সংকল্পের মাঝি

 

মাঝি তুমি কৈ যাও!
উড়াল-গাঙের গা বেয়ে,
রঙিনের পাল তুলে
এই ঘন-মেঘ-বর্ষায়;

বাতাসের পালে উতল উত্তল ঢেউয়ের বুক চিড়ে?
ওপারে কী কেউ আছে! নাকের-নথে জল-চুবিয়ে!!

************************************
ছবি কৃতজ্ঞতাঃ জিসান

মোট পড়েছেনঃ ২,১৯৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৬টি মন্তব্য

    1. খুব সুন্দর বলেছেন বধ করে,
      আবার অন্য ভাবে বললে বাতাসের হাত ধরেও বলা যায়।
      যাক এবারে কঠিন কছু হয়ে যায়নি তাই রক্ষে!
      ধন্যবাদ,
      নুতন লেখা নিয়া আসুন।

  1. বাতাসের উত্তল ঢেউ ছিল মেঘনা নদীতে,
    অপেক্ষায় থাকতেও পারে কেউ।

    ছবি দেখে অল্প সময়ের মধ্যে এমন লেখা লিখতে পারে কজনা!?

  2. “মাঝি তুমি কৈ যাও!
    উড়াল-গাঙের গা বেয়ে,
    রঙিনের পাল তুলে
    এই ঘন-মেঘ-বর্ষায়;”—–

    মাঝি তোমার ঘর কৈ!
    কোন পারে, কতো দূর!
    তোমার নায়ের রঙিন পালে
    আদুরে হাওয়া দোল খায়
    যেও সাবধানে
    নদীতে এলে উত্তাল ঢেউ।—ছবির মানুষ আর কবিতার মানুষ দুজনকেই নমষ্কার। 🙏

    1. পেন্নাম, একদম মেরে ফেলেছেন দেখছি!!
      কৌটা খালি তাই-ই এমন বাদ্য!!
      ভাগ্যিস ভড়া কৌটার আওয়াজ পাঠান-নি!!

      শুধু বলি, ব্রেভো ব্রেভো!!
      এ মন্তব্যের উত্তর হয় না।

  3. ছবির পাশে লেখা চলে গেলো কি করে? ইচ্ছাকৃত নাকি অতিজ্ঞানীদের অভিজ্ঞ হাতের ছোঁয়া?
    ছবিটা অনেক সুন্দরই তুলেছে জিসান বস।
    লেখকের কথা কি বলবো? কএক সেকেন্ড দিলেই হয়, নামিয়ে ফেলবে সে যতই দূরহ হোক না কেন।
    নাকের-নথে জল চুবিয়ে? কান্নার সমুদ্র বইয়ে দিলো নাকি? তবে আর বৃষ্টির কি দরকার!

    1. কিছু ছবি কথা বলে নথ নেড়ে নেড়ে,
      সব ছবি সবাই দেখতে পায় না, সে ছবির পাশের লেখাও না।
      সবার ভাগ্যে তা সয়-ও না!!

      নামাতে অনেকেই পারে, নামায় ও,
      ঐ যে নয়ন যারে পায় না দেখিতে
      সে যে রয় নয়নে নয়নে!!

      এ কান্ন সে কান্না নয় ভাইয়া!!

      কুল ভাইয়া কুল।

  4. কি বলব! পড়ে এবং দেখেই আমি মুগ্ধ। ঐ পালের নৌকা চড়ে চলে যাব কোনো একদিন ধানসিঁড়ি নদীর ঘাটে।

    ভাবছি এবার একটি নথ গড়িয়ে নিব। পাক্কা এক গায়ের বধূ হব। প্রেমে অপ্রেমে ভাসিয়ে নিব এমন সব পালের নৌকা।

মন্তব্য করুন