ভ্রান্তিবিলাস

*(পড়েরবাড় সুদ্ধ কইড়া লেখার চেষ্টা কড়ুম)

প্রিয়তমা,

খুব ইচ্ছে কড়ে তোমাকে শারি পড়িয়ে গারিতে কড়ে গ্রামেড় বারি নিয়ে যাবো। তুমি যাবেনা শোনা ? তুমী চাইলে তোমাড় জন্যে জিবণ দেবো। তুমি না বলেছীলে আমাকে ভালবাশো ! তবে আজ অমণ কড়ছো কেন লক্ষিটী ! তুমি বই পরা ষেশ হলে সারিটা পড়ে নাঊ। তোমাড় জণ্য আমী মালা ঘেতে রেখেচি তোমাড় ঘলায় পড়াবো বলে। আপাতত ণা হয় কদিন পরাসোনা থাক। কি ব্যাপাড় কতা বলচোনা জে? নাকী পরতে পরতে গুমীয়ে পরেছো ? তুমী কি সত্যিই নাড়ি ? না পুড়ুস ? বুজেচি আজ আড় কতা বলবেনা। পড়ে আবাড় কতা হবে, কেমন ?

*** ( “র” , “ড়” ও বানান গোলমাল ) ***

মোট পড়েছেনঃ ১,০৩০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৯টি মন্তব্য

  1. ভ্রান্তিবিলাস এ এমন ভ্রান্তি !! সব ইতো ওলোটপালোট লাইগ্যা গেলো। 🙄🙄🙄🙄 ধন্যবাদ মজা লাগলো। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য

    1. ভাইয়া আমি ঘুমের ঘোরে পড়তে, পড়তে, পড়তে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ছি।
      আচ্ছা ঘুম ভাঙ্গলে পড়ে কমেন্টস করবো আফাতত বিদায়।

      শুভ কামনা রইল আপু।

    1. এ্যা!!!! কোমল ভাবনা কই পাইলেন মহী ভাই?
      শ, ড় আর ণ দিয়ে এমন লেখা কোমল ভাবে আমরা কেন পড়তে পারলাম না? একটু বুঝিয়ে দিন প্লিজ 🙏

  2. ভাইয়া আমি ঘুমের ঘোরে পড়তে, পড়তে, পড়তে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ছি।
    আচ্ছা ঘুম ভাঙ্গলে পড়ে কমেন্টস করবো আফাতত বিদায়।

    শুভ কামনা রইল আপু।

  3. ভালবাশার নামে এক আঁটি বাঁশ দিছে! উপরওয়ালাই জানেন এই চিঠির লেখক কার গলায় কিসের মালা পরাবেন! ওহহো, সরি, গলা না ঘলা 🙊🙊

    রম্য চালু রাখুন ভাই সাহেব, আপনাকে দিয়েই হবে 😀😀

    1. চালু রাখবো! আমার দুষ্টামি ভাল লেগেছে! সত্যি কইতাছি, কাউরে বাঁশ দেওনের জন্য লিখি নাই। এইডাই আবার শুদ্ধ কইরা লিখুমনে।

  4. রম্য লেখারও ওস্তাদ আপনি। শব্দেরও রম্য আছে বুঝেছি এবার। র এবং ড় নিয়ে বেশ লিখেছেন, দাদা। মজা পাইলাম।
    শুভকামনা থাকলো, শ্রদ্ধেয় কবি দাদা।

মন্তব্য করুন