১.
এটা বড়দের জন্য:
বাচ্চারা খেলতে গিয়ে খেলার সাথীর সাথে ঝগড়া করবে, হাতাহাতি করবে। পরে আবার সবকিছু ভুলে একে অপরের কাঁধে হাত রেখে হাঁটবে। একে অপরের ঘরে যাবে। এটা শৈশবের একটা অংশ। বড় হওয়ার পর মানুষ শৈশবের এই স্মৃতিগুলো মনেকরে হাসে, আনন্দ পায়। কিন্তু, এখন আমাদের সো কল্ড গুরুজনরা বাচ্চাদের ঝগড়া করতে দেখলে ডাক দিয়ে বসে। বকা দেয়। অনেকসময় আবার বাচ্চাদের দু’চারটা থাপ্পাড় দিয়ে দুইজনকে দুইদিকে পাঠিয়ে দেয়। এটা ঠিক না। দয়াকরে এটা করবেন না। শৈশব ধ্বংস করে দেওয়ার এই অধিকার আপনার নেই।
২.
এটা টিউটরদের জন্য:
টিউশনে মাস শেষে যে সম্মানি পান, তা থেকে একশ টাকা আলাদা করে রাখুন। এই একশ টাকা দিয়ে স্টুডেন্টের জন্য উপহার কিনুন। স্টুডেন্টকে বুঝতেই দিবেন না আপনি তাকে কেন উপহার দিচ্ছেন । সবসময়ে ভালো রেজাল্টের জন্য নয়, মাঝেমধ্যে ভালো ব্যবহারের জন্যও উপহার দিন। এতে স্টুডেন্ট আনন্দিত হবে, উৎসাহ পাবে। আপনার টিউশনটাও টিকে থাকবে।
৩.
এটা সবার জন্য:
ভালো থাকার জন্য বেশি কিছু লাগেনা। আপনি যেখানে বাস করেন, সেখানে নিশ্চয় আলো আছে, বাতাস আছে, বর্ষাতে বৃষ্টি নামে, শীতে শিশির পড়ে, বসন্তে ফুল ফোটে। সেগুলোর সাথে যোগাযোগ তৈরি করুন। সেগুলোকে ভালোবাসতে শিখুন। এরাই আপনাকে ভালো রাখবে।
আপনার এই লিখাটি মন ছুঁয়ে গেল,
শুকরিয়া।
খুব সুন্দর করে লিখেছেন।
ধন্যবাদ ভাই।
আপনার অনুভব করা উপলব্ধি জেনে ভালো লাগলো। এগুলো মেনে চলা খুব কঠিন না, তবে সহজ নিয়মে সহজ ভাবে ভালো থাকতে সবাই পারেনা। যদি পারতো তাহলে নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি চারপাশের মানুষদেরও ভালো রাখা যেত।
শুভ কামনা আপনাকে 🌹🌹
আপনার এতো সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
প্রকৃতির সাথে থাকা, বা সৃজনশীল কাজ করলে ভালো থাকা যায়।
আপনার মন্তব্য পড়ে Pablo Picasso র কথা মনে পড়লো।
‘Art washes away from the soul the dust of everyday life.’
প্রকৃতিকে আপন ভাবতে পারলেই আনন্দে থাকা যায়।
সঠিক উপলব্ধি আপনার লেখায়।
ধন্যবাদ ভাই।
অসাধারন লাগলো লেখাটি, প্রিয় তালিকায় নিলাম লেখা।
শিক্ষকদের ছাত্রদের উপহার দেয়া বিষয়টি অনেক অভিনব এবং কার্যকরী মনে হলো।
লেখুন মন খুলে, নিজের ব্লগ ভেবে।
শুভ কামনা।
কৃতজ্ঞতা নিবেন।