চৈতন্যের দরজায় এখন কবিতার ঈশ্বর,
বর্ষনে উদ্যত ফণিল সৌরভ।
কবিতার প্রসবে দিও একটি উৎকৃষ্ট উতপ্রেক্ষা।
না হয় দিও তুমি উপমার ভান্ডার;
অনুপ্রাসে কিছুটা ভুল হয় হোক।
অন্যের কাছে যতটা দুর্বোধ্যই হোক,
রহস্যময় বিমূর্ততাও জ্যোতির্ময় সূর্য,
বহুরৈখিকতা সহজবোধ্য আমাদের কাছে।
অলংকার বা শব্দশৈলীর কথা ভেবোনা এখন,
তোমার বৈভবী অনুচর এই অনুপম প্রকৃতি;
ওরাই এঁকে দেবে সুনিপুণ চিত্রকল্প।
চলো প্রিয়তমা,এই পোয়াতি সন্ধ্যায়
কবিতার সঙ্গমে যায়,
এই বিদগ্ধ রাতে বাড়াই কবিতার উর্বরতা।
****
মোট পড়েছেনঃ ৭২১জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
চলো প্রিয়তমা,এই পোয়াতি সন্ধ্যায়
কবিতার সঙ্গমে যায়,
এই বিদগ্ধ রাতে বাড়াই কবিতার উর্বরতা।- সোনেলা কৃতজ্ঞ থাকবে আপনার কাছে। এমন প্রেমিক যে পায় সেতো সত্যিই সৌভাগ্যবতী। আপনার কবিতার আরো উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
চেষ্টা করছি। আশির্বাদ করুন, যেন কবিতা লেখায় সফল হই।
কবিরাই শুধু এমন উর্বরতা-সক্ষম, সীমিত সঙ্গম-সমরে,
রহস্যের বিমূর্ততা শুধুই মানানসই কবির কবিতাঙ্গনে।
আমার পরম সৌভাগ্য প্রতিদিন আপনার মন্তব্য/ সঙ্গ পাই।
আহা, বলেন কী!
আপনি যে কবি, যদিও তাদের আমি দ্যাক্তারিনা!
হেলাল ভাই এইডা কি কইলেন? মনে বড় দুখ পাইলাম। কবি হয়ে কবিরে দেখত্যে পারেন না-এইডা মানিনা , মানবো না।
বুঝছি হেলাল ভাই, এইজন্য আপনি কবিতা না লিখে একান্ত অনুভূতি লিখেন। হা হা হা
কবিরা কবিরা কথা বলে, কিছুই বুঝিনা অ-কবি হয়ে 🙁
ছাইরাছ হেলাল কবিতা ল্যাহে না একটাও 🙂
“চলো প্রিয়তমা,এই পোয়াতি সন্ধ্যায়
কবিতার সঙ্গমে যায়,
এই বিদগ্ধ রাতে বাড়াই কবিতার উর্বরতা।”
পোয়াতি সন্ধ্যায় কবিতার সঙ্গমে
বাড়ুক উর্বরতা কবির প্রাঙ্গনে।
ভাল লাগলো। শুভ কামনা।
আশির্বাদ করুন দাদা।
জয় হোক কবিতার । ক্ষয় হোক অন্যায়
ভালবাসা প্রিয়।
চলো প্রিয়তমা,এই পোয়াতি সন্ধ্যায়
কবিতার সঙ্গমে যায়,
এই বিদগ্ধ রাতে বাড়াই কবিতার উর্বরতা।
বাহ্!
বিদগ্ধ রাতে কবিতার উর্বরতা বাড়াতে কবি ও প্রিয়তমার তাল,লয়,সুর ও ছন্দের প্রয়য়োজন
হুম ঠিক বলেছেন দাদা। চেষ্টা করে যাই।
চৈতন্যের দরজায় এখন কবিতার ঈশ্বর,
বর্ষনে উদ্যত ফণিল সৌরভ।
শুভকামনা দাদা।
কবিতা সঙ্গমে গিয়ে কবিতা উৎপাদন করুন প্রচুর 🙂
শুভ কামনা।