চিন্তা রোগ

 

 

কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার মত

 অসংখ্য চিন্তা মাথায় চেপে

বসেছে,দুরারোগ্য ব্যাধির মতো

বাসা বেধেছে। মস্তিষ্কটা হয়ে পড়েছে

চিন্তার আঁতুড়ঘর।

বিষণ্নতা আর ব্যর্থতা গুলো,

কাঠ পোকার মত খেয়ে ফেলছে আমার ভেতর, আমার বাহির;

 আমার ভাবনার যা কিছু।

 ভঙ্গুর করে ফেলেছে আমার দেহ।

এখন কেবলই দেখতে আমি, ভিতরে অনেকটা শূন্য, এক দম শূন্য।

ঘুণে ধরা দেহটাতে আর কি

বাকি থাকে ঠিকে থাকার মতো।

মনটা তো মরে গেছে

অনেক আগেই, প্রাণ পাখিটা ও

কেবল পালাই পালাই করছে ।

গোত্তা খাওয়া  ঘুড়ির মতো

ঘুরছে আর উড়ছে। কখন যে

 নাটাই থেকে ছিঁড়ে যায় ।

একটা দেহের ভিতর

গাদাগাদি করে আর কতদিন,

কতজন থাকা যায়।

এই যে সুখ দুঃখ হাসি কান্না,

ব্যর্থতা বিষণ্নতা আনন্দ বেদনা।

সবাই পাশাপাশি থাকলেও

কেউ কারো বন্ধু নয়,

একজন অপরজনের বিপরীত।

তাই তো সবাই এখন একটু

ছুটি চায়, একা থাকতে চায়।

মোট পড়েছেনঃ ৯৬৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১০টি মন্তব্য

  1. হুম সবাই একা থাকতে চায় সময় চায়। কিন্তু বাস্তবে তা হয়না। আর হয়না বলেই আমরা ভুগতে থাকি মনোরোগে।
    ভালো থাকা যদিও কঠিন তারপরও চেষ্টা করে যাওয়া উচিত।
    কবিতা ভালো লাগলো। শুভ কামনা রইলো।

  2. একা থাকতে চাইলেই কি একা থাকা যায়? মনের রোগ, চিন্তা রোগ তিলে তিলে শেষ করে দেয় এটি একটি নীরব ঘাতক। একরাশ শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো

মন্তব্য করুন