দেয়ালের দোয়েল

ভেতরে যাইনি দেয়ালে দোয়েলের ডাক শুনে,
যাবও না, ঐ ডাক গুনে গুনে।
স্তম্ভিত দেয়ালে দোয়েলের বিলাপে
শেষ বিকেলের সোনালী কিরণ রেখা গেছে মুছে
আঁধার এসেছে নেমে বিলাপ পাখার যাদুতে;
আকীর্ণ অসোয়াস্তির অন্ধকারের দেয়ালের ওপাশে
যাইনি, যাবও না,

মোট পড়েছেনঃ ৬৫০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৩টি মন্তব্য

  1. কবিসাব কী যে কঠিন কঠিন সব ল্যাহা দেয় আইজকাইল, কিচ্ছু বুঝিনা। বেবাক্কিছু মাথার উপ্রে দিয়া যায়। ^:^ ^:^ ^:^
    দেয়ালে দোয়েলের ডাক শুইনা কেউ ভিতরে যাইবো ক্যান? তাইলে কি দেয়ালে দোয়েল বলতে কবিসাব কলিং বেলের শব্দ বোঝাইতে চাইলেন? ব্যাপারটা কি এমন নাকি যে উনি কোথাও অপেক্ষাতে ছিলেন আর ভিতর থাইকা কেউ বেল টিপ্যা ডাইক্যা পাঠাইতেছিলো তাও তিনি যান নাই? ;?

      1. যাওয়ার উপায় নাই কেন? উপায় তৈরি কইরা লন। সাহস বাড়ানির লাইগ্যা নিয়মিত ধ্যান কইরা দেখতে পারেন। আইজকাইল সাহস বাড়ানির লাইগ্যা খুব সম্ভবত ওষুধপাতি পাওয়া যায়। হেইয়াও খাইয়া দেখতে পারেন। 😀

  2. না যাওয়াই ভালো।
    গেলে কি থেকে কি হয়! না না কুবিরাজ ভাই আপনার কথা বলছি না। মানে ওই যে দেয়ালে দোয়েলের কথা বলছি। 😀

    ভালো থাকুন। শুভ মহালয়ার শুভেচ্ছা।

      1. আচ্ছা দেয়ালের দোয়েল তো দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে অন্যপাশে চলে এসেছে, দেখেছেন?
        কতোতম দেয়ালে যে এলো দোয়েলটা, হিসেব তো দোয়েলই বলতে পারবে। 😀

      2. আমি আর পোড়া চৌক্ষে কীইবা দেখতে পেলাম!
        দেখা-দেখি তো দেখছি আপনি ই সব দেখে ফেললেন!
        দোয়েলের কাছ থেকে ভাঙ্গা-ভাঙ্গির হিসাবটি নিয়ে আমাদের ও জানিয়ে দিয়েন।

      3. আরে না আমিও ভালো ভাবে দেখিনা। এক্সিডেন্টের পর স্পেশালিষ্ট ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট পাইলাম অক্টোবরের ৪ তারিখ মানে আগামীকাল। তাহলেই বোঝেন চোখের কি অবস্থা! 🙁

  3. ছোট লেখা এতো সুন্দর হওয়া ঠিক না, শিরোনামটাইতো মাথা ঠুকেছে। আহা কই যে পান। সেই কবে থেকে ভবাছিলাম দেয়ালকে চিঠি দিব একখান কিন্তু বাধ সেজে বসলেন আপনি। পাছে না আবার মুচকি মুচকি হাসেন সেই ভয়ে আছি।

  4. শুনেছি আজকে নাকি কবির জন্মদিন। জন্মদিনের অফুরান শুভেচ্ছা।

    শুভেচ্ছার বিপরীতে খালি মুখে যাওয়ার মতো ভালো মানুষ হবার চেষ্টা করেও পারিনি।

    1. শোনা কথা নিয়ে সোনামুখ করতে নেই।
      সবই ধুনফুন, চোখ-কান না দেয়াই উত্তম!

      মুখা-মুখি কোন ব্যাপার না, তবে আমাদের মুখ ছিল, আছেও, থাকবে তা বলছি না।

  5. দোয়েলের বিলাপ শুনেও নট নড়নচড়ন!! আজ পর্যন্ত কোন কবি পারেনি, আপনি কোন ছাড়। শেষ বিকেলের সোনালী কিরণ মুছিয়ে দিয়ে আঁধার ঠিক নামিয়ে দিয়েছেন। ওপারের আঁধারে নাইবা গেলেন, এপাড়ের মনের আঁধারে ডুবুন তবে।
    এতো ছোট লেখা এতো সুন্দর করে ক্যাম্নে লেখে মানুষ? নিয়া নিছি কিন্তু।

    1. আমিও ভাবতেই আছি এমন আব-জাব লেখার প্রশংসা কেমনে অকৃপণের মত করে!
      শুধু তাই ই নয়, আবার নেয় ও।
      হে পরম পিতা দড়ি ফালায় বাইয়া উডি!
      বাহ, ডুইব্বা মড়ি আরকি!

      1. আগে ঠিক করুন কী করবেন, বাইয়া উঠবেন নাকি ডুইব্বা মরবেন।
        লেখা কিন্তু নেয়ার মতই, তবে আপনার ল্যাহা নেয়ার বিপদও কম না, হেইডা আমি ভালো কইরাই জানি। 🙂

মন্তব্য করুন