দিনের আলো নিভে গিয়ে সন্ধ্যা ঘোনালো,
সন্ধ্যার আঁধার কেটে ফুটলো ভোরের আলো।
এমনি করেই কেটে গেলো/যাচ্ছে শত সহস্র বছর,
তবুও আলোক বর্তিকা হাতে তুমি আসোনি মোর দ্বারে।
আসোনি আঁধারের বুক চিরে একমুঠো আলো দিতে।

আমার চারপাশ জুড়ে খাঁ খাঁ করছে বৈশাখের তপ্ত দুপুর,
বিভৎস তাপদাহে জ্বলছে, জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে- যাচ্ছে আমার স্বপ্নীল সুখের নিবাস।
তবুও দখিনের দমকা সমীরন হয়ে আসোনি মোর ঘরে।
আসোনি তাপদাহের তীব্র দহনকে ছুঁয়ে সু-শীতল করতে।

অপেক্ষায় থাকা দু’চোখ জুড়ে অজস্র রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে,
ভয়াবহ যন্ত্রণায় বিদগ্ধ রেটিনা ক্রমে ক্রমে ঝাঁপসা হচ্ছে।
তবুও এ্যান্টি ভি.ই.জি.এফ (anti VEGF) হয়ে আসোনি মোর কাছে।
আসোনি বিদগ্ধ রেটিনার প্রতিষেধক হয়ে সু-চিকিৎসা করতে।

৭৫৬জন ৬৬৮জন

১৭টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন