তোমাকেই বলছি মেয়ে

তোমাকেই বলছি মেয়ে

এই যে আমি, তোমাকেই বলছি মেয়ে। তোমার মাথায় কাপড় কই, তোমার মাথায়তো কাপড় থাকার কথা ছিল। তোমার মাথার কাপড় কে কেড়ে নিয়েছে।
আমি তো তোমার মাথার ছেড়ে দেওয়া কালো চুল কে পছন্দ করিনা, আমি চাই তোমার মাথায় হিজাব থাকুক।

তোমাকেই বলছি মেয়ে, তোমার বুকের ওড়না কই। তোমার বক্ষস্থল উলঙ্গ রাখার অধিকার তোমায় কে দিয়েছে। তুমি যদি এইটা বোঝো, ওড়না ছাড়া চললে তোমাকে বেশ রূপবতী দেখায়। তাহলে তোমার এইটা বোঝা উচিত
ছিল, তোমার বক্ষস্থল দেখে অনেকের যৌনাবেগ বৃদ্ধি পায়। আমি তোমার বুকে ওড়না ছাড়া দেখতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিনা। আমি চাই তোমার বুকের ওড়না থাকুক।

শোনো মেয়ে, তোমার পরনের জামাটা কেন এত উপরে উঠে গেল। তোমার পাজামার দৈর্ঘ্য হওয়ার কথা ছিল পায়ের পাতা পর্যন্ত। টাখনুর উপর কাপড় থাকার কথা একজন ছেলে মানুষের। তোমাদের জন্য যা কঠিনভাবে নিষেধ করা হয়েছে। তোমার পায়ের নুপুরের শব্দ শুনতে ভালোবাসি তবে তা দেখতে নয়। আমি চাই তোমার পাজামার দৈর্ঘ্য পায়ের পাতা পর্যন্ত থাকুক।

দেখো মেয়ে, তোমরা কি যেন আজেবাজে প্রসাধনী মুখে মেখে নিজেকে আলাদা প্রাণীতে উপস্থাপন করতে চাও।তোমরা মনে হয় নিজেরাও কখনো নিজের চেহারা আয়নাতে দেখনা। দেখলে হয়তো এটা বুঝতে পারতে, এমনিতেই তোমরা কত সুন্দর।

নিজেদেরকে উলঙ্গ করে যদি মর্ডান মনে করো তাহলে তুমি তা নও। সে ক্ষেত্রে মর্ডান হবে বনের পশুরা। আর যদি অর্ধ উলঙ্গ হয়ে নিজেকে আধুনিক মনে করো তাহলে সেটাও তুমি নও। সে ক্ষেত্রে আদি মানুষগুলোই হবে আধুনিক।

শরীয়তের বাহিরে এসে তুমি যদি নিজেকে অত্যাধুনিক মনে করো তাহলে তুমি সুন্দর নও। সেটা হতে পারে বায়নায় কিনা কোন বাইজি। যে কিনা রাতের আধারে অল্প কিছু টাকায় নিজেকে উজাড় করে দিতে প্রস্তুত থাকে।

মোট পড়েছেনঃ ১,৫৫০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৫টি মন্তব্য

  1. তোমাকেই বলছি মেয়ে, তোমার বুকের ওড়না কই। তোমার বক্ষস্থল উলঙ্গ রাখার অধিকার তোমায় কে দিয়েছে। তুমি যদি এইটা বোঝো, ওড়না ছাড়া চললে তোমাকে বেশ রূপবতী দেখায়।

    -এইটা সবাই বুঝে, কথা হলো কেউ বস্ত্র বহন করতে চায় না!

  2. আপনার দেয়া ছবিতেও কিন্তু আপনি মেয়েটিকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেন নি। জরুরী নয় লেখার সাথে হুবহু মিল রেখেই নগ্ন / অর্ধনগ্ন ছবিই দিতে হবে। লেখার সাথে মিলিয়ে শালীন ছবি দিতে পারতেন। আর হ্যা, যে যেভাবেই চলুক দৃষ্টি ভঙ্গি সংযত রাখা দর্শকের দায়, পোশাক পরিহিতার নয়।

    ★ আপনার লাস্ট পোস্টের সময়কাল এখনো চব্বিশ ঘণ্টা পার হয়নি। তাই লেখাটি খসড়ায় রাখুন। নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রকাশ করুন।

  3. আপনার পোস্টে ব্যবহার করা ছবিটি একজন নায়িকার। এমন শাড়ি পরিধান করা নারী আমি আজ পর্যন্ত বাস্তবে দেখিনি।

    আমাদের দেশের নারী এবং মেয়েরা যথেষ্ট শালীন পোষাকই পরিধান করেন। কেউ বোরকা পরিধান করেন, কেউ করেন না। যারা বোরকা নেননা তাদের উলংগ বলা কি ঠিক? উলংগ অর্থ তো কাপড়/ পোষাক ব্যাতীত কোনো মানুষ। এমন নারী কি কখনো দেখেছেন আমাদের দেশে?
    নারীদের পোষাক কেমন হওয়া উচিত তা যেমন পবিত্র হাদিস এবং কুরআনে বলা আছে, তেমনি পুরুষদের দৃষ্টি সং্যত করার কথা বলা আছে।
    আমরা পুরুষরা দৃস্টিকে সংযত করলেই হয়। আমাদের ইমান কি এতই হালকা যে তা নারীর পোষাক এর কারনে শেষ হয়ে যাবে?

    আপনার ব্যবহার করা ছবিটি দৃষ্টিকটু,
    পোস্ট ভালো লাগে নি।

    1. ব্যবহারকৃত ছবিটি দ্বারা আমি কাউকে ছোট করতে চাইনি । আর লেখাটি দ্বারাও খারাপ কিছু বলা হয়নি । তারপর আমি দুঃখিত লেখাটি আপনার কাছে খারাপ লাগায় ।

  4. লেখাটি আসলে কোন পর্যায় ফেলব ঠিক বুঝতে পারছি না আবার কঠিন মন্তব্যও করতে পারছি না কারন লেখক তার মত প্রকাশের স্বাধীনতা রাখেন। তবে আপনার লেখাটি যদি নিদিষ্ট একটি ধর্ম মানে যেখানে পর্দাকে ফরজ করা হয়েছে সে অর্থে লেখাটি ঠিক আছে-উপদেশমুলক।কিন্তু পৃথিবীতে শুধু মাত্র একটি ধর্মের নারীরাই বসবাস করেন না।বিভিন্ন ধর্ম মতের লোকের বসবাস এ পৃথিবীতে এ লেখাটি নিঃসন্দেহে বিতর্কীত হবে।
    আমার মতামত হল-আপনি আমি যতই পর্দাই করি না কেন যদি মনের পর্দা ঠিক না থাকে তাহলে পাহাড় সম পর্দায়ও কোন লাভ হবে না যেমনটি হয়নি এ দেশের মাদ্রাসার শিক্ষাঙ্গণগুলোতে ।খোদার ভয় থাকা সর্তেও নূসরাতের মত পর্দা করা মাদ্রাসার ছাত্রীর শেষ রক্ষা হয়নি নরপশু ঐ মাদ্রাসার শিক্ষকের কু-নজর থেকে। বাকীটা আপনে বুঝে নিন।

      1. আমরা পাঠক ভাইয়া-বিজ্ঞ সমালোচক নই তবে যতটুকু বুঝতে পেরেছি ঠিক ততটুকুই মন্তব্য করেছি।আর একটি বিষয় হল আমি যেটা প্রথমে ঠিক খেয়াল করিনি তা হল লেখার বিষয়বস্তু এটা কবিতা যে বুঝতে পারিনি মনে করেছিলাম একান্ত অনুভুতি।সমস্যা নেই ভাইয়া আমিও প্রথম দিকে এমনি ছিলাম’কোনটা কবিতা কোনটা গদ্য বুঝতাম না-লেখার মান বানান নিয়েও ছিলো ব্যাপক সমালোচনা এ ব্লগেই কিন্তু আমি দমে যাইনি সমালোচনা হতেই আমি একটু একটু করে শিখেছি এবং এখনো শিখছি।বিশ্বাস না হয় বর্তমানে আমার একটি পোষ্ট আছে “জ্যাম” গল্পে গিয়ে দেখুন ওখানে এখনো মন্তব্য আছে কিছু বানান ভুল। তাই আমি বিশ্বাস করি সমালোচনাগুলোই আমাকে সামনে চলার সঠিক পথ দেখাবে।
        ধন্যবাদ প্রিয় শুভ ব্লগিং।

    1. মমি ভাইয়া আপনি খুউব সুন্দর করে বুঝাতে পারলেন। আপনার সাথে পুরোপুরি একমত পোষণ করছি। নিরব ভাইয়া আপনার আমার প্রতি যে জিজ্ঞাসা ছিল সেটা মমি ভাইয়ের মন্তব্য থেকে বুঝে নিন যে আমি কি বলতে চেয়েছি।

  5. কবিতার ভাষা আরও নমনীয় হওয়ার কথা ছিলো !
    লাইনের পর লাইন সাজালে কবিতা হয় নাকি!!!

    ছবি, লেখা, বা কবিতা ( আসলেই কবিতা কিনা জানিনা)
    কোনটাই ভালো লাগেনি৷

    সরি ফর ডিসলাইক৷

  6. সব মেয়েই যদি মাথায় কাপড় দিতো তাহলে জীবনানন্দের “নাটোরের বনলতা সেন” কাব্যের জন্ম হতো না। মেয়েদেরকে কেবলমাত্র সম্ভোগের দৃষ্টিতে না দেখে মানুষ হিসেবে দেখলে সমস্যার সমাধান হতো।

    1. এখানে মেয়েদের অপমানিত বা খারাপ কিছুর ব্যাপারে বলা হয়নি প্রিয়। শুধু তাদের সম্মান যেন তেন ভাবে নষ্ট না করার কথা বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন