পদ্মদীঘির ঘাটে

অন্ধচোখে যদি ধুলো পড়ে, আচঁলভাপ সে আমার চাই না,
শিখে গেছি স্বপ্নহানার ভয়ে জেগে থাকার দুর্বোধ্যতা,
শোনিতময় মনজ্যোৎস্নার বিজন বনে কেউ নেই পাশে আজ,
প্রতীক্ষা প্রজ্ঞা স্মৃতি-বিস্মৃতির প্রবল সান্নিধ্য এড়িয়ে
স্তব্ধবিষণ্নতার কামকেলি, শুধুই পুরুষ দূরত্বে।

মরুর বালি অশ্রু শিখেছিল সে কবেই,
পলাশপদ্মচোখ খুঁজিনাতো আর,
হাঁটছি কাঁটার পথে আগামীর স্বপ্ন নিঃশ্বাসে;
কে তুমি হেঁটে যাও, হে উদাসিনী, চক্ষু বুজে?
পদ্মদীঘির শান-বাঁধানো ঘাটটি মাড়িয়ে;

মোট পড়েছেনঃ ৬২৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৪টি মন্তব্য

    1. আহারে, আগে বলবেন না!!

      কেউ পাত্তা-ফাত্তা দেয় না তাই হাউ-কাউ!!
      এই ভাবটি শব্দের জালে জড়িয়ে ভাব প্রকাশের চেষ্টা,

  1. উদাসিনী নাকি উদাসী? ভেবেছিলাম কবি তার নিজের কথা বলছে!
    “কি চাও আমার কাছে” শোনা হচ্ছে বুঝি বেশি বেশি?
    স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবে বলে ঘুমই বাদ? বেশ তো!
    মরুর বালি অশ্রু অর্থাৎ শুকিয়ে যাওয়া চোখ? এতো শিখছি তবু কাজে লাগছে না, আফসোস!
    বেশ হয়েছে কবিতাটা। আমি কিন্তু মিথ্যে বলিনা। ভালো না লাগলে বলি মোটামুটি হয়েছে। না হলে বলি হয়নি। বলি না?

    1. লেখক যে কখন কার কথা কী বা কীভাবে বলে তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই, থাকেও না।
      গুনি পাঠক নিজ গুনে বুঝে নেবেন সে আশায়-ই থাকি,
      ‘মরুর বালির অশ্রু’ বলতে অসম্ভব কোন কিছুকে সম্ভব বলে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

      আপনি যুধিষ্ঠিরের আত্মীয়া তা আমরা জানি, বেঠিক কোন কিছু বলা অসম্ভব!

      এবারে কালির আঁচড় দিয়ে ফেলুন, অনেক তো হলো!!

  2. আমি চাই, কেউ চোখে চোখ রেখে একটু আচলভাপ দিক চোখে।
    উদাসী নারীর হেঁটে যাওয়া ঠেকানো যেতো। বসিয়ে তাকে একটা ঝরা শিউলী দেওয়া যেতো। জমিনে লুটিয়ে চলা আঁচলটা গুজে দেওয়া যেতো।
    বাপরে! কুবি ভাই এতো গভির কুবিতা হইছে।
    ভাল লাগলো খুব প্রথম ও শেষ লাইন।

মন্তব্য করুন