“স্পর্শ”

একবার সে আমায় ছুঁয়ে দিয়েছিল তাই লুকিয়ে থাকি,
যদি সে এসে বলে ভুল করে ফেলেছি-
তোমায় না আমি তা অন্যকাউকে ভেবেছি,
ভুলে যাও, ধুয়ে নাও স্পর্শ,
এ শুধুই এক বিড়ম্বনার অংশ।
তখন, কি করবো আমি??
কি বলবো তাকে,
সেজন্যই লুকিয়ে থাকি, হলুদ পাখির ঝাঁকে।
সে আমায় খুঁজে বের করলো,
হলুদ পাখিরা উড়ে চলে গেলো,
এক পায়ে নূপুর পরে নগ্ন পায়ের পাতায় আলতো করে কাছে এসে,
দুচোখের পাতা বন্ধ করে আরেকবার আমার ঠোঁট স্পর্শ করে-
সহজ বাক্যে বললো, এতদিন কোথায় ছিলে,
আমি বললাম, তোমার খুঁজে নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম।
তারপর আমি প্রথবারের মতো ওর ঠোঁট স্পর্শ করলাম,
ও চোখ বুজে নিলো।

মোট পড়েছেনঃ ১,১৩৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. বেশি সমালোচনা ভালো না, তাতে হতাশ হতে পারেন। লিখতে থাকুন, আর দয়া করে অন্যদের লেখা পড়ুন, নিজের লেখার সাথে তুলনা করে দেখুন। অন্যের লেখা না পড়লে বুঝতে পারবেন না কি লিখছেন।

  2. প্রিয় ব্লগার আপনার প্রকাশিত গল্পঃ- “মেঘের আকাশ ত্যাগ”: সোনেলার নীতিমালার ধারা ৫ এর আলোকে খসড়াউ রাখা হলো। আপনি ইচ্ছে করলে খসড়ায় রেখে দেয়া লেখাটি পুনরায় পোষ্ট করতে পারবেন।
    নীতিমালা এই লিংক এ ক্লিক করে পড়ুন> https://sonelablog.com/tac/

    সোনেলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
    শুভ ব্লগিং।

      1. কারন টা আমিই বলি 🙂
        উপরের মন্তব্যে কি লেখা আছে পড়েছেন ? নীতিমালার ৫ নং ধারা পড়ুন। নীতিমালার লিংক দেয়া আছে, কষ্ট করে একটা ক্লিক করুন ঐ লিংকে, এতে আপনার কোন টাকা খরচ হবে না। লিংকে ক্লিক করে ৫ নং ধারাটি পড়ুন। কারন জেনে যাবেন।
        সোনেলা দিগন্তে জলসিঁড়ির ধারে যে মন্তব্যটি করেছেন, তা কি আপনি পড়তে পারছেন?

  3. অন্যের লেখা পড়ুন। কারণ হলো দেয়া-নেয়া ছাড়া কোনো কিছুই কিন্তু পাওয়া যায়না।
    আজ আমরা আপনার লেখা পড়তে এসেছি, একদিন কেউ আসবে না। কারণ আপনি যদি অন্যদের পোষ্টে না যান,
    কেউ কি আসবে আপনার পোষ্টে?

      1. ভাইয়া আপনাকে একটা গল্প শুনাই! মনে করেন আপনার এক আত্মীয়র বাড়ি আছে। সেখানে আপনার যেতে হবে কারন তারা মাঝে মাঝেই আপনার বাড়ি আসে। সেই বাড়িতে আবার পিচ্চি আছে বেশ কয়েকটা। সাথে বয়স্ক মানুষও আছে। এবার সেই বাড়িতে যাওয়ার সময় আপনাকে এক কেজি মিষ্টি নিতে হবে, পিচ্চিদের জন্য চকলেট নিতে হবে আবার বয়স্কদের জন্য ফ্রুটস ও নিতে হবে। তা না হলে ওরা যখন পরের বার আপনার বাড়ি আসবে তখন খালি হাতে আসবে।
        কিছু পাইতে হলে আপনাকেও কিছু না কিছু দিতে হবে!

        হ্যাপি ব্লগিং ভাইয়া….. 🙂

  4. ব্লগে না ঢুকলে লেখেন কীভাবে ! এটা কি কোনো অযুহাত!
    অন্যেকে এড়িয়ে যাওয়াটা অসামাজিক। ব্লগ একটা পরিবার। এখানে আপনাকে কুশলদি জিজ্ঞেস করতেই হয়, এটাই নিয়ম। হঠাৎ রুম থেকে বের হয়ে ডাইনিং এ এসে পরিবারের কারো সাথে কথা না বলে খাবার খাওয়াটাও বড় বেমানান।
    যাইহোক, শুভ ব্লগিং
    কবিতাটা পছন্দ হয়েছে। যা ভাল তা বলতে সোনেলার পরিবারের কারো আপত্তি নেই।

মন্তব্য করুন