ভয়াবহ যন্ত্রণায় বিদগ্ধ রেটিনা

 

দিনের আলো নিভে গিয়ে সন্ধ্যা ঘোনালো,
সন্ধ্যার আঁধার কেটে ফুটলো ভোরের আলো।
এমনি করেই কেটে গেলো/যাচ্ছে শত সহস্র বছর,
তবুও আলোক বর্তিকা হাতে তুমি আসোনি মোর দ্বারে।
আসোনি আঁধারের বুক চিরে একমুঠো আলো দিতে।

আমার চারপাশ জুড়ে খাঁ খাঁ করছে বৈশাখের তপ্ত দুপুর,
বিভৎস তাপদাহে জ্বলছে, জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে- যাচ্ছে আমার স্বপ্নীল সুখের নিবাস।
তবুও দখিনের দমকা সমীরন হয়ে আসোনি মোর ঘরে।
আসোনি তাপদাহের তীব্র দহনকে ছুঁয়ে সু-শীতল করতে।

অপেক্ষায় থাকা দু’চোখ জুড়ে অজস্র রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে,
ভয়াবহ যন্ত্রণায় বিদগ্ধ রেটিনা ক্রমে ক্রমে ঝাঁপসা হচ্ছে।
তবুও এ্যান্টি ভি.ই.জি.এফ (anti VEGF) হয়ে আসোনি মোর কাছে।
আসোনি বিদগ্ধ রেটিনার প্রতিষেধক হয়ে সু-চিকিৎসা করতে।

মোট পড়েছেনঃ ৭৭১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৭টি মন্তব্য

    1. হা হা হা হা হা
      পোড়া মুখো ডাক্তার
      যিনি দিনাজপুর থেকে এসে কিছুতেই চিকিৎসা করবেন না। তাই এই বিরহ
      আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ভাইয়া। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন

    1. আমার বিষন্ন বিষাদ চোখের তীব্র দহন চলছে। কিছুতেই চোখ খুলে রাখতে পারছি না
      আগের ব্যবস্থাপত্র হারিয়ে ফেলেছি। ডাক্তার কল করা হয়েছে কিন্তু উনি এখন কিছুতেই দিনাজপুর হতে আসিয়া আমার চক্ষুদ্বয়ের চিকিৎসা করিবেন না
      তারই বিরহে এই লেখা😰😰😰

  1. আমার চারপাশ জুড়ে খাঁ খাঁ করছে বৈশাখের তপ্ত দুপুর,
    বিভৎস তাপদাহে জ্বলছে, জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে- যাচ্ছে আমার স্বপ্নীল সুখের নিবাস।
    তবুও দখিনের দমকা সমীরন হয়ে আসোনি মোর ঘরে।
    আসোনি তাপদাহের তীব্র দহনকে ছুঁয়ে সু-শীতল করতে।

    আবারও মনকে নাড়া দিয়ে গেলেন আপু।

মন্তব্য করুন