চেয়ারম্যানের নাম নজর আলী মানবসেবায় নাই যে জুড়ি, তাহার পরেও পাই না দিশা কেমনে তাহার বিশাল ভুঁড়ি? হণ্যে হইয়া নামিলাম মাঠে সঙ্গে কয়েক ছোড়া আর ছুড়ি, যেমনেই হোক করিবো বাহির ভুঁড়ির পিছনের জারিজুরি। ঘাপটি মারিয়া রহিলাম বসিয়া জংলার ওই অন্ধকারে, হঠাৎ দেখি কিছু লোকে, নৌকাগুলায় কিযে ভরে। সহ্য করিয়া মশার কামড় করছি মোরা গোয়েন্দাগিরি, দেখিতে যদি পাইয়া যায় যাইবো না আর ঘরে ফিরি। হঠাৎ করে ওইতো দেখি আসিয়াছে নজর আলী, বসিলাম মোরা নড়ে চড়ে, সঙ্গে আছে রাঙ্গা শালী। হাঁকিয়া কহিলো কিরে মানিক, লাগবো আর কতক্ষণ, এইতো হুজুর মিনিট পাঁচেক চেয়ারটাতে একটু বন। এই যে শোন রহিম মিয়া খুরসি আমি গোয়ালঘর, ঠিকমত যদি না পারস রাখুম না আর তোগো ধড়। এত খাওয়ার দরকারটা কী না খাওয়া ওই গরীবগুলার, বুঝিয়া গেলাম কারণটা যে ওই বজ্জাতের পেটটা ফুলার। কত যে আছে এই দেশেতে গরীবের হক চোর, আশায় আছি দেখিবো আবার বাংলাদেশের নতুন ভোর।
মোট পড়েছেনঃ ১,০০২জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
এমন করেই এদের ভূড়ি দিন দিন বেড়েই চলেছে। ঠেকানো যাচ্ছে না কিছুতেই। আমরাও নতুন ভোরের আশায় রইলাম। ধন্যবাদ আপনাকে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন
ধন্যবাদ। আশায় মানুষ বাঁচে, তাইতো আশায় থাকি। ভাল থাকবেন।
আপনার লেখা প্রথম পড়লাম। বেশ ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ ভাই। ভালবাসা অফুরান।
সমসাময়িক বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে দারুণ লিখেছেন কবিতাটি। নজর আলীদের ভূড়ির রহস্য উদঘাটন করার জন্য গোয়েন্দা হতে হয় না। এমনি ই বোঝা যায়।
চমৎকার লিখেছেন
ধন্যবাদ। ভালবাসা অফুরান
মশার কামড় খেয়ে আর গোয়েন্দাগিরি করে চেয়ারম্যানের ভুড়ির রহস্য করেই বসে থাকতে আমাদের। সে তার ভুড়ি সহ কবরে যায়। এভাবেই চলছে।
শুভ কামনা, 🌹🌹
ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন
অনন্যসাধারণ লেখা। শুভেচ্ছা ।
ধন্যবাদ সুহৃদ। শুভ কামনা।
ভুড়ি বাড়ুক। তবে আমরা ভাল দিনের প্রত্যাশা করি।
ভাল দিন আসবেই। শুভ কামনা।
আসলেই এই চোরদের কেমনে যে ভুঁড়ি বাড়ে
আসলেই আজিব বিষয়। শুভ কামনা।
গোয়াল ঘরেই ওই চেয়ারম্যানের কবর দেওয়া উচিৎ।
যথাযথ বলেছেন। শুভ কামনা।
“কত যে আছে এই দেশেতে
গরীবের হক চোর,
আশায় আছি দেখিবো আবার
বাংলাদেশের নতুন ভোর।”
চোরের মাথায় লাটির বাড়ি
দেব মোরা উজান পাড়ি।
নতুন ভোরের আশায়
শুভ কামনায়।
ধন্যবাদ।