একশো শব্দে ‘বাক্সবন্দি জীবন’।
‘আব্বা!’
সুরুজ মাষ্টার পত্রিকার দিকে দৃষ্টিপাত রেখেই বললেন, ‘বল।’
‘ও আব্বা!’
‘আমি শুনতাছি।’
‘শুনলেই হইবো না, এদিক চাও।’
সুরুজ মাষ্টার পত্রিকা ভাজ করে তাকালেন।
‘দ্যাশে নাকি অসুখ আইছে, তার লাগি ঘরবন্দী থাকা লাগবো!’
‘হ, ক্যাডাই কইল?’
‘মনির।’
‘কথা হাছাই।’
‘তয় আমি যে সেই ছোটকাল থেইক্কাই ঘরবন্দী অইয়া আছি। অব্যেশ অইছে। এতো মানুষ ক্যামনে…?’
সুরুজ মাষ্টারের চোখে অশ্রু ফোঁটার গড়াগড়ি। সত্যি! ছেলেটার এই কথাটিই আজীবনের পাপ অভিশাপ বলে মনে করেন তিনি।
ছেলেটি সেই ছোটবেলা থেকেই বলতো, ‘আব্বা! আমিও স্কুলে যাবো। আমারেও লওনা।’
সুরুজ মাষ্টার সাইকেলে উঠা মাত্রই চোখ দুটো কেঁদে কেঁদে উঠে। ছেলেটি প্রতিবন্ধী। হাঁটতে পারে না। একা-একা…। একা-একা…।
মোট পড়েছেনঃ ৭৮৭জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
কি ভয়ংকর ছোটগল্প লিখেন আপনি
অল্প কথায় কত কথা –
নিদারুন সময় ভিত্তিক লিখা
শুভকামনা
ধন্যবাদ প্রিয়, ভালোবাসা রইলো শত শত।
চমৎকার লেখাটা অনেক ভালো লাগলো।
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন,
শুভ কামনা রইল।
ধন্যবাদ সুপ্রিয়, ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
মনোরম ও মনোহর লেখনী ।
অনুগল্পে ব্যাথার পাহাড় ঢেলে দিলেন । সত্যিকারের প্রতিবন্ধীদের মতো আমরাও এখন সবাই প্রতিবন্ধী হয়ে গেছি করোনার ছোবলে। ভালো থাকুন সবসময় শুভ কামনা রইলো। শুভ সকাল
একশো শব্দে গৃহবন্দী জীবনটা
পড়তে মনটা বিষন্নতায় ভরে গেল।
আমরা বেঁচে থাকার জন্য অল্পদিনেই অস্থির হয়ে উঠছি।
অল্প কথায় অনেক ভাল একটা লেখা পড়লাম।
শুভ কামনা।
নির্মম সত্যি, করোনা আজ সবাইকে প্রতিবন্ধী করে ফেলেছে।
সুন্দর লিখলেন।
ওরে ভাই….কি দুর্দান্ত ইঙ্গিতপূর্ণ অনুগল্প!
চমৎকার লিখেছেন। শিখতে হবে এমন শব্দচয়ন।
ভালো থাকবেন, সাবধানে থাকবেন।
ছেলেটার অভিশাপেই বোধহয় পৃথিবী আজ গৃহবন্দী। চমৎকার লিখেছেন ভাইয়া
হুমম, এমন বাক্সো বন্ধি জীবন আমি অনেক দেখেছি, সত্যিই দূর্বিশহ জীবন।
শব্দ একশো হলেও আওয়াজ তীব্র ও সুমধুর