ওই অপরূপ ঝরনা থেকে তুমি নদী হয়ে ওঠো।
হিমবাহ,শৃঙ্গ থেকে তুমি নেমে আসো এই মৃত্তিকার গাঁয়,
নেমে এসো প্রিয়তমা মমতার ঢেউ নিয়ে বুকে।
নেমে এসো পাখিদের সুরে,ফুলেদের গন্ধ গায়ে মেখে
এসো এই অবাঞ্চিত শূন্যতার জনপদে।
অন্ধকার গলিতে ফুটুক সভ্যতার ফুল,
স্বাগতসভায় বেজে উঠুক একঝাঁক প্রেয়সী সানাই।
সেই কবে থেকে প্রতীক্ষায় আছি সূর্য ছোঁবো বলে।
কিন্তু কারা যেন কপাট লাগিয়ে রাখে সদর দরজায়,
তোমার আলো কেড়ে নেয় এক বৃত্তবন্দী জীবন।
শূন্যে পেণ্ডুলামের মত দুলতে থাকে সভ্যতার মানচিত্র
ঠিক যেন গ্রহণকালের প্রেমের মতন।
এসো প্রিয়তমা,ঘুরিয়ে দাও এই জীবনের কাটা,
পাপড়ির পর্দা চিরে বেরিয়ে আসুক ফসলের ঘ্রাণ।
———————–0 0————————
*** (ছবি:সুপায়ন বড়ুয়া দাদার কাছ থেকে ধার করা)***
মোট পড়েছেনঃ ৬২৫জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
“এসো প্রিয়তমা,ঘুরিয়ে দাও এই জীবনের কাটা,
পাপড়ির পর্দা চিরে বেরিয়ে আসুক ফসলের ঘ্রাণ।”
ছবি দেখেই লিখে ফেললেন
অনন্য সুন্দর কবিতা ?
তাহলেতো আমি ছবিটার জন্য
ধন্যবাদ একটি প্রাপ্য।
অবশ্যই দাদা। শুধু ধন্যবাদ নয়, কৃতজ্ঞতা রইল।
অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া। ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকুন সবসময়।
আপনাকেও ধন্যবাদ। শুভকামনা সবসময়।
চাইলেই কি আর পাওয়া যায়? তারা ধরা দিতে চায় না। প্রিতমারা বড্ড কঠিন চীজ।
চেষ্টা করি আর কি ভাই।
দ্রুত চলে আসুক প্রিয়তমা
প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে
চমৎকার লিখেছেন ভাইয়া
ধন্যবাদ ও শুভকামনা আপু।
ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় ।
ধন্যবাদ প্রিয় ভাই
এমন আহবানে প্রিয়তমা না এসে যাবে কই! আরও জোরে ডাকুন ভাই সাহেব, এইতো এলো বলে 😜😜
যাক তবুও একটু আশ্বস্ত হলাম। হা হা হা
পর্দা চিরে-ছিঁড়ে ঘ্রাণ-ফসল
গন্ধ-বুকের ঢেউ তুলে,
এমন প্রত্যাশা হোক সবার, সবার।
বেশ কিন্তু লেখাটি।
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইল ভাই।
বাহ্!
একরাশ মুগ্ধতা রেখে গেলাম দাদা।
ধন্যবাদ দাদা।
প্রিয়তমা এখন আসবেনা। লকডাউন চলছে
লকডাউন তো কাটছেই না!!!
এসো প্রিয়তমা,ঘুরিয়ে দাও এই জীবনের কাটা,
পাপড়ির পর্দা চিরে বেরিয়ে আসুক ফসলের ঘ্রাণ।
শুভকামনা রইল।
চমৎকার লিখেছেন ভাই। ওই সবুজ পাহাড়ের বয়কে জমা জলরাশি সমতলের বুকে মমতা নিয়ে আসে, কৃষকের গোলা ভরে উঠে মৌ মৌ ফসলের গন্ধে………..ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম।
চমৎকার কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ভাই।
আপনার জন্যও শুভ কামনা সব সময়
আশা পুরন হোক,
শুভ কামনা।