শীত শীতের কুসুম-রোদ

এ এক অনিঃশেষ ভাগ-দৌড় হাসফাসে প্রাণ ওষ্ঠাগত
থেমে যাই হঠাৎ, ভাবি, এক-ই বৃত্তে এই আমি,
প্রথম ও শেষতম;

প্রসবিত সকাল সূর্য দিগন্তে উঁকি দেয়
কুসুম-রোদ মেখে,

মেয়েলি মায়াবী গ্রামে চাঁদ শুয়ে আছে অচঞ্চল নিশ্চলতায়,
আবছা শীত ক্রমাগত ক্রমান্বয়ে জেঁকে বসে স্থাণুর মত;
সময়ের অশ্বারোহী বেঁধে ফেলে বিভ্রম চোখে আষ্টেপৃষ্ঠে কালচক্রের মত;
নিখুঁত ভাবে।

সময়-শ্যামাঙ্গীর টানা কাজলের চোখে চটক/চমক থাকে
উৎস মূলে বাধ্য মনের প্রণয় লিপ্ত অলিক-ভাব থাকে, ভালোবাসা না।
স্মৃতি-কাতর স্মৃতি জড়িত বিবসনা বাক-বাক্যহীন শীত
ক্রম উষ্ণতা ছড়িয়ে ভাবে, এই তো এমন করেই উতরোবে!!

মোট পড়েছেনঃ ৮০৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২১টি মন্তব্য

  1. উৎস মূলে বাধ্যমনের প্রণয় লিপ্ত অলিক ভাব থাকে,,,ভালোবাসা না ।

    সত্যিই কি এমন !! ভালোবাসা যদি নাই-বা ছিলো স্মৃতি কাতর মন বাক্যহীন বিবসনা হয়ে এলো কেমন করে ?

    কুসুম-কুসুম মিষ্টি রোঁদে ঝলমল করে জ্বলে উঠুক শবনমের শীতল হাসি ,,,, -{@

      1. কবিরাজ আগমন করেছেন !! শবনমের শীতল হাসি এখন থেকে উষ্ণ থাকবে বলেই মনে হচ্ছে ।

        গুজব থেকে যদি আজব কিছুর দেখা মিলে, তবে তাজ্জব হবার কিছুই নেই,,,,ভালোবাসা ছিলো,আছে ,,থাকবে,,,,জেনে গেছি গুজবে চোখ রেখেই,,,😜😜

  2. শীত চেয়েছিলেন, এলোও। এবারে আবার রোদও চাইছেন। এসব কি?
    ভালোবাসা বলে কিছু নেই? তাহলে এই গান তো ভুল। “ভালোবাসা ছাড়া আর আছে কী!
    ভালোবাসা হলো নিঃশ্বাস এ দেহের।
    নিঃশ্বাস বিনা মানুষ কখনো বাঁচে কি!?”

    এবারে বলি,

    শীতের ভেতর হৃদয় জুড়ে বসে থাকে কিছু যমজ সুখ।
    হেসে ওঠে, নেচে ওঠে
    মুখোমুখি বসে গল্প করে, মাঝেসাঝে গালমন্দও—
    আজকাল ভোরে কুয়াশাজড়ানো স্বপ্নদের আসা-যাওয়া বেড়েছে খুব;
    হৃদয়ও তার জলজ-মন নিয়ে নীল চাদরে নিজেকে মুড়িয়ে রেখেছে।
    হয়তো তাই,
    কিছু বেজুত বাক্যের শিল্পকর্মে ব্যস্ত থাকা শীতের হৃদয় মাতাল হয়ে যায় মধ্যরাতেই।–আর পারমু না। ^:^

    1. শীতের সাথে রোদের সখ্যতা জনম জনমের, একে ছাড়া অনের চলেই না!!
      আপনি দেখছি ভালুবাসার ডাক্তার!! এলা এক খানা প্রেসক্রিপ্‌শন লেইখ্যা দ্যান, গুলিয়ে খাই!!

      নকল করে আর পারমু না বললে আপনাকে ছাড়ছিনে!! পারতে আপনাকে হবেই, পেরেছেন যেমন আগেও।

    1. ম্যাম!! এই লেখক দাক্তার না!!
      উপ্রে মন্তব্যে একজন ডাক্তার দেখতে পেয়েছি। আপনি ট্রাই করতে পারেন।
      সে কিন্তু রোগ না শুধু রুগি শুদ্ধ হজম করে ফেলতে পারে।

  3. নরম কোমল শিশির যদি উষ্ণতা পেতো তবে কি সে ঘাসবুকে জমে বরফ হতো!
    সামান্য উষ্ণতা পেয়ে সে উড়ে যেতো আবারো আকাশের নীলে। সাদা তুলোপেজা এক মেঘে তার ঘর হতো।
    জেঁকে বসা শীতে জোর পূর্বক উষ্ণতায় চোখ জ্বালা করা এক ভাপ ওঠে।
    উত্তরের জানালা খুলে হু হু করে যে বাতাস ঢোকে তাতে হাড় কেঁপে যায় ঠিকই কিন্তু চোখ জ্বালা করা সে ভাপ উড়ে যায়।
    অনেকদিন পর আসলাম গুরুজী।
    অসাধারণ শব্দমালা দিয়ে দিনের শুরু হলো।

    1. শতেক ব্যস্ততায় যে এসেছেন সেই-তো অনেক,
      হু হু হাওয়া ভাপ উড়িয়ে দ্যায়/ন্যায় সে ঠিক কথা।
      সে হাওয়া সবার সহ্য হয় না যে!!

মন্তব্য করুন