মায়ের মেয়ে

মেয়ের জন্ম-কান্নায় মা চোখ ম্যালে,
মৃত(প্রায়) মা মাছ-চোখে হেসে ফ্যালে
অকস্মাৎ বেঁচে ওঠা কাল রাত্রির আঙিনায়;
জলজ্যান্ত জীবন্ত হাসি,
রূপের রূপোলী টায়রায় হুরের-পরী।

কেটেছে সময়, বছর যুগ-যুগ
হাসি মিশেছে কান্নায়, কান্না থামিয়েছে হাসি,
হাসিও হেসেছে দিবারাত্রি;

নিশীথের নিশুতে বেজে ওঠে নিঃশব্দ সুর
দূর থেকে, দূরে থেকে বারে বারে,
গভীর রাতের আঁধারে শিয়রে রাখা
দীর্ঘশ্বাসে বেজে বেজে ওঠে,
শুধুই কথা, কথা না ক’য়ে ক’য়ে;

লাল নীল সমুদ্র ঝড়ে
সে একটি বাতিঘর হয়ে জলে ভাসে,
মায়ের বুকে অলক্ষ্যে ঝুলে থাকা প্রকাণ্ড
এক মাদুলি, প্রার্থনায় ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকে,
বেলা-অবেলায়, শান্ত-নীরব দিবাবসানে;

অবারিত অবিরত আগুন রাতে
স্বাদু-কুয়াশার স্বপ্নে বুঁদ থাকে।

মোট পড়েছেনঃ ১,২৫২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. ছোটো ছোটো হাসি দিয়ে কান্না থেমে মায়ের উঠোন খিলখিল করে উঠুক।
    নীশিথেই বেজে ওঠে নিঃসঙ্গ সুর। সে সুরেরর করুন আর্তনাদএ জেগে থাকে চাঁদমুখ।

      1. আমারও এক চাঁদমুখ ছিলো আছে। তবে সে দশমাস পেটে থেকে এক পলক দেখা দিয়ে চলে গেছে। বড় অভিমানী মায়ের মতো। ক্লান্ত চোখে চেয়ে দেখি সেও বড় ক্লান্ত সবার অবহেলায়।
        আজ আমিও বড় ক্লান্ত। এ ছেলে দুটোকে তাদের পায়ে দাঁড় করা শিখায়ে তার কাছে যাবার ইচ্ছা বড়। আমি তাকে একটুকু যে ছুঁয়েই দেখিনি।

      2. দুঃখিত,
        ধুর! এতকিছু জেনে-তো বলিনি!
        আপনি যেতে চাইলেও তো যেতে দেয়া হবে না!
        কত্ত কাজ বাকি, কত্ত লেখা আমাদের পড়া বাকি!

মন্তব্য করুন