আমার অপেক্ষার ঝাউ-বন মধ্যরাতেও ফাঁকা
হাঁসফাঁস জল-ডোবা জ্যোৎস্নায়, এখন
আমার ভালোবাসা ছায়াহীন অশরীরী,
আর্য-অনার্য ভুলে সোঁদাদগন্ধময়তায়;
এ-কী!!
সত্যি সত্যিই প্রেম, প্রীতি না ভালোবাসা-বাসি !!
প্রাসাদ সিঁড়ি, নিপীড়িত ক্রীতদাস, খানা-খন্দের সবুজ ঘাসে
বিনম্র কবিতার মত একরাশ অপেক্ষার-উচ্ছ্বাসে!!
ছোট-বড় ঝড়-নদী পেরিয়ে, নকশী কাঁথায় মুড়িয়ে,
গলা জড়িয়ে, গুটিসুটি করে পড়ে ফেললাম দু’জনকে দু’জনে
প্রতিটি অক্ষর-লাইন থেকে ক্রমান্বয়ে পুরো বই-ই।
ময়ূর-প্রশান্তির মত পৃথিবী নামক গ্রহটি ছোট নিতান্তই;
জোড়া-মুখে কুলুপ এঁটে পুড়িয়ে ফেলি কিছু সিগারেট
এবারে, একত্রে-একসাথে;
অত্যন্ত অসুখী-দুশ্চিন্তা ঝেরে শতত-উত্তেজিত আবেগ প্রণয়ে
বিস্মৃতি-হীন অতি-চেনা আগন্তুক,
এসো পুঞ্জিভূত আমার নিটোল যমুনা স্রোতে;
অনচ্ছ চাঁদ লুকাও এবার, আমরা এখন এখানে।
ধুম্র সুন্দরী —–
“Doubt thou the stars are fire,
Doubt that the sun doth move”
যাত্রী ——
“Doubt truth be a lire
But never doubt I love”
************************************************************
ইতিহাসের ধুম্র-সুন্দরীর বয়ান……..৪
কার জন্য এই ইন্তেজার? নামটা ছদ্মনামেও প্রকাশ করা যেতে পারতো ।
দারুণ লিখেছেন দাদা ।
একজন নারী তার ভালোবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করার
কথা জানাচ্ছে।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ভাইরে আমি অধম পাগল হয়ে যাব।
সত্যি সত্যিই প্রেম, প্রীতি না ভালোবাসা-বাসি !!
প্রাসাদ সিঁড়ি, নিপীড়িত ক্রীতদাস, খানা-খন্দের সবুজ ঘাসে
বিনম্র কবিতার মত একরাশ অপেক্ষার-উচ্ছ্বাসে!!
আমার হাস্ফাস অবস্থা…………।
এখন-ও হন-নি!!
তাড়াতাড়ি হয়ে যান, যা হতে চান।
যায় যায় এক্টূ অপেক্ষা করুন সঙ্গে কেউ আছে কিনা দেখি???
আচ্ছা অপেক্ষা করি।
শুধু পড়ে ফেললে তো হবেনা। হাফেজী হতে হলে পুরা মুখস্থ করতে হবে, একদম গড়গড় করে বলে ফেলতে হবে।
মরলেম, এতো প্রেম কই রাখি? ডাউট কাভি নেহি, আমি আগেই বুঝছিলাম, ধোঁয়ার প্রেমে পড়েই আপনার বিনাশ হইছে। সিগারেটের একদিকে তো আগুন, একত্রে একসাথে!!! ইয়ে মানে উপায় বাতলায় দিলে, আমরাও একটু ট্রাই নিতাম আর কী।
পৃথিবী কোন ছাড়, এ প্রেম গ্যালাক্সির চাইতেও বৃহৎ, হেয়া মুই বুজ্জি তালগাছ। এইডা ভাল্লাগছে 🙂
দেখুন, হাফেজি পাঠ না হলেও শুধু পাঠেও স্বর্গ প্রাপ্তি প্রায় নিশ্চিত।
শেখার কোন বয়স নেই, কাজে দেবে আখেরে,
গ্যালাক্সি হাতড়ানো-ও শেষ করে ফেলেছেন!! আপনার হপে, হপে।
যাউক, ভাল্লাগছে ভাল্লাগ্ল!!