তিনকোণি বারান্দা

আলো উপচানো, চোখ জ্বালা করা রোদ,
নিরবিচ্ছিন্ন কোলাহল
দীর্ঘ সোজা রাস্তা,
তোমার দুয়ার বরাবর
এ আমার দক্ষিণের বারান্দা।
গা ঘেঁষে গাছপালার নিবিড় ভালবাসা
আকাশমনি গাছের বেড়ে ওঠা
দীর্ঘ বেণি ঝুলিয়ে জড়িয়ে থাকা রহস্যময় পরগাছা
অফুরন্ত নির্মল হাওয়া

সুপারি ফুলের মাদকতা

সোনালু লতার ঢলাঢলি
পাখিদের কলকাকলি
ভালবাসার উদাত্ত আহ্বান
এ আমার পূবের বারান্দা।
নীরব, স্নীগ্ধ, আধো-আলো
মৃদু সুরে রাই এর পংক্তি
দৃষ্টির জালে আটকে পড়া শুভ্র কাশবন
শরতের বৃষ্টিচপল উৎসব
এ আমার পশ্চিমের বারান্দা।
,,,,রিতু,,,, কুড়িগ্রাম।
১৯.৯.১৮.

মোট পড়েছেনঃ ৬৬৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

    1. কেনো কেনো গুরুজি! পূবের বারান্দায় ঢুকে দেখুন। নেই শুধু আমার উত্তরের বারান্দা।
      এটাকে খুঁজি আমি আজও।
      তা কতোদিন পরে এলেন, অংকের খাতা দিব নাকি ক্যালকুলেটর?

  1. আমার দক্ষিণের জানালা দিয়ে রোজ রোদ আসে,
    বিছানার সাদা চাদরে আঁকিবুকি কাটে
    আর কখনো বৃষ্টি নামলে ভিঁজে যায়
    শুক্লপক্ষের জানালাটা কেমন যে এক আবেশ জড়ানো থাকে!
    পর্দার বাইরে থৈ থৈ জ্যোৎস্না
    আর ঘরের ভেতর সাঁতার কাটে আবেগী মন
    অবশেষে একছুটে বারান্দায়,
    যেখানে পূর্ব আর পশ্চিমের সেতুবন্ধন উত্তর-দক্ষিণের হাত ধরে। —–আপু দারুণ লিখেছো। ফেসবুকে পড়েছিলাম।

    আমার একটাই বারান্দা আপু। মাত্র তিন-চারমাস ব্যবহার করতে পারি। বাসাটা ভাড়া নিয়েছিলাম এই বারান্দার কারণেই। ভাড়াও তাই বেশি।

মন্তব্য করুন