হৃদয়ের অহল্যা

অহল্যার চোখে চোখ রেখে জানতে চাই—এখন কেমন আছো এ বেলায়?
আহা সে সব দিন, বড় বেশী বুনো, বেশিই লুকানো নির্জনতায় ঝড় তোলা সমুদ্রে
আকণ্ঠ নিমজ্জন, রাশি রাশি অনন্ত অবগাহন, কাকে বেশী মনে পড়ে? গৌতম না ইন্দ্র?
বুকে হাত রেখে বলতো একবার হলেও।
পাথুরে অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়ে কার কথা প্রথম ভেবেছিলে?
ভালোবেসে বা ঘৃণায় ? সহজ নয় ভুলে যাওয়া আকণ্ঠ ইন্দ্রসুখ।
আদরে সোহাগে জন্ম থেকে এ অব্দি লালন-পালন সব ই কি বৃথা!
অহল্যাহৃদয়ের অলিন্দ-নিলয়েও কিছু পাওয়ার চাওয়া থাকে,

মাস্টারাফাকে,

মোট পড়েছেনঃ ৭৫৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৫৩টি মন্তব্য

      1. এ অহল্যা কাহিনী বেজায় কঠিন। যতটুকু জানি তাতে ইন্দ্র আর গৌতম একই ব্যাক্তি। খোলস পরে কি ভিতরটা বদলানো যায়! তারপরও ইন্দ্রের কথাই বেশী বলি।
        ভুল চুক মাফ কিন্তু।
        আমার টিচার কই! হেয় অনেক বেশী জানে …।

      2. গৌতম ও ইন্দ্র এক ব্যক্তি নয়,
        অবশ্যই কঠিন, আপনি বরং মাস্টারাফার কাছে প্রাইভেটে এক খতম দিয়ে আসুন,
        সবই ফকফকা হয়ে যাবে।
        হে অনেক বেশি বেশি জানে, হেই লইগ্যাই হের জন্য লিখছি, যদি আরও কিছু জানতে পারি,

  1. প্রস্তরীভূতা দশা থেকে রক্তমাংসের নারীতে পরিণত হবার পর হয়তোবা ইন্দ্রের কথাই প্রথম মনে পড়েছিলো। দেবতাকর্তৃক সমাদৃতা হয়ে তাঁর আলিঙ্গনে ঠাঁই পাওয়া কি চাট্টিখানি কথা! বিশেষ করে ওই সময়টাতে যখন কিনা অগণিতা নারী-অপ্সরা-দেবী ধ্যানমগ্না হতেন দেবতাসান্নিধ্যের আশায়।
    আমি কইলাম অহল্যা না, হেরপরেও আমার হৃদয়ের অলিন্দ-নিলয়ের চাওয়াপাওয়ার কোনো শ্যাষ নাই।
    সোজাসুজি মাস্টারাফা বানায়ে দিলেন? যাউজ্ঞা, বানাইলেনই যহন এইবার ডেভু ভাইয়ারে কন সোনেলায় সানগ্লাস/চশমাপিন্দা ইমোর ব্যবস্থা করতে। নাইলে কইলাম ঈদের পরেত্তে হরতাল আন্দোলন দিমু।

    1. হরতাল আন্দুলুনে আফনের লগেই থাকুম কিন্তু,
      খালি আওয়াজ দিলেই হবে।
      ও আপনি অহল্যা না!! তাইলে শিউর আত্মীয় লাগেন!
      চাওয়াগুলো জানতে চাই না, পাওয়া গুলোর হিসাব দেন।
      এ জন্য দুন্যাইতেও ইন্দ্রবাদীদের জয়গান, দ্যাহা সাক্ষাত পাইলে আমাগোও জানায়েন।
      গৌতমেরা এখানেও অবহেলিত থেকেই গেল।
      যে যা তাকে তো তাই বলা উত্তম, নবীশ তো আরও কয়েক কাঠি এগিয়ে।

    1. একদম নাক বরাবর মাস্টারাফার সাথে যুগাযুগ করেন,
      একচিমটি লবণ আর এক চিমটি গুড় মিলিয়ে ঘুটা দিয়ে খাইয়ে দেবে,
      সব ফকফকা হয়ে যাবে।
      পেইনের আর দেখলেন কী!
      আসিতেছে ফোড়া কথন!!

      1. মাষ্টারাফারে ডর লাগে, লীলাবতী কি এক ডর লাগাইয়া দিছে মাষ্টারাফার হাতে মানুষ কোপাইন্যা দা দিয়া,
        এরপর আবার ফোড়া!! আমার কোন ফোড়া টোড়া নাই কইলাম,

        গৌতম না ইন্দ্র এই প্রশ্নের উত্তর কেবল নারীকুলই দিতারেন,
        উত্তর দিতে হইলে নারী হওন লাগপে।

      2. ডাক্তারে যখন চিৎ করবে তখন টের পাইবেন, ফোড়া আছে কী নেই।
        আমাগো মাস্টারাফা আছে, হে তো ইন্দ্রের লাইনে হাত উঁচা করছে,
        এখন বুইজ্জা লন কি অইতারে।

  2. এতো এতো প্রশ্নবাণে জর্জরিত অহল্যার সাধ্যে কি কুলোবে মুখ হা করে কিছু বলার? প্রশ্নরা না আবার প্রশ্নই থেকে যায় আজন্ম জন্মান্তরে! কে জানে!!!

    শানেনজুল আমিও জানতে চাই জিসান ভাইয়ের সাথে সাথে। গৌতম না ইন্দ্র সেটার কথা আমরাও শুনতে চাই।

    কবিতা পড়েই ক্ষান্ত থাকতে শিখে গেছি আর তাই সেই মহল্লার দিকে পা বাড়াই না।

  3. ইন্দ্রের কথা মনে হয় প্রথম ভেবেছিল তবে সেটা প্রেম জনিত ভাবনার চেয়ে ঘৃণা জনিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সুজয় ঘোষের অহল্যা শর্ট ফিল্মটা দেখেছেন? এখানে মহাভারতের উপাখ্যানকে কিছুটা ফেমিনিষ্ট দৃষ্টিকোন থেকে দেখানো হয়েছে।
    https://www.youtube.com/watch?v=Ff82XtV78xo

    1. এটা দেখছি। কিন্তু আমার মনে হয়েছে আসল কাহিনীটি না জানা থাকলে এই ছবিটি দেখে
      বুঝে ফেলা মনে হয় কঠিন, ঘটনাটি জানা থাকলে নানা ভাবনা করাই যায়,
      আমি যেমন আমার মত করে প্রশ্ন করেছি।

  4. অহল্যা জীবন। ইন্দ্র/গৌতম সব এক। যুগটা আজও ইন্দ্র আর গৌতমেরই চলছে। অহল্যাদের জীবনের বদল হয়নি।

    কবিতা মন ছুঁয়ে গেলো। আজ আমার মনের মতো একটা কবিতা লিখেছেন। :c

      1. বেশী ভাব ধরবেন না। মনে হয় আমার মনের নাগাল পেতে লিখছেন? কবিরাজ ভাই কথার ফুলঝুরি ছিটিয়েই তো মানুষ নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে। আপনি নিজেকে দিয়েই তো বোঝেন, জানেন।

  5. অহল্যার চোখে চোখ রেখে জানতে চাই—এখন কেমন আছো এ বেলায়?
    আহা সে সব দিন, বড় বেশী বুনো, বেশিই লুকানো নির্জনতায় ঝড় তোলা সমুদ্রে,,,
    ভালো লাগলো (y)

  6. অহল্যাহৃদয়ের অলিন্দ-নিলয়েও কিছু পাওয়ার চাওয়া থাকে, পুরণ করুন।

    মাস্টারনিরে আপনি মাস্টারাফাকে বানাইলেন? যাক কবিটাটা আজ খুব ভালই লাগলো
    আপনারে ধন্যবাদ।

  7. অহল্যা যে কারে ভেবেছিল ! সেটাই ভাবনার বিষয়। তয় কইতে গেলে মন্তব্য বিশাল আকার হইয়া যাইব।
    অহল্যারে লইয়া কেন টানেন ?
    কল্পনায় ইন্দ্রের ও যে কেউ ভাসে না, তাও তো বলা মুশকিল।
    আপনি অহল্যারে জিগাইলেই কি সত্য কথা কবে, কেমন আছে ?
    কবিতা চরম হইছে কবি।

    1. মন্তব্য বিশালতায় তিমি আকৃতির হলেই বা সমস্যা কি?
      আমি ভাই টানাটানি করলাম কখন!!
      ইন্দ্র সাহেব আর গৌতম সাহেব টেনেই কুল পাচ্ছেন না, আমি আর কে হে!!
      ইন্দ্রদের একটু আধটু ইয়ে থাকেই, সেটি সবার ই জানা, অহল্যাই তো কুপোকাত,
      উনারা দেবতা, আর যা হোক মিথ্যে বলতে পারেন না,
      না জিগাইলে কি মুখ ফুটে বলতে পারে সব কথা!!

      ভাইয়া, আমি কবি-ফবি কিছু না কইলাম!!

  8. ভালোবাসার ক্ষমতা বেশি নাকি ঘৃণার? অভিশপ্ত আগুনের ক্ষতে হাত রেখে ইন্দ্র কী শুধুই অহর্নিশ যন্ত্রণার আরেক নাম নয়? অভিশাপ মুক্ত হলেও একদা এক অবিশ্বাসের বিষ আদৌ ছায়া ছাড়েনা বলেই মনে হয়, তাই ইন্দ্রই কী নয়? প্রশ্ন তো আমারো আছে, লেখক ইন্দ্র নাকি গৌতম?
    লেখাটা কিন্তু একটু বেশিই ভালো হয়েছে। এখন আর চাষাবাদের সময় নয়, সময় শুধুই চকচকে সোনালী ফসলের দিকে ইন্দ্রালু চোখে চাওয়া, প্রাপ্তি।

    1. এখানে লেখকের প্রচণ্ড পক্ষপাত ইন্দ্রের দিকে, ইন্দ্র ছাড়া আমাদের চলেই না।
      দেখবেন ইন্দ্রালু ভাব নিয়ে আবার কারফা লেগে না যায়।
      আপনার সকৃপণ প্রশংসা আনন্দধ্বনি হয়ে বাজুক।
      হাজার যন্ত্রণায়ও অহল্যার প্রাণে ইন্দ্রধ্বনি বাজবেই!!

      1. দেবতাদের হাজার খুন মাপ, পক্ষপাত তো যাবেই। 🙂
        আচ্ছা ইন্দ্রসুখ শব্দটার কী এখান থেকেই জন্ম?
        আমি কিন্তু গৌতমের পক্ষে। আদরে সোহাগে জন্ম থেকে এ অব্দি লালন-পালন বৃথা হয়না, যদি তাতে বিশ্বাস আর সত্যি থাকে। রামায়ন, মহাভারত সব বেটে খেতে হবে কী এমন লিখতে?

      2. মহাভারত বেটে খাওয়ার মত শিল-নোড়া সংগ্রহ করতে পারিনি,
        বেটে-বুটে সামান্য এদিকে দিলে মন্দ হয় না।
        ইন্দ্রসুখ কীভাবে এসেছে বলতে পারি না, তবে অহল্যার সব থেকেও কিছু একটা ছিল না,
        যা সে একমাত্র ইন্দ্রের কাছেই পেয়েছিল।
        লালন- পালন যত্ন-আত্তি সবই ছিল, একটি জায়গায় বড়ই অপূর্ণতা ছিল, যা গৌতম মুনি দিতে অপারগ ছিলেন।

মন্তব্য করুন