লেখাটি আমরা সবাই দেখি, শুনি কিন্তু অনুধাবন করিনা। আইলাম আর খাইলাম ভবে কিছুই করলাম না।
মন থাকলে মানুষ কিন্তু আমাদের মন আছে কি?
যখন যা দেখি, শুনি, বলি সব কি সততা, মানবিক, অমানবিক, ভালমন্দ বাছ-বিচার, যাচাই-বাছাই, হয় কি?
উলঙ্গ হলে মানুষ যেমন লজ্জা পায় অন্যায় করলে যদি পেত তাহলে বিবেক জাগ্রত হত।
উলঙ্গ হলে যে লজ্জা হয়, খুন, বেহায়া, বলাৎকার, দুর্নীতি, ঘুষ, চুরি, সকল অন্যায় সংঘটনকারী যদি এই লজ্জায় সমহারে সমব্যথি হত, তাহলে সকল অন্যায় থেকে নিষ্কৃতি পাবার আশা করা যেত।
সকল অবচেতন মন , বিবেক, যদি সকল সময় সকল অন্যায়ের বিরোধিতা করত তবে সকল ক্ষেত্রে আমরা ন্যায় নিতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পূরন হবার দ্বারগোড়ায় জেতে পারতাম।
আমরা পতিতা, গণিকা পেশাদারদের ঘৃনা করি, গালি দিয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমাদেরই গালি দেই। কারণ এসব আমাদের দ্বারাই ঘটিত হয়।
সমান পাপে আমরা দুষ্ট। তাদের যদি প্রয়োজন না থাকত তবে তাঁরা এই পথে আসত না। অপ্রয়োজনীয় কিছুই টেকে না।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আদালত মানুষের বিবেক!
মোট পড়েছেনঃ ৩,৭০৬জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
আসলেই আমরা নিজেরা নিজেদের দিকে মোটেই তাকাই না।
শুধু অন্যের দোষ বিচারে ব্যস্ত থাকি।
অনেক প্রয়োজনীয় দিক তুলে ধরেছেন।
আপনাকে ধন্যবাদ বস।
হ্যাঁ আমরা নিজেদের অবস্থান থেকে যদি শুধরাতে পারতাম।
খুব ছোট একটি লেখায় অত্যন্ত বলিষ্ঠ একটি বক্তব্য দিলেন ভাইয়া। ‘ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আদালত মানুষের বিবেক! ‘ সহমত আপনার সাথে।
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
“উলঙ্গ হলে মানুষ যেমন লজ্জা পায় অন্যায় করলে যদি পেত তাহলে বিবেক জাগ্রত হত।”
*** হ্যা, অবশ্যই “যদি এমন হত” তাহলে-আসলেই “বিবেক জাগ্রত হত”।
ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাল থাকবেন। -{@
হচ্ছে নাত ভাই
এখানেই সমস্যা।
শুভেচ্ছা অবিরত।
“উলঙ্গ হলে মানুষ যেমন লজ্জা পায় অন্যায় করলে যদি পেত তাহলে বিবেক জাগ্রত হত” (y)
চরম স্বার্থপরায়ণ হয়ে উঠছি দিনে দিনে। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য যে কোনো অন্যায় করে ফেলি হাসতে হাসতে। 🙁
হ্যাঁ দিদি আমরা নিজেকে ছাড়া আর ভাবিনা যে!
এই করে করেই তো প্রতিনিয়ত চরম সর্বনাশ করছি। 🙁
হ্যা দিদি।
আমাদের চালক ব্যাক্তিরাই বিবেকহীন বেশি।
যাদের বিবেক জাগ্রত হয়না, তারা আসলে মানুষ রূপী পশু, বিবেকহীন।
ভালো লেখা।
শুভ কামনা।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া।
হাতের একটা আঙুল অন্যের দিকে তুললে বাকি তিনটা আঙুল যে আমাদের দিকে থাকে তা আমরা ভুলে যাই। জাগ্রহ হোক মনুষ্য বিবেক।
দারুন বলেছেন আনিছ ভাই।
তাই তো বিবেকের চেয়ে বড় আদালত আর কি ?
এমন করে যদি আমরা প্রত্যেকে ভাবতে জানি তবে পৃথীবি বিবাদ মুক্ত হয়ে যাবে চিরতরে
মাসুদ ভাই,
লেখাটা বাসে প্রায়ই দেখি আর পড়ি কিন্তু
কোন প্রতিক্রিয়া আমাদের নাই, কিংবা যারা লেখেছেন তাদেরও সেরকম নাই।
কিন্তু তাঁরা প্রচার করেছেন এটাই অনেক কারন কোন না কোন সময় ের ইফেক্ট আসবে,
ঠিক এই কথাটিই আমি সব সময় বলি ভাইয়া, প্রতিটি অপরাধের পিছনেই একটি গল্প থাকে | সমালোচকরা আগে পিছে না দেখেই ভাল মন্দের ট্যাগ লাগায়ে দেয় | আর বিবেক যেদিন জাগ্রত হবে আমাদের, সেদিন আর দুনিয়া থাকবেনা স্বর্গ হয়ে যাবে |
সবার বিবেক জাগ্রত হোক সেই কামনাই রইল |
এই গল্প কেউ বুঝতে চাই না আমরা।
এখানেই আমাদের অপরাধ।
বিবেক বোধ যার জাগ্রত সেই প্রকৃত মানুষ।
জাগ্রত হক আমাদের বিবেক।
অপ্রযোজনকে প্রয়োজন মনে করলেই কিন্তু মানুষ নানা অন্যায় কাজেদের দিকে সহজে ঝুকে যায়।
হু, ঠিক ।
আপনাকে শুভেচ্ছা অবিরত।
বিবেক জাগ্রত হোক সবার।
সেই স্বপ্নে আছি
কেমন আছেন ?
অনেক অনেক দিন পর আগমন হেতু কি?
মানুষ মাত্রই বিবেক আছে কিন্তু আত্মকেন্দ্রিক মানুষগুলো স্বার্থ আদায়ের জন্যে যখন বিবেককে বিসর্জন দিয়ে বসে তখন আর তাকে মানুষের পর্যায়ে ফেলা যায় না।
আর এমন টাইপ মানুষেই এখন পৃথিবী পরিপূর্ণ!
আপু আমাদ্র দেশে সমাজে
চালকরা আজ বিবেকহীন।
অনেকাংশে।
বিবেক বিহীন মানুষ নাই ।
কিন্তু যথাযথভাবে বিবেক প্রকাশ করার মানুষের বড্ড অভাব ।
হুম! ঠিক বলেছেন আরিফ ভাই।
আমাদের সমাজে বিবেক প্রকাশ করা ব্যাক্তির সংক্ষ্যা কম।
পাপাচারীর কাছে অন্যায়ের সংজ্ঞা ভিন্ন, তাই বিবেকের সংজ্ঞাও।
তবু বলিষ্ঠ কিছু কন্ঠ এদের মধ্যেও আছে, থাকবে আপনার মত করেই।
হ্যা দিদি,
বিবেককে আমরা যথাযথ মুল্যায়ন করিনা।
আর আমাদের দেশে সমাজে এর কোন বিবেক জাগ্রত হচ্ছে না, বলবনা। কিন্তু আমরা অন্যায় কাজে বেশি জাগায় বিবেককে ।