আফ্রিকার চিঠি

আফ্ৰিকাতে অভিনয় করার সূত্রে আমাকে আফ্রিকার অনেক জায়গায় ঘুরতে হয়।

অনেক সময় গ্রামীণ চরিত্রে অভিনয় করার সূত্রে নানা জায়গায় নানা ঐতিহ্য সংস্কৃতির সাথে মিলিত হতে হয়।

তাদের ভিন্ন মাত্রার এসব সংস্কৃতি আমার ভালো লাগে আলাদা অভিনববত্ব আছে।
তাদের গ্রামীণ জংলী সংস্কৃতিগুলো আমাকে খুব টানে মনে মনে আপন লাগে।

আফ্রিকান পুরুষরা খুব আপন এবং বন্ধুবৎসল অভিনয়ের সুবাধে আরো ভালো জানতে পারি।

আমি আফ্রিকান অনেক দেশে ঘুরেছি প্রতন্ত এলাকা গুলোই ঘুরেছি বেশি ওদের গ্রাম ওদের জঙ্গল আমাকে খুব টানে, ওদের অদ্ভুত এবং ভিন্নমাত্রার ঐতিহ্য সংস্কৃতি আমাকে আকৃষ্ট করে।

আমি এখন থেকে আফ্রিকান এসব ভিন্ন ধারার বৈশিষ্ট সম্পর্কে আপনাদের অনেক কিছু বলবো আশা করি আপনারা সবসময় আমার সাথেই থাকবেন।

আফ্রিকায় একধরণের সাপ আছে নাম থু থু গোখরা গাছে গাছে ঝুলে থাকে।

কালো রঙের এই ভয়ঙ্কর সাপ মানুষ দেখলেই থু থু ছুড়ে মারে।
আসলে ওটা ওদের মুখের মারাত্মক বিষ।

আফ্রিকাতে একধরণের মাছি আছে নাম তার আম মাছি মানুষের কাপড় চোপড়ে ডিম পাড়ে।

সেই ডিম লোমকূপের ভিতর দিয়ে শরীরে ঢুকে ঠিক সাতদিন পর সেই ডিম ফুটে জন্ম নেয় সদ্য ফোটা আম মাছির বাচ্চা।

শরীরের পুষ্টি রক্ত খেয়ে একদিন বড় হয়ে রগ ফাটিয়ে পোষক দেহ থেকে উড়ে যায় আর পোষক দেহের মানুষটা ধীরে ধীরে মৃত্যুর মাঝে বিলীন হয়।

একটি অসুখের নাম লাসা জ্বর এই জোরে আক্রান্ত রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভবনা খুবই কম।

ছোঁয়াচে এই জ্বরে আক্রান্ত রোগী মারা গেলে লাশ পুঁতে দিতে হয় মাটির ২৫ ফুট নিচে।

ইঁদুরে খাওয়া খাবার খেলে এই জ্বর হয়।

এরকমই অসংখ্য জানা অজানা তথ্য নিয়ে আমার শুটিংয়ের সময় ভ্রমণ গল্প তৈরী হয়েছে।

মোট পড়েছেনঃ ৮২৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৬টি মন্তব্য

  1. আফ্রিকার সাপ রোগ সম্বন্ধে অনেককিছু জানা হলো। কিন্তু আফ্রিকা তো দুটো। একটা দক্ষিণ আফ্রিকা। আরেকটা উত্তর আফ্রিকা। দুটো আফ্রিকাতেই এরকম হুবহু কিছু দেখা যায়?
    আপনার লেখা ভালো লাগে! কিন্তু আপনি লেখার মাঝে যতিচিহ্ন বা দাড়ি-কমা ব্যবহার করছেন না। এর মানে কী, তা বুঝে উঠতে পারছি না। যদি এসব না পারেন, তো ব্লগের সিনিয়র কারোর সহযোগিতা নিতে পারেন। তবুও লেখার মাঝে দাড়ি-কমা বা যতিচিহ্ন থাকা চাই!
    শুভকামনা থাকলো।

  2. বিভৎস কিছু জানা গেলো । আগামী পর্বগুলো তে আরো বিশদ জানতে পারবো সেই অপেক্ষায় রইলাম। ভালো থাকুন সবসময় শুভ কামনা রইলো

মন্তব্য করুন