
    অপেক্ষাতে দিন কেটে যায়
    দেয় না ফিরিয়ে।
    খুব ভাল লাগলো। শুভ কামনা।

  4. এমন করুণ অপেক্ষা কারো জীবনে না আসুক যাতে — একটা মুহূর্তের জন্যও চোখ সরাইনি,
    একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে থাকতে এখন আমি অন্ধ!
    ভালো থাকবেন। শুভ কামনা অফুরান।

  5. এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় বিরক্তিকর অসহ্য যন্ত্রণার নাম হলো, “অপেক্ষা”। অপেক্ষার অপেক্ষায় সবাই থাকতে পারে না। যেখানে অনেকেই ধৈর্যহারা হয়ে পড়ে। সেখানে হয়তো আপনিই ঠিকে আছেন। ধন্যবাদ অজস্র। সাথে শুভকামনাও থাকলো।

মন্তব্য করুন