ঋতুর পালাবদলে প্রকৃতিতে বইছে ফাগুনের মনমাতানো বাতাস। সেইসাথে পোশাকেও আসবে পরিবর্তন। গরম কাপড় শোভা পাবে আলমারিতে। না গরম না ঠাণ্ডা, এমন আবহাওয়ায় দরকার আরামদায়ক পোশাক। কদর বাড়বে তাঁত কাপড়ের। বিশেষ করে এক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে মনিপুরী তাঁত।
মনিপুরীদের আদিবাস ভারতের মনিপুর রাজ্যে। তবে, আঠারোশ শতক থেকে সিলেট এলাকায় এদের বাস করতে দেখা যায়। শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জের প্রায় ৬০ টি গ্রাম বিখ্যাত মনিপুরী তাঁত শিল্পের জন্য মনিপুরী মেয়েরা বাড়িতে বসেই নিজের হাতে বুনে থাকে অসাধারণ সব শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, শাল, ওড়না, ব্লাউজ পিস ইত্যাদি। এইভাবেই ব্যবসায়িক উৎপাদন শুরু হয়।
মনিপুরীদের বুননে রং আর নকশায় রয়েছে অপূর্ব সমন্বয়। বৈচিত্র্য থাকার কারণে এক নজরেই সবাই পছন্দ করে মনিপুরী তাঁঁতেের পণ্যসামগ্রী। মনিপুুুরী এলাকার বাড়িতেে বাড়িতে ঘুুরলে প্রতি চার বাড়িতে অন্তত একটি কাপড় বোনার হস্তচালিত মেশিন দেখতে পাওয়া যায়। এই শাড়ির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পাড়টি হবে গাঢ় রং এর। নকশাটি হবে ত্রিভুজাকৃৃৃতির আর শাড়ির ভেতরে থাকে হালকা সুতায় বোনা লতাপাতা। ত্রিভুজাকৃতির ডিজাইনটি হলো মৈরাং। এর মাধ্যমে ওদের ধর্মীয় দিক প্রকাশ পায়।
মনিপুরি শাড়ি গায়ে হলুদ, মেহেদী লাগানোর উৎসব, পহেলা বৈশাখ কিংবা পহেলা ফাল্গুনে, ফেয়ার ওয়েলে পরার জন্য উপযুক্ত।
ঢাকার শুক্রাবাদ আছে মনিপুরী হস্তশিল্পের একটি শোরুম। নাম: মনিপুরী এম্পোরিয়াম। তবে মনিপুরীদদের বাড়ি থেকে একটু কম দামে কিনতে পাওয়া যাবে। শাড়ি ৫৫০ থেকে ৯৯৫০ টাকায় বিক্রি হয়।
নিজস্ব বুননশৈলী এবং সুতার জন্য মনিপুরী শাড়ি দেশের গণ্ডি ছেড়ে এখন অনন্য সারা বিশ্বে। মানগতদিক থেকে তাদের উৎপাদিত জিনিসগুলো যেমন সুন্দর, তেমনি ব্যবহার করেও আরাম। আবার এটা ব্যবহারে দেশিয় সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতাও হয়।

★★ আসুন ১লা ফাল্গুন এবং ভালোবাসা দিবসে একটি হলেও মনিপুরী শাড়ি কিনি।
👍👍👍
লিখতে হবে ভাই, এমন শুধুই ইমো না।
ধন্যবাদ
আমাদের ও আছে শাড়ী গবেষক! নাকি নারী মানেই বিজ্ঞানী!
জেনে ভাল লাগল, এরাও আমাদের ঐতিহ্য।
ভালো লাগলো আপনার কমেন্ট।
নারীর সৌন্দর্য ই শাড়ি
আর আমার মতো শাড়ি পাগলীদের জন্য চমৎকার আহ্বান। আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন আপু চমৎকার একটি পোস্ট।
আসলে নারীর সৌন্দর্য শাড়িতে।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
এর আগে টাঙ্গাইল শাড়ি নিয়ে একটা লিখা ছিলো। যারা পড়তে চান।https://sonelablog.com/%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf/ লিংক দেয়া হলো।
শাড়ি নিয়ে চমৎকার উপস্থাপন করেছেন দিদি। আমাদের দেশের কাঞ্চন রূপগঞ্জ এব নরসিংদী এলাকায় যেমন কাতান শাড়ি তৈরি করা হয়, তেমনই ভারতের শুধু মনিপুর নয়, ভারতের চব্বিশ পরগণা এলাকায় ফুলিয়া নামক স্থানেও মনিপুরী শাড়ি তৈরি করতে দেখেছি। আমি নিজেও একজন বস্ত্রশিল্পের কারিকর!
ধন্যবাদ দিদি। ভালো থাকবেন আশা করি।
আমার জানা ছিলোনা ঐ তথ্যটা। আপনাকে ধন্যবাদ।
মনিপুরী শাড়ি অন্যন্য কোন জেলা শহরে পাওয়া যায় জানেন কি আপু?
ধন্যবাদ এমন পোস্টের জন্য।
এখন তো অনলাইনেই সব খোঁজ। আমার একজন পরিচিত আছে। আপনি বললে ওনার থেকে এনে দিতে পারি। বা উনি কুরিয়ার করতে পারেন আপনার ঠিকানায় পাঠাতে পারে।
মনিপুরী শাড়ি খুব ভালো লাগে কিন্তু কেনা হয়নি কখনো । শুক্রাবাদে পাওয়া যায় সেটাও জানি। ধন্যবাদ বিষয়টি নিয়ে তথ্যপূর্ণ পোষ্ট দেবার জন্য
শুভকামনা আপনার জন্য।
আমার দুটো মনিপুরী শাড়ি আছে, যার একটা গতমাসে পিকনিকেে পরেছিলাম। এত ভালো লাগে এই শাড়ি, দেখলেই কিনতে ইচ্ছে করে। পছন্দের শাড়ি নিয়ে সুন্দর পোস্ট আপু।
ধন্যবাদ। আপনার পছন্দের শাড়ি নিয়ে পোস্ট দিতে পেরেছি বলে আমার ভালো লাগলো।
আসুন ১লা ফাল্গুন এবং ভালোবাসা দিবসে একটি হলেও মনিপুরী শাড়ি কিনি।
আইডিয়াটা মন্দ না, কৃষ্টি , সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষন করি।
শুভ কামনা।
একদম। আমরা যদি ঐতিহ্য ধরে না রাখি। তাহলে তা বিলুপ্ত হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
মনিপুরী শাড়ি আমারও খুব পছন্দের। কয়েকটা কিনেছিলাম, কিন্তু বিশেষ দিন ছাড়া পরা হয় না। সারাদিন, রাতের অর্ধেকের বেশি সময় থাকি কাজের চাপে। শাড়ি পরার ফুসরত নেই 🙁
খুব ভালো হয়েছে লেখাটি।
শুভ কামনা রইলো 🌹🌹
শুভকামনা আপনার জন্য। তবে, বিশেষ দিনে নারীকে শাড়িতেই অপরূপ লাগে।
কি সুন্দর সব শাড়ির কালেকশন। দিলেন তো ভাই শাড়ির নেশায় জড়িয়ে। মনে হচ্ছে এইবার বইমেলায় শাড়ি পরে একদিন যেতেই হবে।
অবশ্যই শাড়ি পরে আসবেন। এবং মনিপুরী।
আপনার কমেন্ট ভালো লেগেছে।
এই শাড়ি এবং কয়েকটি থ্রিপিস কিনেছিলাম একবার সিলেটের এক দোকান থেকে।
দেশি পন্যকে উৎসাহিত করার জন্য এদের তৈরিকৃত পন্য কেনা উচিত।
ভাল পোস্ট।
একদম। দেশি পণ্য না পরলে তা মুখ থুবরে পরবে।ওদের উৎসাহ দেয়াই আমাদের কাজ।
আপনাকে ধন্যবাদ।
বাহ । ভালো লাগলো।
চমৎকার পোষ্ট।
ধন্যবাদ ভাই।