ভুতদের
ঘাগু-দাগী–পাঁড়মাতাল-আসামিরা সিথান পাল্টায়
উপবাসের আড়াল ফেলে,
আতর-সুবাস-গন্ধে ম-ম চারিদিক,
ভাবখানা যেন কিনে নিয়েছে, এসমেআজম;
হে ঈশ্বর, আমাকে তুলে নেও,
পুঁতে ফেল পায়ের নীচে,
আমি খুন হব বা খুনে, খুব সহসাই।
হে উপবাসী ঈশ্বর,
এ-ঢোকে গিলে ফেলে আমাকে, তৃষ্ণা মেটাও,
এ-যাত্রা বেঁচে যাই!! এবার-ই শুধু বাঁচাও;
মোট পড়েছেনঃ ৮০৮জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
এত ভয় পাওয়া ঠিক না।
আচ্ছা, এরপর বুকে ফুঁ দিয়ে আপনার মত সাহসী হয়ে যাব।
এত পিছু টান কেনো ভাই? কোন সমস্যা। আল্লাহ সকলকে ভাল রাখুন।
আবার এতো বাচার আকুতি ! আসলে আমিও শংকিত কি হবে কি করব?
মুশকিলে আসান হোক।
সব মুশকিল-ই এক সময় আছানে পরিণত হয়,
কি জানি কি হয়! ভুতের রে ভয় পায়নি আজও।
ভয়ের কিচ্ছু নেই।
ওরে বাবা, এতো খুনে ভুত, ভুতে আমার ভীষণ ভয়।
ভালো থাকুন ভাইজান, শুভেচ্ছা।
শুনেছি আপনি নাকি ভুতেদের আত্নীয়!!
ও মাগো, ভাইজান কয় কি? 😮
আমার কাছে খবর আছে।
দেশে প্রচন্ড গরম শুনেছি। খবরেও জেনেছি। এমন গরমে কীভাবে আছেন, কে জানে! তবে লেখা দেখে কিছুটা আন্দাজ করতে পারছি। ইসমে আজম বা এসমেআজম অর্থ খুঁজতে গেলাম গুগল মামার কাছে, তারপর মামা পথ দেখিয়ে দিলো।
তৃষ্ণা মিটেছে না? রোজই তো শুনি এখন বৃষ্টি হয়। 😀
কুবিরাজ ভাই একটা মনের মতো কুবিতা দ্যান, যদি পারেন।
আচ্ছা, লেখা থেকেও তাপ পাচ্ছেন!!
লেখাতো দেই-ই। দিতে-ও পারি, গাছ!! ঠিকাছে,
তবে কোথায় গড়াবে গাছ থেকে সেটিও বিষয়!!
কি কমু বুঝতাছি না! 😀
দাঁত-ই যথেষ্ঠ!!
হে ভগবান মুঝে উঠালে, ভূত যদি অনশন করে তবে তো ভালোই হয়। এই যেমন আমি যেমন মাঝে মাঝে অনশন করি :p
ভূতেরা থাকুক। কবিতা তো পাব কিছু!
নিরবের অস্ত্রের অনশন!! তা মন্দ না।
ভূতেরা আছে, পৃথিবীর তাবৎ পণ্ডিতদের লেখায় এদের পাই-তো,