চব্বিশ বছরের শ্রেষ্ঠ উপহার

কখনো চাই না, আমি ভালোবাসি বলে

আমার অজস্র ভালোবাসার বিনিময়ে,
দায় সারা খোঁজ নিতে এসে প্রশ্ন করো আমায়-
কেমন আছো তুমি?
সত্যি বলছি উত্তর দেবো না কিছুই
বিশ্বাস করো আমি নির্বোধ নই!
বরং ভালোবাসা আর অবহেলার-
ফারাকটা একটু বেশিই বুঝি।
যদি বিন্দু মাত্র ভালোবাসা বেঁচে থাকতো আমার জন্য,
তবে চব্বিশ ঘন্টায় অন্তত
চব্বিশটা মিনিট বরাদ্দ থাকতো আমার জন্য।
তুমি জানলেও না কোনো দিন,
তোমার দেওয়া চব্বিশ মিনিট হতো আমার কাছে-
পাওয়া চব্বিশ বছরের শ্রেষ্ঠ উপহার।
একটা সময় ছিলো যখন তোমার সারাদিনের-
পুরোটাই আমার ছিলো।
একদিন ভালোবেসে কাছে টেনেছিলে বলেই,
আজ প্রশ্ন জাগে মনে কেনো-
কি কারণে এই সামান্য মানবীকে ভালোবেসেছিলে?
কাছে টেনেছিলে মায়া মমতায় জড়িয়েছিলে।
যতো প্রেম যতো ভালোবাসা মায়া মমতা,
আজ তার সবটাই বুঝি হয়ে গেছে অতীত।
আর অতীতকে আঁকড়ে চলে না তো জীবন,
বিশ্বাস করো এই বিষাদময় অতীত ছুঁড়ে ফেলে-
নতুন করে বাঁচতে বড়ো স্বাদ জাগে মনে।
ইচ্ছে করে পুরোনো প্রেম ভুলে,
নতুন প্রেমে বিলীন করি নিজেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৭৮১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. আসলেই আজকাল সম্পর্ক গুলো কেমন দায়সারা ভাবেই চলছে। একটু বারিয়ে বললেই বলবে,

    সারাদিন কাজে থাকি ব্যাস্ত, আর এতো আবেগী হলে হয়!

    আমার মনে হয়, সম্পর্কেে ব্যাস্ততার দোহাই দেওয়াটা, বিপরীত সাইডের মানুষটাকে ঠকানোর সহজ রাস্তা।
    ঐ ব্যস্ততা দেখানো মানুষ গুলো ভাবে তারাই চলাক, আমরা কিছুই বুঝিনা। তারাই কর্ম করে ব্যাস্ত থাকে, আমরা কিছুই করিনা। তারা কখোনোই এ সত্যটা বুঝতে পারেনা, যে শতো ব্যাস্ততাকেও উপেক্ষা করেও প্রিয় মানুষটার খোজ নেওয়া যায়, কেয়ার করা যায়।

    আপনার লেখাটা বেশ ভালো লাগলো।।

  2. ভালোবাসা আর অবহেলার পার্থক্য বুঝতে পারা যায়,
    যাকে ভালোবাসে মানুষ তার জন্য কিছুটা সময় বরাদ্ধ রাখা উচিত।
    অভিমানী কবিতা ভাল লেগেছে খুব।

  3. পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় রহস্য কি জানো? সেটা জীবন। মানব জীবন। আমরা ততোক্ষণ পর্যন্ত এটা বুঝতে পারি না, যতক্ষন জীবন বিদ্যমান। নিজেকে জানো, জীবনকে জানো। যদিও জীবনের রহস্য ভেদ করা অসম্ভব। তবুও জানতে তো হবেই।

  4. অতীত ভোলার চেষ্টা করে নতুনকে আঁকড়ে ধরলেও, ভোলা যায় না সহজে। তবুও আমরা চেষ্টা করি, জীবনের প্রয়োজনে ।
    ভালো লাগলো আপনার কবিতা।

  5. আমার অজস্র ভালোবাসার বিনিময়ে,
    দায় সারা খোঁজ নিতে এসে প্রশ্ন করো আমায়-
    কেমন আছো তুমি?

    এইটুকু দায়সারা ই বা ক’জন করে ? পাশের বালিশে শুয়ে থাকা মানুষটার সাথেই তো কখনো কখনো আলোকবর্ষ দূরত্ব বিদ্যমান থাকে।

    1. ভালোবাসার মানুষের থেকে অবহেলা সহ্য হয় না প্রিয়। প্রয়োজনে দূরে থাকতে রাজি তবুও অবহেলায় নয়।

      আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন

  6. জীবন কোথাও স্থির থাকতে চায় না। কখনো কখনো মনের সাথে যুদ্ধ করে অবশেষে কখনো সামনে চলে কখনো বা অতীতকেই নিয়ে থাকে। চমৎকার।

  7. আসলে বেকার অবস্থায় বাবার হোটেলে খেয়ে খেয়ে অনেক আবেগি ভালবাসার কথা বান্ধবীকে বলে থাকে ছেলেরা। কিন্তু সংসারের ঘানি যখন নিজের ঘাড়ের উপর পরে তখন বুঝা যায় আসল ভালোবাসা। ইচ্ছা থাকলেও বাস্তবতার কষ্টিপাথরে বন্ধি হয়ে মিষ্টি কথা মুখ দিয়ে বেরোই না। এটা অনেক মেয়েরা বুঝতে চায় না। তারা চায় ছেলেটি আগের মতই প্রাণ চাঞ্চল্যে তাকে ভালবাসুক, হেসে কথা বলুক, সঙ্গ দিক।
    বাস্তব অনেক কঠিন।
    ভালো লিখেছেন।
    (বানান=অন্তত)

  8. আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ভাইয়া

    বানান অন্তত লিখেছিলাম কি করে যে অনন্ত হলে,,

    মানুষটি হেসে করা বলুক, ভালোবাসুক চাওয়া নিশ্চয়ই বেশি নয় ভাইয়া?

  9. তোমার দেওয়া চব্বিশ মিনিট হতো আমার কাছে-
    পাওয়া চব্বিশ বছরের শ্রেষ্ঠ উপহার।

    আবার-
    ইচ্ছে করে পুরোনো প্রেম ভুলে,
    নতুন প্রেমে বিলীন করি নিজেকে।

    ইশশ
    এই প্রেম আর ভালোবাসার কোন নির্দিষ্ট সংজ্ঞা যদি থাকতো
    যদি সংবিধান থাকতো দুইশ ধারায়-

    চমৎকার লিখেছেন।

  10. আমার অজস্র ভালোবাসার বিনিময়ে,
    দায় সারা খোঁজ নিতে এসে প্রশ্ন করো আমায়-
    কেমন আছো তুমি?
    সত্যি বলছি উত্তর দেবো না কিছুই
    বিশ্বাস করো আমি নির্বোধ নই!

    আপু,মনের কথা গুলা বলছেন,
    তবে আমি উত্তর দেই,এতো অভীমান পুষে রাখতে পারি না।

    ধন্যবাদ,
    এতো সুন্দর করে লিখার জন্য।

    1. আমি যে বড্ড বেশি ই অভিমানী
      তাই ধুঁকে ধুঁকে মরলেও
      মাথা নত করবো না কখনোই

      আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন আপু
      ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সবসময়

মন্তব্য করুন