একাকীর স্বপ্ন-শয্যা

বঞ্চনার সর্বনাশে প্রস্ফুটিত মেঘমালা পণ্ডশ্রমের প্রাণপাতে ত্রস্ত পায়ে ঘুরে বেড়ায়,
বৈশাখী বিদ্যুৎ হানে নিঃশেষ কুটিল নিঃশ্বাস, মসলিন সৌভাগ্য অপঘাতে মরে পড়ে আছে,
অতলান্তের গভীরে।

বিরহের মুর্হূমুহূ তপ্ত-গভীর-নিঃশ্বাস আকণ্ঠ জুড়ে ছুঁই-ছুঁই করে,
প্রপাত জলের হাজারো কোলাহল-উল্লাস একাগ্র নিটোল চোখের
অবুঝ মসৃণ উচ্চারণের অন্তহীন আলিঙ্গন অকস্মাৎ সীমান্ত পেরুল
বলে।

একাকীর তপ্ত-হৃদস্পন্দন নিরুত্তর-সৈকতে দাঁড়িয়ে শুনতে পাই
নিপাট সংশয়ে রাতের নক্ষত্র বাড়িতে স্বপ্ন-পেখমের উড়াল-ধ্বনী;
ঘুম থেকে অ-ঘুমের দেশে।

শূন্যতার স্মৃতি মেলে শুষ্কতায় অবগাহন দূর-বিস্মরণে।

মোট পড়েছেনঃ ৬৯১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

    1. এটি ঠিক তেমন গল্প না।
      সবার জাপিত জীবনের অনুভবে একাকীত্ব থাকে বিল্ট-ইন ভাবেই।
      কে কীভাবে সেটি অনুভব করে এবং অনুভবের প্রকাশ ঘটায়, সেটি-ই বিষয়।
      নিজের মত করে বলাল চেষ্টা করলাম, এর বেশি কিছু না।

  1. শব্দওয়ালা প্রকট হয়েছেন শব্দযোদ্ধার বেশে,
    চোখে/কানে অবিরাম শব্দ বর্ষনে
    ভেঙে ফেলবেন পাঠকের সব আক্কেল দাঁত।
    উহু ,,তাতে মানবোনা পরাজয়,
    একবার যদি অ-ফেরত ডিকসনারি টা ফেরত পাই,,,,,,,,,

    কি গপ্পো দিলেন !অনুবাদ করে না দিলে বুঝবো ক্যামনে ??☹

    ^:^ ^:^ ^:^ ^:^ ^:^ ^:^ ^:^ ^:^ ^:^ ^:^

    1. এ আবার কী কথা!!
      উস্কে-ও দেবেন, এখন আবার ট্যাঁ-ফ্যোঁ করন কিন্তু ঠিক না।
      আপনার আক্কেল দাঁত উঠছে আগে বলবেন না! তাহলে তো আরও কিছু যোগ করে দেওয়া যেত।
      ভেবেছিলাম দুঁধ-দাঁতে এর বেশি চিবুতে পারবেন না। দেখি এর পরের বার কী কী লেখা যায় গল্পের বেশে!!
      ডিকশনারিতে কুলোবে না, মনে রাখবেন।

      অনুবাদে খুব-ই কাঁচা!! তাই কিচ্ছু করার নেই আপাতত।

      1. এর পরেরবার কি শব্দ-কামান নিয়ে আসতে চাইছেন ? বটে,, উস্কানীতে ভালোই জবাব দিলেন।

        ডিকশনারি লাগবে না। শব্দযোদ্ধার সাথে লড়াই করার জন্যে আমাদের আছে তূখোড় সেনাপতি গন। মহামান্য নীলাঞ্জনার শব্দবানে সম্মোহিত হয়ে গেছেন দেখতেই পাচ্ছি। নীলকুরীঞ্জি হাতে ঋতু কন্যা রিতু এসে পরবেন যখন/তখন। পলায়ন না করলেই বোঝা যাবে কবিরাজের (আসন ছাড়া কবি রাজা) শব্দ বটিকার তেজ কেমন।
        😂😂😂😂

        ভিনগ্রহের ভাষায় গল্প লিখবেন আর অনুবাদ করে দিবেন না !! আজব তো !! 😮

      2. আপনি/আপনারা কত কী লেখেন এই গ্রহে বসেই,
        অন্যরা কিছু লিখলেই ভিনগ্রহে পাঠানোর ভয় দেখাবেন সেটি কিন্তু কঠিন হৃদয়ের পরিচায়ক।

        আসুক আসুক সেনাপতিগন, সেটুকু অপেক্ষা-সময় আনন্দ-বিহারেই থাকি।
        বীর-বিক্রমে পলায়ন যুদ্ধের-ই বিশেষাংশ বলেই জানি।

  2. দুর্বোধ্য ঘন কুয়াশায় আটকে যাওয়া আলো খুঁজে ফিরছি আমি
    শব্দশকটের উপর নির্ভর করে গল্পের তরজমাকে অনুধাবন করার চেষ্টায় রত। —

    বড়ো একা আমি।
    দীর্ঘ রাত ছটফট করেও কিছুই বদল আসেনা
    স্বপ্নেরা ঘুমের ছিটকিনি খোলার জন্য যুদ্ধ করে চলছে রোজ।
    চোখ বুজলেই কুরে কুরে খায় ঘুণপোকা
    বিদ্ধ করে সাজিয়ে রাখা সময়গুলোকে
    উফ এ কেমন জীবন!!!
    স্মৃতি আঁকড়ে বসে থাকি শ্মশান-শয্যায়।

    1. দুর্বোধ্যতার শকটের কী এমন সাধ্য আটকে রাখে অকাট ভালোবাসার স্নিগ্ধ আলো!!

      স্বপ্ন-চোখ খুঁজে পাক স্বপ্ন-শয্যা, শীত অ-শীতে,
      বদ্ধ দরজা খুলে যাক মসলিনের মসৃণ পরশে।
      শ্মশান-শয্যা গুটিয়ে যাক নরম আলোর স্পর্শে।

  3. শীত ডাকলেন খুব জোরে সোরে। পুরো দেশ মাথায় তুলে অথচ একাকী থাকার ঘোষনাও দিয়ে দিলেন। তা গুরুজী চলছেটা কি?
    আমার তো মনে হয় এসব একাকী সব মিথ্যে এক অভিজাত চিন্তা, দুঃখ বিলাসী চিন্তা।
    বসন্তের অপেক্ষায় রইলাম আমরা পাঠকরা।

মন্তব্য করুন